রাজনীতি হলো দল দাবা খেলার প্রতিচ্ছবি। সৈনিক থেকে শুরু করে হাতী, ঘোড়া, নৌকা, গজ সহ মন্ত্রীরও দরকার খেলার মাঠে। অর্থাৎ দাবা খেলার কোর্টে স্ব স্ব অবদান অনস্বীকার্য। অপরদিকে নির্বাচনী খেলার মাঠেও দাবা খেলার মত সকলকেই সমীহ করার মনমানসিকতা থাকাটা জরুরী মনে রাখতে হবে। আর সেই সূত্র ধরেই রাজনীতির মাঠে টিকতে হলে সবার আগে দরকার ক্লিন ইমেজ সহ চৌকস চিন্তা ভাবনা। এছাড়াও রাজনৈতিক পরিবারের ঐতিহ্যও থাকতে হবে। আর সেই সূত্র ধরেই আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনী দারুণ এগিয়ে রয়েছে স্থানীয় রাজনীতির মাঠে। বাদ যাচ্ছে না পিরোজপুর জেলা সহ বিভাগ ও কেন্দ্রের রাজনীতিতেও। মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনীর বাবা ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত অধ্যাপক এম এ হাকিম স্যার। পারিবারিক ইতিহাসও অনুকূলে রয়েছে আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে। নিঃসন্দেহে একজন চমৎকার এবং কর্মী বান্ধব নেতা নেছারাবাদ উপজেলার রাজনীতিতে। তাছাড়া তরুণ প্রজন্মের অহংকারও বলা যায় নিঃসন্দেহে। রাজনীতির মাঠে অর্থনৈতিক অবস্থাও একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এখানেও শতভাগ সফলতা রয়েছে। অপরদিকে রাজনীতির মাঠে শিক্ষার একটা বিষয় রয়েছে। আর সেই যোগ্যতার শতভাগ সফলতা রয়েছে। এক কথায় শিক্ষাগত যোগ্যতা বলতে সুশিক্ষিত পরিবারের সুশিক্ষিত সন্তান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে একজন যোগ্য প্রার্থী আল বেরুনী সৈকত। বিগত সময়ের রোজনামচার ভিত্তিতে বর্তমান সময়ের স্বরূপকাঠি উপজেলার রাজনীতির মাঠে একজন অলরাউন্ডার। ব্যাটিং থেকে শুরু করে বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ের ধারাবাহিকতায় চূড়ান্তপর্বে টিকে আছেন। যদিও আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে। কিন্তু গানিতিক হিসাব নিকাশে দারুণ এগিয়ে রয়েছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত। এব্যাপারে নেছারাবাদ উপজেলার বহু শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, নিঃসন্দেহে বর্তমান সময়ে একজন যোগ্য নেতা আল বেরুনী সৈকত। যদিও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ফকরুল আলমও রয়েছে আলোচনায় । যদিও প্রয়াত ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ ভাইয়ের সহধর্মিণীর নামও দুই-চারজন ব’লে যাচ্ছেন। অবশ্য জনমনে নানান প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে। নাম না প্রকাশের শর্তে শীর্ষ বহু নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ কর্মীরা বলেন, প্রয়াত ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ ভাইয়ের সহধর্মিণী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্য নয়। পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এবং ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদের অনুসারীরা আটঘাট বেঁধে নেমেছেন ওয়াহিদুজ্জামানের সহধর্মিণীকে নিয়ে। অপরদিকে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফকরুল আলম যোগ্য কিন্তু কর্মী বান্ধব নেতা নয়। বর্তমান সময়ে সমালোচনা-আলোচনার স্বার্থে আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে শতভাগ যোগ্য বলা যায় আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত কে। এব্যাপারে কথা হয় আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনীর সাথে। একান্ত আলাপ চারিতায় বিভাগ সহ জেলা ও উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। বিগত আওয়ামী লীগের কঠিন দুঃসময়ে হামলা মামলাকে উপেক্ষা করে রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিলাম। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মাঠে কর্মীরাই আমার প্রধান সম্পদ। কর্মীরাই আমার আশা ভালবাসা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, দলীয় প্রতিকে নির্বাচন হবে না। সঠিক তথ্য আর সেই সূত্র ধরেই জোরালো ভূমিকা নিয়ে বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হলেও আমি জোরেশোরে মাঠ পর্যায়ে কর্মীদের নিয়ে কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের গড়া দল বিএনপি। আর সেই দলের কান্ডারী হয়ে গণমানুষের সেবা করার জন্য কর্মীদের সাথে আছি। নেতা কর্মীদের অনুরোধ রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা সকলেই দোয়া করবেন।
সংবাদ শিরোনাম
উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তারুণ্যের প্রতীক আবদুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত!
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৫:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- 99
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ






















