রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ফায়ার সার্ভিসকর্মী মনিরুজ্জামানের সন্তানের মুখ দেখা হলো না

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ জুন, ২০২২

এক সপ্তাহ আগে কন্যা সন্তানের বাবা হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী মো. মনিরুজ্জামান (৩২)। বাড়িতে ফোন করে বলেছিলেন, ‘ছুটি নিয়ে শিগগিরই আমার সন্তানকে দেখতে আসবো। আমি এসেই তার নাম রাখবো।’ ছুটি পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু সেই ছুটিতে একমাত্র সন্তানতে দেখতে যেতে পারবেন না মনিরুজ্জামান। শনিবার (৪ জুন) রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বেরসকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন নেভাতে গিয়ে তিনি মারা গেছেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে লাশ রাখা আছে। মনিরুজ্জামানের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নাইয়ারা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের ছেলে। তারা পাঁচ ভাই ও এক বোন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে বিয়ে করেন মনিরুজ্জামান। তার স্ত্রী বরিশালে বাবার বাড়িতেই থাকেন। এক সপ্তাহ আগে তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘মনিরুজ্জামান কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে বদলি হয়ে চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার সার্ভিসে যোগ দেন। একমাত্র সন্তানকে দেখার জন্য বরিশাল যাওয়ার কথা ছিল তার। বাড়িতে বলেছিলেন, নিজে এসে মেয়ের নাম রাখবেন। নামটা মনে মনেই রেখেছিলেন, কাউকে বলেননি। কিন্তু তার সেই ইচ্ছে আর পূরণ হলো না।’ খবর পেয়ে ভোরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করেন মনিরুজ্জামানের মামা মীর হোসেন। লাশ দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মীর হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে ভাগনের লাশ শনাক্ত করেছি। মনিরুজ্জামান আমার বড় বোনের ছোট ছেলে। তার একটি মেয়ে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘৭-৮ বছর হয়েছে চাকরিতে যোগ দিয়েছে। দুই মাস আগে বদলি হয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে আসে। এর আগে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত ছিল। গত শুক্রবার আমার সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল। তার কর্মস্থল কুমিরায় গিয়েছিলাম। ছবিও তুলেছি। একসঙ্গে খেয়েছি।’ নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, ‘মনিরুজ্জামানের মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। আমাদের পক্ষ থেকে যে ধরনের সহায়তা দরকার, তা করবো।’




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com