ফরিদপুরের সদরপুরে পুরাতন হাট সাড়ে সাতরশি, কৃষ্ণপুর, পিয়াজখালী সহ বিভিন্ন হাট বাজারে গতকাল শনিবার পাটের বাজার মন্দা গেছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা আশাহত হয়ে পড়েছেন। পাটের মান বিবেচনায় মণপ্রতি সর্বনিম্ব ২০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা পর্যন্ত দর চলছে । বিগত একমাস হাটগুলোতে এই রকম নিম্নদাম বজায় আছে। এর আগে ভাল মানের পাটের দাম মণপ্রতি ৩৪০০ থেকে ৩৮০০ টাকা ছিল। ঐ সময়ে সর্বনিম্ন দাম ছিল প্রতিমণ ২৮০০ টাকা। জনৈক পাটক্রেতা দেলোয়ার হোসেন এর সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, বর্তমানে এই দামেই পাট ক্রয় বিক্রয় চলছে। আরেক পাটক্রেতা উত্তম সাহা জানান, পাটের দাম ভবিষ্যতে বাড়বে বলে মনে হয়না কারন সামনে সঙ্কট আসছে। জনৈক পাটচাষীর সংগে আলাপ করে জানা যায়- একমন পাট উৎপাদন খরচ সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা করে পড়ে, কারও কারও এর উপরেও পড়েছে। এই বছর বর্ষার পরিষ্কার পানি না আসাতে পাট জাঁক দিতে হয়েছে কর্দমাক্ত নালায় যে কারনে পাটের রং উজ্জ্বল করা সম্ভব হয়নি। পাটের ভাল মান থাকা সত্ত্বেও শুধু রঙ ও পরিচ্ছন্নতার কারনে তিনি দুই হাজার চারশ টাকা মণ দরে বিক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। ফড়িয়ারা পাটের দাম তাদের সুবিধামত করাতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদি বাজার মনিটরিং করা সম্ভব হত তবে কৃষকগণ ভাল দাম পেতেন বলে মনে করা হয়।