ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিশাল জনসভা Logo কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনে তা-ব Logo খুলনায় জাতীয় যুব দিবস পালিত Logo টাঙ্গাইলে সাড়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত মূলহোতা গ্রেপ্তার Logo সালথায় চীনা যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি Logo মীরসরাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন Logo পৌলী বুলবুল ক্লাবের আয়োজনে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ Logo লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক Logo পাহাড় কেটে সাতটি স্থাপনা, চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বাড়িঘর ও মুরগির খামার নির্মাণের অভিযোগ Logo কুড়িগ্রামের কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনে তা-ব

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক, বিভিন্ন পোশাক কারখানার ফটক, মৌচাক কাটার পুলিশ বক্স এবং কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে এবং আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ, বিজিবি ও অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সকাল থেকেই গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়। সকাল ৮টার দিকে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে কোনাবাড়ীসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে। শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করলে দুই পাশের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহনসহ বিভিন্ন পরিবহন। চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক ও আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি পোশাক কারখানার প্রবেশপথ ও গেটেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। মৌচাক কাটার এলাকায় পুলিশের একটি বক্স ভাঙচুর করা হয়। অন্যদিকে কোনাবাড়ী এলাকায় পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া আনসার একাডেমির সামনেও পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোনাবাড়ী ও কালিয়াকৈরÑউভয় দিক থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপরতা শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি এবং টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিজিবির সদস্যসংখ্যা ও প্লাটুন আরও বাড়ানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়। শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যেই কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেড পোশাক কারখানার ঝুট গুদামে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ও তীব্র যানজটের কারণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে বিজিবির পাহারায় মহাসড়কের উল্টো দিক দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে অগ্নিকা-ের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার পর পুলিশ বিভিন্ন যানবাহনকে চলাচলে সহযোগিতা করে। অবশেষে দুপুর আড়াইটার দিকে কোনাবাড়ী থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা ভোগান্তির পর স্বস্তি ফিরে পান যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা তা না মেনে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি এবং টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুপুর আড়াইটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিশাল জনসভা

কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনে তা-ব

আপডেট সময় ০২:৪১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক, বিভিন্ন পোশাক কারখানার ফটক, মৌচাক কাটার পুলিশ বক্স এবং কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে এবং আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ, বিজিবি ও অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সকাল থেকেই গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়। সকাল ৮টার দিকে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে কোনাবাড়ীসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে। শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করলে দুই পাশের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহনসহ বিভিন্ন পরিবহন। চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক ও আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি পোশাক কারখানার প্রবেশপথ ও গেটেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। মৌচাক কাটার এলাকায় পুলিশের একটি বক্স ভাঙচুর করা হয়। অন্যদিকে কোনাবাড়ী এলাকায় পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া আনসার একাডেমির সামনেও পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোনাবাড়ী ও কালিয়াকৈরÑউভয় দিক থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপরতা শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি এবং টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিজিবির সদস্যসংখ্যা ও প্লাটুন আরও বাড়ানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়। শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যেই কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেড পোশাক কারখানার ঝুট গুদামে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ও তীব্র যানজটের কারণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে বিজিবির পাহারায় মহাসড়কের উল্টো দিক দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে অগ্নিকা-ের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার পর পুলিশ বিভিন্ন যানবাহনকে চলাচলে সহযোগিতা করে। অবশেষে দুপুর আড়াইটার দিকে কোনাবাড়ী থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা ভোগান্তির পর স্বস্তি ফিরে পান যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা তা না মেনে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি এবং টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুপুর আড়াইটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।