ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অস্থায়ী বাঁধ দেয়ার দাবি কলাপাড়ায় হুমকির মুখে পাখিমারা খাল ঘিরে গড়ে ওঠা ১০ গ্রামের জীবন-অর্থনীতি Logo ঘাটাইলে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের দাবিতে মানববন্ধন Logo তালের বাজারে সরকারি খাল দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo রায়পুরা উপজেলা ছাত্রদলের শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা Logo জগন্নাথপুরের সৈয়দপুর যুব পরিষদ সিলেটের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী পর্যটনখ্যাত খাসিয়ামারা নদীতে সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ১৫ গ্রামবাসী Logo সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আ‘লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ Logo কালীগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প : সেবা পেলেন দুই শতাধিক মানুষ Logo ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রেসব্রিফিং Logo টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আ‘লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

জাতির মেরুদ- শিক্ষার কারিগর বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যখন রাজনৈতিক প্রভাবের উর্ধ্বে না যেতে পেরে দ্বিচারিতায় ভোগে আর তা যদি হয় “এ” ক্যাটাগরির সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ তখন দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জীর্ণশীর্ণতাই প্রকাশ পায়। জামালপুর-শেরপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর এর বর্তমান অধ্যক্ষ বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ যিনি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ১৯৯৯ সালে আওয়ামীলীগের আমলে। ইতোপূর্বেও তিনি ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক(৮বছর), সহযোগী অধ্যাপক(৫বছর), অধ্যাপক (১বছর) হিসেবে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রায় টানা ১৪বছর শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রী, সাবেক এমপি-কৃষিমন্ত্রী প্রয়াত বেগম মতিয়া চৌধুরীর আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি সরকারি হাজী জাল মামুদ কলেজ, নকলা, শেরপুরের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে প্রায় ০২ বছর ১০ মাস ছিলেন; ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়েও ৫ই আগস্ট ‘২৪ইং পরবর্তী সময়েও তিনি ছিলেন বহাল তবিয়তে। উপরন্তু বর্তমানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুরের অধ্যক্ষ হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু বিধিমালা অনুযায়ী চতুর্থ গ্রেডের অধ্যাপক তৃতীয় গ্রেডের সুযোগ-সুবিধাভোগী অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের বিধান থাকলেও “সি ক্যাটাগরি” কলেজের(সরকারি হাজী জালমামুদ ডিগ্রি কলেজ, নকলা, শেরপুর) অধ্যক্ষ হিসেবে সরাসরি “এ ক্যাটাগরি” কলেজের(সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর) অধ্যক্ষ হওয়ার অদ্যাবধি কোন নজির নেই।
মূলধারার জাতীয় গণমাধ্যম না আসলেও বিভিন্ন সময় পরীক্ষা প্রশ্নপত্র বিভ্রাট বা অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয়ের অসংগতির কারনে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় তার বিরুদ্ধে যা পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারনে আলোর মুখ দেখেনি। সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে গত ২৮ই অক্টোবর, ‘২৫ইং তারিখে যোগদান করা অধ্যাপক মোঃ শওকত আলম মীর গত ২৭ই আগস্ট ‘২৬ইং তারিখে অবসরোত্তর ছুটিতে যান অথচ ২১ই জুলাই, ‘২৬ইং তারিখেই অর্থ্যাৎ যোগদানের প্রায় ৪০দিন আগেই সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে মাউসি কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় যা দূরভিসন্ধিমূলক। