বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

সুন্দরবনে পর্যটকের ঢল

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২

বিজয় দিবসের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে সুন্দরবনে। ট্রলার ও লঞ্চযোগে শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে করমজলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন তারা। শনিবারও (১৭ ডিসেম্বর) আসছেন পর্যটকরা।
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, একদিকে ১৬ ডিসেম্বরের ছুটি অপরদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই শুক্রবার পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী, যাদের অধিকাংশ এসেছে পরিবারসহ। অফিস আদালত বন্ধ থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে সরকারি চাকরিজীবীরাও এসেছেন। এসেছেন মোংলাসহ আশপাশ এলাকার লোকজনও। আজাদ কবির আরও বলেন, শুক্রবারই প্রায় ১২ শতাধিক পর্যটক এসেছেন করমজলে। এর আগে বৃহস্পতিবার এ কেন্দ্রে পর্যটক আসে ১৫০-২০০। আগের শুক্রবার লোক হয়েছিল ৪০০। শনিবারও লোক আসছে। বন্ধের দিন থাকায় এদিনও লোক সমাগম ভালো হবে বলে আশা করছি।
করমজল ছাড়াও বনের হাড়বাড়ীয়া, হিরণপয়েন্ট-নীলকমল, কটকা, কচিখালী ও দুবলার চরে পর্যটক সমাগম ঘটেছে। তিন দিনের প্যাকেজে এসব জায়গা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আজম ডেভিড জাগো নিউজকে বলেন, শুক্রবার দিনভর ৫০টির মতো ছোট-বড়-মাঝারি লঞ্চ পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এসব লঞ্চে প্রায় ২ হাজার পর্যটক তিনদিনের প্যাকেজে সুন্দরবন ভ্রমণে গেছেন। মূলত বিজয় দিবসের ছুটিতে এত বেশি সংখ্যক লোকের আগমন ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, সামনের দিনগুলোতেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। শীতকালই হলো মূলত পর্যটন মৌসুম। এ সময়ে সাগর ও নদীর পানি ঠান্ডা থাকে সেই সাথে ঝড় বৃষ্টি না থাকায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করে থাকেন। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের আশংকা থাকে, যদি তেমন কোন ঝড়-ঝাপটা না হয় তাহলে পর্যটকদের আনাগোনায় সরগরম থাকবে এ শীত মৌসুম।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com