ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি Logo কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ Logo জাংগালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশা নিধন সম্পর্কে র‌্যালি ও আলোচনা Logo নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেন দুই হাইকোটের বিচারপতি Logo মনোহরগঞ্জে ২০ মাসেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ Logo ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ৭৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo পাঁচবিবিতে মাওড়িতলা ব্রিজে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল, লাইট পোস্ট দাবি Logo স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় উপকুলবাসী পেল ইউবিইএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন Logo মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি, ৫ জন খালাস

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষেধ এবং এ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা দেশের গণমাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু গণমাধ্যমে তার বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যা একেবারেই অনুচিত। তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু গণমাধ্যম সম্প্রতি তার বক্তব্য প্রচার করছে, এর মানে তারা আদালতের নির্দেশনা মানছেন না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে তাদের এই কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই। আমরা এখনই খুব কঠোর কোনো অবস্থানে যাচ্ছি না, তবে গণমাধ্যমগুলোকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আমাদের মিডিয়াগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। তবে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করার এই ধারা চলতে থাকলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে আইনগত করণীয় ঠিক করা হবে।’
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সরকারের নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সবসময় গণমাধ্যমকে তার বন্ধু মনে করে। গণমাধ্যমের সমালোচনা ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সরকার যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিমার্জন বা পরিবর্তন করে থাকে। সাম্প্রতিক বাজেট ও ব্যাংকিং খাতের কিছু বিষয়ে সমালোচনার পর সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সরকার সবসময় গণমাধ্যমের সাথে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ রয়েছে। যতদিন আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিচ্ছে, ততদিন আওয়ামী লীগ ‘রিফর্মড’ বা অন্য যেকোনো নামেই আসুক না কেন, তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।
ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষেধ এবং এ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা দেশের গণমাধ্যমগুলোকে কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু গণমাধ্যমে তার বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যা একেবারেই অনুচিত। তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু গণমাধ্যম সম্প্রতি তার বক্তব্য প্রচার করছে, এর মানে তারা আদালতের নির্দেশনা মানছেন না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে তাদের এই কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই। আমরা এখনই খুব কঠোর কোনো অবস্থানে যাচ্ছি না, তবে গণমাধ্যমগুলোকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আমাদের মিডিয়াগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। তবে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করার এই ধারা চলতে থাকলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে আইনগত করণীয় ঠিক করা হবে।’
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সরকারের নীতি প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সবসময় গণমাধ্যমকে তার বন্ধু মনে করে। গণমাধ্যমের সমালোচনা ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সরকার যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিমার্জন বা পরিবর্তন করে থাকে। সাম্প্রতিক বাজেট ও ব্যাংকিং খাতের কিছু বিষয়ে সমালোচনার পর সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সরকার সবসময় গণমাধ্যমের সাথে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ রয়েছে। যতদিন আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিচ্ছে, ততদিন আওয়ামী লীগ ‘রিফর্মড’ বা অন্য যেকোনো নামেই আসুক না কেন, তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।
ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।