ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন Logo কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন Logo দুর্গাপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত Logo গলাচিপায় (সি-পি-পি) স্বেচ্ছা সেবক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ Logo উখিয়ায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্গমনের আগুন জ্বলবে আরো ১ সপ্তাহ, ২০০ মিটারের বাসিন্দাদের সরানোর পরামর্শ বাপেক্সের Logo কালীগঞ্জে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: লুট হওয়া বৈদ্যুতিক সামগ্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা সদস্য সফিকুল ইসলাম Logo ফুলতলায় বরণপাড়া বায়োগ্যাস পল্লী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি Logo টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য মিছিল Logo মধুপুরের বংশাই নদী জোর কদমে চলছে পুনরুদ্ধারের কাজ

জলঢাকায় ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার রাজাহাট এলাকার কয়েকটি স্থানে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব স্থান উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কাঁঠালি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দেশীবাই এলাকায় প্রায় ৫ থেকে ৬টি এবং জলঢাকা পৌরসভার বগুলাগাড়ী বোর্ডের ডাঙ্গা এলাকায় ২ থেকে ৩টি পয়েন্ট থেকে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। এসব স্থান সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এসব স্থান থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ১০ থেকে ১২টি ট্রাক্টর-ট্রলিতে মাটি নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, কোনো কোনো জমিতে প্রায় ৩ থেকে ৫ ফুট গভীর করে মাটি কাটা হয়েছে। এতে জমির উচ্চতা, সেচব্যবস্থা ও কৃষিকাজের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাটি পরিবহনের সময় সড়কে মাটি পড়ে ধুলার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা আজহারুল বলেন, আমার পাশের ফসলি জমির মাটি কাটায় আমার জমি উঁচু হয়ে গেছে। পাশের জমির মাটি কাটা না হলে আমিও কাটতাম না। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমিও জমির মাটি বিক্রি করেছি। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রথমে বিষয়টি জানেন না বলে জানান। পরে তিনি বলেন, এর আগে একটি মাটিবাহী ট্রলির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন এবং ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়েও প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। ভেকুর ব্যাটারি খুলে নেওয়ার পর আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ইউনিয়ন তহশিলদারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন প্যানেল চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি আরে বলেন এলাকায় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবগত হলাম। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন

জলঢাকায় ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

আপডেট সময় ০৮:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার রাজাহাট এলাকার কয়েকটি স্থানে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব স্থান উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কাঁঠালি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দেশীবাই এলাকায় প্রায় ৫ থেকে ৬টি এবং জলঢাকা পৌরসভার বগুলাগাড়ী বোর্ডের ডাঙ্গা এলাকায় ২ থেকে ৩টি পয়েন্ট থেকে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। এসব স্থান সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এসব স্থান থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ১০ থেকে ১২টি ট্রাক্টর-ট্রলিতে মাটি নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, কোনো কোনো জমিতে প্রায় ৩ থেকে ৫ ফুট গভীর করে মাটি কাটা হয়েছে। এতে জমির উচ্চতা, সেচব্যবস্থা ও কৃষিকাজের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাটি পরিবহনের সময় সড়কে মাটি পড়ে ধুলার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা আজহারুল বলেন, আমার পাশের ফসলি জমির মাটি কাটায় আমার জমি উঁচু হয়ে গেছে। পাশের জমির মাটি কাটা না হলে আমিও কাটতাম না। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমিও জমির মাটি বিক্রি করেছি। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রথমে বিষয়টি জানেন না বলে জানান। পরে তিনি বলেন, এর আগে একটি মাটিবাহী ট্রলির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন এবং ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়েও প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। ভেকুর ব্যাটারি খুলে নেওয়ার পর আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ইউনিয়ন তহশিলদারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন প্যানেল চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি আরে বলেন এলাকায় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবগত হলাম। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।