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিয়োগ, টানা প্রায় ১৪বছর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুরে শিক্ষকতা, প্রশ্নপত্র বিভ্রাট, তদন্ত কমিটি গঠন এবং তা আলোর মুখ না দেখা, ৫ই আগস্ট, ‘২৪ইং পরবর্তীতে বহাল তবিয়তে টিকে থাকা এবং সর্বশেষ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ শওকত আলম মীরের স্বপদে বহাল থাকাবস্থায় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে পদায়নের প্রজ্ঞাপন তার যোগদানের প্রায় ৪০দিন আগে মাউসি কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করাকে কেন্দ্র করে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের জন্য গত ২৮ই এপ্রিল, ‘২৬ তারিখ সম্বলিত প্রাইম ব্যাংক, জামালপুর শাখার ইস্যুকৃত চেক বইয়ে বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদের স্বাক্ষরিত কয়েকটি ফাঁকা পাতা ও তার স্বাক্ষরিত ১০লক্ষ টাকার একটি ঋণ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের কাছে হস্তান্তরের প্রমাণ মেলে। বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ কর্তৃক প্রদানকৃত চেক, ঋণ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করায় উক্ত সিন্ডিকেটের সদস্যরা গত ১৫ই সেপ্টেম্বর, ‘২৬ইং তারিখে জামালপুরে আসেন। ১৫ই সেপ্টেম্বর, ‘২৬ইং তারিখ দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জামালপুরস্থ পিটিআই এর সামনে অবস্থিত মিজান ট্রেডার্সের একটি কক্ষে বর্তমান অধ্যক্ষের সাথে থাকা ব্যক্তিদের ও বিশেষ সিন্ডিকেটের সদস্য- এ উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়; ঐ সময় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুর এর নাম সম্বলিত গাড়িটি তখন মিজান ট্রেডার্সের সামনের রাস্তার পাশেই পার্ক করা ছিল।
অতঃপর জামালপুরের নতুন বাইপাস সংলগ্ন দারুচিনি রেস্টুরেন্টে বিশেষ সিন্ডিকেটের সদস্যদের আপ্যায়ন করিয়ে বিদায় জানান বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ। অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে যোগদানের পর থেকেই চলমান সকল সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে আসছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসর হিসেবে জামালপুর-শেরপুর অঞ্চলের স্বনামধন্য সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে পদায়ন নিতান্তই দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত যা নিয়ে জামালপুরস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এর সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায় সহ সুশীল সমাজে সমালোচনার এবং অত্র অঞ্চলের সকলের মাঝেই চরম ক্ষোভ পরিলক্ষিত হচ্ছে। অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ এর সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে উনাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্থায়ী বাঁধ দেয়ার দাবি কলাপাড়ায় হুমকির মুখে পাখিমারা খাল ঘিরে গড়ে ওঠা ১০ গ্রামের জীবন-অর্থনীতি

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আ‘লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতির মেরুদ- শিক্ষার কারিগর বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যখন রাজনৈতিক প্রভাবের উর্ধ্বে না যেতে পেরে দ্বিচারিতায় ভোগে আর তা যদি হয় “এ” ক্যাটাগরির সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ তখন দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জীর্ণশীর্ণতাই প্রকাশ পায়। জামালপুর-শেরপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সর্বোচ্চ স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর এর বর্তমান অধ্যক্ষ বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ যিনি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ১৯৯৯ সালে আওয়ামীলীগের আমলে। ইতোপূর্বেও তিনি ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক(৮বছর), সহযোগী অধ্যাপক(৫বছর), অধ্যাপক (১বছর) হিসেবে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রায় টানা ১৪বছর শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রী, সাবেক এমপি-কৃষিমন্ত্রী প্রয়াত বেগম মতিয়া চৌধুরীর আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি সরকারি হাজী জাল মামুদ কলেজ, নকলা, শেরপুরের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে প্রায় ০২ বছর ১০ মাস ছিলেন; ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়েও ৫ই আগস্ট ‘২৪ইং পরবর্তী সময়েও তিনি ছিলেন বহাল তবিয়তে। উপরন্তু বর্তমানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুরের অধ্যক্ষ হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু বিধিমালা অনুযায়ী চতুর্থ গ্রেডের অধ্যাপক তৃতীয় গ্রেডের সুযোগ-সুবিধাভোগী অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের বিধান থাকলেও “সি ক্যাটাগরি” কলেজের(সরকারি হাজী জালমামুদ ডিগ্রি কলেজ, নকলা, শেরপুর) অধ্যক্ষ হিসেবে সরাসরি “এ ক্যাটাগরি” কলেজের(সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর) অধ্যক্ষ হওয়ার অদ্যাবধি কোন নজির নেই।
