ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

রায়গঞ্জে বন্ধের শঙ্কায় চালকল, খাদ্য সংগ্রহ ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় চালকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মিল মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে। চালকলগুলো বন্ধ হয়ে গেলে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি চালকল ধান প্রক্রিয়াজাত করে চাল উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। এর মধ্যে লুৎফা, ওমর, আনোয়ারা, মামাভাগ্নে সামি ও সৌরভ সেমিঅটো চালকল উল্লেখযোগ্য। এসব মিলকে ঘিরে ধান-চাল ব্যবসা, পরিবহন ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন খাতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। মিল মালিক ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাজার পরিস্থিতিসহ নানা সমস্যার কারণে চালকল পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে একাধিক চালকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের দাবি, চালকলগুলো সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্থানীয়ভাবে সক্ষম চালকলগুলোকে সম্পৃক্ত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। চান্দাইকোনা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস বলেন, সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্থানীয় চালকলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নির্ধারিত মান বজায় রেখে সময়মতো চাল সরবরাহ করা হলে সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। মিল মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনো চালকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সচল ও সক্ষম মিলগুলোকে কাজে লাগিয়ে সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। লাইসেন্স, মিল সার্ভে, বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্যতা এবং চালের মানÑসবকিছু যাচাই করেই বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, চালকলগুলো সচল রাখা গেলে একদিকে যেমন সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম নির্বিঘœ রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কর্মসংস্থানও বজায় থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

রায়গঞ্জে বন্ধের শঙ্কায় চালকল, খাদ্য সংগ্রহ ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৮:১৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় চালকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মিল মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে। চালকলগুলো বন্ধ হয়ে গেলে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি চালকল ধান প্রক্রিয়াজাত করে চাল উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। এর মধ্যে লুৎফা, ওমর, আনোয়ারা, মামাভাগ্নে সামি ও সৌরভ সেমিঅটো চালকল উল্লেখযোগ্য। এসব মিলকে ঘিরে ধান-চাল ব্যবসা, পরিবহন ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন খাতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। মিল মালিক ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাজার পরিস্থিতিসহ নানা সমস্যার কারণে চালকল পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে একাধিক চালকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের দাবি, চালকলগুলো সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্থানীয়ভাবে সক্ষম চালকলগুলোকে সম্পৃক্ত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। চান্দাইকোনা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস বলেন, সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্থানীয় চালকলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নির্ধারিত মান বজায় রেখে সময়মতো চাল সরবরাহ করা হলে সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। মিল মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনো চালকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সচল ও সক্ষম মিলগুলোকে কাজে লাগিয়ে সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। লাইসেন্স, মিল সার্ভে, বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্যতা এবং চালের মানÑসবকিছু যাচাই করেই বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, চালকলগুলো সচল রাখা গেলে একদিকে যেমন সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম নির্বিঘœ রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কর্মসংস্থানও বজায় থাকবে।