মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু দুশ্চিন্তায় দেশীয় খামারীরা

আব্দুর রাজ্জাক স্টাফ রিপোর্টার ঝিনাইদহ :
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে চোরাই পথে অবাধে আসছে ভারতীয় গরু। এতে একটি চক্র যেমন হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ, তেমনি সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। সেই সঙ্গে কাঙ্খিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন দেশীয় খামারিরা। বিভিন্ন সূত্র জানায়, একটি চক্র কৌশলে সীমান্তের কাঁটা তার পেরিয়ে বাঘাডাঙ্গা, খোসালপুর, সামন্তা, কাঞ্চনপুর, মাটিলা ও লেবুতলাসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে রাতের অন্ধকারে এসব গরু দেশে আনছে। পরে চক্রটি সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে গরু রেখে দালালদের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে খালিশপুর, ডুগডুগি ও শিয়ালমারি,পুড়াপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন পশুহাটে বিক্রয় করছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় খামারিসহ কৃষকরা। বেশ কয়েকজন খামারি অভিযোগ করে বলেন, এভাবে অবৈধভাবে ভারত থেকে গরু আসলে তারা পুঁজি হারিয়ে পথে বসবে। তারা অবৈধ পথে গরুর প্রবেশ বন্ধে সরকারের প্রতি দাবি জানান। খোজ নিয়ে জানা যায়, নেপা ইউপির বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আত্তাপ আলীর ছেলে কবীর হোসেন, আব্দুস সামাদ গামা’র ছেলে আরিফ, রবিউল কামারের ছেলে জুয়েল,আসরত খলিফার ছেলে বিল্লাল খলিফা,মৃত ইমান আলীর ছেলে আতিয়ার সহ সীমান্ত এলাকার কিছু চোরকারবারী ভারত থেকে গরু আনে বলে অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানায় তারা স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে এই ব্যবসা করে। স্থানীয় মেম্বার ওবাইদুল এসব গরুর সনদ পত্র দিয়ে থাকে। তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বাঘাডাঙ্গা বিওপি ক্যাম্পের সিল স্বাক্ষর থাকার পর তিনি এই সনদ দিয়ে থাকেন। বাঘাডাঙ্গা বিওপি কোম্পানী কমন্ডার সুবেদার গোলাম মাওলার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, হাটের ক্রয় রশিদ দেখে তারা সিল স্বাক্ষর দিয়ে থাকেন। অপর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে এ সকল গরু চোরাকারবারীরা আগেই সংশ্লিষ্ট হাট মালিকের কাছ থেকে ব্ল্যাঙ্ক ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করে থেকে। ভারত থেকে গরু আনার পর ক্রয় রশিদ লিখে ক্যাম্পে শো-করা হয়। এখানে এক শ্রেণীর দালাল চক্র মোটা অংকের অর্থ লেনদেন করে থাকে। সোমবার সকালে নেপা ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম মৃধা বলেন, গোপনে এক শ্রেণীর চোরাকাবারী ভারত থেকে গরু আনছে বলে তিনি শুনেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কোন ইউপি সদস্য প্রত্যয়নপত্র দিয়ে থাকলে দায়-দায়িত্ব তার। উপজেলা চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন গরু আসার বিষয়ে তার জানা নেই তবে এ বিষয়ে তিনি বিজিবির সাথে আলোচনা করবেন। ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল শাহীন আজাদ বলেন, চোরাচালান প্রতিরোধে তারা কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। চোরাকারবারীদের খোজখবর নিয়ে আইনের আওতায় আনা হবে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com