ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়ার হোতখালী গ্রামে কামাল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হলতা গুলিসাখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড হোতখালী গ্রামের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিএন্ডবি বাজারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে শতাধিক লোকজন অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ বারেক, ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য বেলায়েত হোসেন, সমাজসেবক আজিজুর রহমান টুলু, নসসিন চৌধুরী ও মোঃ শাহজাহান মিয়া বাদশা প্রমুখ। বক্তারা বলেন, দক্ষিণ হলতা মৌজার ৬০৯ নং খতিয়ানের আটআনি অংশ এলেমদ্দিন হাওলাদার ও আটআনি অংশ এরফান উদ্দিনের। উক্ত খতিয়ানের অর্ধেক জমি এলেমদ্দিন হাওলাদার দুই পুত্রকে পাট্টা মূলে বিক্রি করেন। ওই জমি নিয়ে বহু বছর ধরে মামলা চলে এবং পাট্টা মালিক কামাল মেম্বারের দাদা শের আলী এবং কাঞ্চন আলী মালিক হয়। এরপর কাঞ্চন আলী হাওলাদার মারা যান। কাঞ্চন আলী হাওলাদার মৃত্যুয়ান্তে এলেমদ্দিন ও তার স্ত্রী এদেন্নেছা তার ওয়ারিশ হন। ওয়ারিশ হইয়া এই মর্মে ৪টি খতিয়ানের জমি ৪৩ সালের পাট্টা স্বীকার করে কাঞ্চন, রুস্তম আলী, আনোয়ার হোসেনদের নামে সাব কবলা দেন। আরও তিন কন্যাকে ৪৩ সালের পাট্টা স্বীকার করে এক একর সম্পত্তি সাব কবলা দেন। তারপর অনুপায় হইয়া অন্য ছেলেরা পাট্টার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলায় কাঞ্চন আলী হাওলাদার গং হেরে যায়। এরপর থেকে আদালতের দুটি রায় পেয়ে কামাল হোসেন মেম্বার গং অদ্যাবধি জমি ভোগ দখল করিয়া আসিতেছেন। এরপর কাঞ্চন আলী গং কামাল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানি করে আসছেন। এদিকে কাঞ্চন আলী হাওলাদার এলাকায় একজন মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকার বহু মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করে আসছেন। এদিকে কাঞ্চন আলী হাওলাদার মামলায় হেরে গিয়ে এলাকায় বলে বেড়ান তিনি হাইকোর্টে আপিল করেছেন। কিন্তু অদ্যাবধি কামাল মেম্বার গং হাইকোর্টের কোনো নোটিশ পাননি। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কাঞ্চন আলী হাওলাদার গংদের হয়রানি থেকে বাঁচার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মঠবাড়িয়ার হোতখালী গ্রামে কামাল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৮:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হলতা গুলিসাখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড হোতখালী গ্রামের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিএন্ডবি বাজারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে শতাধিক লোকজন অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ বারেক, ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য বেলায়েত হোসেন, সমাজসেবক আজিজুর রহমান টুলু, নসসিন চৌধুরী ও মোঃ শাহজাহান মিয়া বাদশা প্রমুখ। বক্তারা বলেন, দক্ষিণ হলতা মৌজার ৬০৯ নং খতিয়ানের আটআনি অংশ এলেমদ্দিন হাওলাদার ও আটআনি অংশ এরফান উদ্দিনের। উক্ত খতিয়ানের অর্ধেক জমি এলেমদ্দিন হাওলাদার দুই পুত্রকে পাট্টা মূলে বিক্রি করেন। ওই জমি নিয়ে বহু বছর ধরে মামলা চলে এবং পাট্টা মালিক কামাল মেম্বারের দাদা শের আলী এবং কাঞ্চন আলী মালিক হয়। এরপর কাঞ্চন আলী হাওলাদার মারা যান। কাঞ্চন আলী হাওলাদার মৃত্যুয়ান্তে এলেমদ্দিন ও তার স্ত্রী এদেন্নেছা তার ওয়ারিশ হন। ওয়ারিশ হইয়া এই মর্মে ৪টি খতিয়ানের জমি ৪৩ সালের পাট্টা স্বীকার করে কাঞ্চন, রুস্তম আলী, আনোয়ার হোসেনদের নামে সাব কবলা দেন। আরও তিন কন্যাকে ৪৩ সালের পাট্টা স্বীকার করে এক একর সম্পত্তি সাব কবলা দেন। তারপর অনুপায় হইয়া অন্য ছেলেরা পাট্টার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলায় কাঞ্চন আলী হাওলাদার গং হেরে যায়। এরপর থেকে আদালতের দুটি রায় পেয়ে কামাল হোসেন মেম্বার গং অদ্যাবধি জমি ভোগ দখল করিয়া আসিতেছেন। এরপর কাঞ্চন আলী গং কামাল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানি করে আসছেন। এদিকে কাঞ্চন আলী হাওলাদার এলাকায় একজন মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকার বহু মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করে আসছেন। এদিকে কাঞ্চন আলী হাওলাদার মামলায় হেরে গিয়ে এলাকায় বলে বেড়ান তিনি হাইকোর্টে আপিল করেছেন। কিন্তু অদ্যাবধি কামাল মেম্বার গং হাইকোর্টের কোনো নোটিশ পাননি। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কাঞ্চন আলী হাওলাদার গংদের হয়রানি থেকে বাঁচার দাবি জানিয়েছেন।