ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে প্রাক-অর্থায়ন স্কীম বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর Logo বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র ও রপ্তানি প্রবেশদ্বার হতে চায় বাংলাদেশ Logo সিপাহি-জনতার বিপ্লব : সংবাদপত্রের পাতায় সেই দিনটি Logo উপকূলীয় অঞ্চলে চাষাবাদে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এলো উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান- Logo শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিফ প্রসিকিউটরের চিঠি Logo গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সচেষ্ট সরকার, অস্থিরতার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গ্যাস সরবরাহ চারদিন বন্ধ থাকবে এমন সংবাদ বিভ্রান্তিকর : পেট্রোবাংলা Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo পুলিশের জন্য কেনা হবে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণকারী যানসহ ৫৮৩০ বাহন Logo কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী উপায়ে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্য খাতে লুটপাটের কারণে হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও ভ্যাকসিনের সংকট’স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ দেওয়াসহ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৮.৩০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সেবার মান, জনবলসংকট, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের সামনে অবস্থিত কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করেন। পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন, আপনাদের তা স্বীকার করতে হবে। গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট হয়েছে। জনগণের টাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। হাসপাতালগুলোর প্রতি কোনো খেয়াল রাখা হয়নি।’ স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে প্রতিটি উপজেলায় ১৯ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে ৫০শয্যায় উন্নীত করেন। এরপর আর কেউ এর পরিসর বাড়ায়নি কিংবা উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টার গড়ে তোলা হবে, যেখানে একজন করে চিকিৎসক থাকবেন।’ এ সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের আরও কয়েকটি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। হাসপাতালের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। পরিদর্শনকালে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কালকিনি উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে প্রাক-অর্থায়ন স্কীম বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্য খাতে লুটপাটের কারণে হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও ভ্যাকসিনের সংকট’স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৫১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ দেওয়াসহ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৮.৩০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সেবার মান, জনবলসংকট, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের সামনে অবস্থিত কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করেন। পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন, আপনাদের তা স্বীকার করতে হবে। গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট হয়েছে। জনগণের টাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। হাসপাতালগুলোর প্রতি কোনো খেয়াল রাখা হয়নি।’ স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে প্রতিটি উপজেলায় ১৯ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে ৫০শয্যায় উন্নীত করেন। এরপর আর কেউ এর পরিসর বাড়ায়নি কিংবা উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টার গড়ে তোলা হবে, যেখানে একজন করে চিকিৎসক থাকবেন।’ এ সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের আরও কয়েকটি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। হাসপাতালের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। পরিদর্শনকালে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কালকিনি উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।