ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিশাল জনসভা Logo কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনে তা-ব Logo খুলনায় জাতীয় যুব দিবস পালিত Logo টাঙ্গাইলে সাড়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত মূলহোতা গ্রেপ্তার Logo সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি Logo মীরসরাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন Logo পৌলী বুলবুল ক্লাবের আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ Logo লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক Logo পাহাড় কেটে সাতটি স্থাপনা, চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বাড়িঘর ও মুরগির খামার নির্মাণের অভিযোগ Logo কুড়িগ্রামের কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

খুচরা বিক্রেতার গোডাউনে ৬৩৬ বস্তা সার মজুত-এক মাসের জেল ও অর্থদন্ড

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা বাজারে তিনটি গোডাউনে ৩১ দশমিক ৮ টন সার অবৈধভাবে মজুত রাখার অভিযোগে নূর-এ-আলম নামের এক খুচরা সার বিক্রেতাকে এক মাসের কারাদ- ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নূর-এ-আলম উচাখিলা এলাকার ফজলুল হকের ছেলে। একই অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহা নামের আরেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উচাখিলা বাজারে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রহমান। অভিযানে প্রসিকিউশন দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিপা রানী চৌহান। সার্বিক সহযোগিতা করেন ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নূর-এ-আলমের তিনটি গোডাউনে ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার মজুত পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইউরিয়া ৩৯১ বস্তা, ডিএপি ১৬০ বস্তা ও এমওপি ৮৫ বস্তা। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি হিসেবে মোট সারের পরিমাণ ৬৩৬ বস্তা বা ৩১ দশমিক ৮ টন। নূর-এ-আলমের খুচরা সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠানে বিক্রির ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি মজুতের হিসাব সংবলিত রেজিস্টারও সংরক্ষণ করা হয়নি। এসব অনিয়মের কারণে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়েছে। অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহাকেও একই আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, নূর-এ-আলমের দোকানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছিল। জব্দ করা ৬৩৬ বস্তা সার স্থানীয় সার ডিলার শামসুল হকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এসব সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাদের বিধি মোতাবেক কারাদ- ও অর্থদ- প্রদান করা হয়েছে। যাতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। জব্দ করা সার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। অবৈধ মজুত বা নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিশাল জনসভা

খুচরা বিক্রেতার গোডাউনে ৬৩৬ বস্তা সার মজুত-এক মাসের জেল ও অর্থদন্ড

আপডেট সময় ০২:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা বাজারে তিনটি গোডাউনে ৩১ দশমিক ৮ টন সার অবৈধভাবে মজুত রাখার অভিযোগে নূর-এ-আলম নামের এক খুচরা সার বিক্রেতাকে এক মাসের কারাদ- ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নূর-এ-আলম উচাখিলা এলাকার ফজলুল হকের ছেলে। একই অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহা নামের আরেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উচাখিলা বাজারে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রহমান। অভিযানে প্রসিকিউশন দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিপা রানী চৌহান। সার্বিক সহযোগিতা করেন ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নূর-এ-আলমের তিনটি গোডাউনে ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার মজুত পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইউরিয়া ৩৯১ বস্তা, ডিএপি ১৬০ বস্তা ও এমওপি ৮৫ বস্তা। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি হিসেবে মোট সারের পরিমাণ ৬৩৬ বস্তা বা ৩১ দশমিক ৮ টন। নূর-এ-আলমের খুচরা সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠানে বিক্রির ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি মজুতের হিসাব সংবলিত রেজিস্টারও সংরক্ষণ করা হয়নি। এসব অনিয়মের কারণে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদ- দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়েছে। অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহাকেও একই আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, নূর-এ-আলমের দোকানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছিল। জব্দ করা ৬৩৬ বস্তা সার স্থানীয় সার ডিলার শামসুল হকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এসব সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাদের বিধি মোতাবেক কারাদ- ও অর্থদ- প্রদান করা হয়েছে। যাতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। জব্দ করা সার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। অবৈধ মজুত বা নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।