মূলধারার জাতীয় গণমাধ্যম না আসলেও বিভিন্ন সময় পরীক্ষা প্রশ্নপত্র বিভ্রাট বা অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয়ের অসংগতির কারনে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় তার বিরুদ্ধে যা পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারনে আলোর মুখ দেখেনি। সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে গত ২৮ই অক্টোবর, ‘২৫ইং তারিখে যোগদান করা অধ্যাপক মোঃ শওকত আলম মীর গত ২৭ই আগস্ট ‘২৬ইং তারিখে অবসরোত্তর ছুটিতে যান অথচ ২১ই জুলাই, ‘২৬ইং তারিখেই অর্থ্যাৎ যোগদানের প্রায় ৪০দিন আগেই সরকারী আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে মাউসি কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় যা দূরভিসন্ধিমূলক। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিয়োগ, টানা প্রায় ১৪বছর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুরে শিক্ষকতা, প্রশ্নপত্র বিভ্রাট, তদন্ত কমিটি গঠন এবং তা আলোর মুখ না দেখা, ৫ই আগস্ট, ‘২৪ইং পরবর্তীতে বহাল তবিয়তে টিকে থাকা এবং সর্বশেষ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ শওকত আলম মীরের স্বপদে বহাল থাকাবস্থায় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে পদায়নের প্রজ্ঞাপন তার যোগদানের প্রায় ৪০দিন আগে মাউসি কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করাকে কেন্দ্র করে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের জন্য গত ২৮ই এপ্রিল, ‘২৬ তারিখ সম্বলিত প্রাইম ব্যাংক, জামালপুর শাখার ইস্যুকৃত চেক বইয়ে বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদের স্বাক্ষরিত কয়েকটি ফাঁকা পাতা ও তার স্বাক্ষরিত ১০লক্ষ টাকার একটি ঋণ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের কাছে হস্তান্তরের প্রমাণ মেলে। বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ কর্তৃক প্রদানকৃত চেক, ঋণ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করায় উক্ত সিন্ডিকেটের সদস্যরা গত ১৫ই সেপ্টেম্বর, ‘২৬ইং তারিখে জামালপুরে আসেন। ১৫ই সেপ্টেম্বর, ‘২৬ইং তারিখ দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জামালপুরস্থ পিটিআই এর সামনে অবস্থিত মিজান ট্রেডার্সের একটি কক্ষে বর্তমান অধ্যক্ষের সাথে থাকা ব্যক্তিদের ও বিশেষ সিন্ডিকেটের সদস্য- এ উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়; ঐ সময় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুর এর নাম সম্বলিত গাড়িটি তখন মিজান ট্রেডার্সের সামনের রাস্তার পাশেই পার্ক করা ছিল।
অতঃপর জামালপুরের নতুন বাইপাস সংলগ্ন দারুচিনি রেস্টুরেন্টে বিশেষ সিন্ডিকেটের সদস্যদের আপ্যায়ন করিয়ে বিদায় জানান বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ। অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে যোগদানের পর থেকেই চলমান সকল সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে আসছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসর হিসেবে জামালপুর-শেরপুর অঞ্চলের স্বনামধন্য সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদকে পদায়ন নিতান্তই দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত যা নিয়ে জামালপুরস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এর সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায় সহ সুশীল সমাজে সমালোচনার এবং অত্র অঞ্চলের সকলের মাঝেই চরম ক্ষোভ পরিলক্ষিত হচ্ছে। অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বার্সেদ এর সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে উনাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।