ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট Logo সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী Logo মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার Logo বিএনপি সব সময় ইসলামের পথে থাকে-আমান উল্লাহ আমান Logo জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo তারাকান্দায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা Logo চিফ হুইপের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করলো সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি Logo উত্তরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ Logo কালীগঞ্জে দারিদ্র্যতা হার মানাতে পারেনি রুকাইয়াকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েও উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা

রৌমারীতে ভিটেমাটি ফিরে পেতে চায় উচ্ছেদ হওয়া রাস্তায় দিনাতিপাত পরিবার

বিচারের রায়ে ক্রয়কৃত জমিতে থাকা ১৮ বছরের নির্মিত বসতবাড়ি এক নিমিশেই উচ্ছেদ। ভুক্তভোগী বসতবাড়ির ধংশাবশেষ বেরী বাঁধে ফেলা হয়েছে। ধংশাবশেষ তা পাহাড়া দিচ্ছে ভুক্তভোগী। আমরা গরীব অসহায় মানুষ, ক্রয়সূত্রে মাথা গোঁজার একটু ঠাই ছিল, সেটুকুও প্রভাবশালী আব্দুর রহমান গং কোর্টের একপক্ষ রায় নিয়ে উচ্ছেদ করেছে। অন্য কোথাও আমার এক ইঞ্চি জায়গা নেই। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। মানবেতর এ জীবনের শেষ কোথায়, কান্না ভেজা কণ্ঠে কথা গুলো বলছিলেন, ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এক হতদরিদ্র পরিবার। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের (শালুর মোড়) ছোট কাউনিয়ারচর এলাকার মৃতু সমশের আলীর ছেলে হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীকে। বৈধ দলিলে ক্রয়কৃত জমিতে ১৮ বছর ধরে বসবাসরত পরিবারকে ঘর ছাড়া করা হয়। মামলা, স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তফশিল বর্ণিত জমি কাউনিয়ার চর মৌজার এস.এ দাগ নং ২৫১০ জমি দাগে পৈত্রিক সম্পত্তির মালিক হিসেবে জলিল মাস্টারের পুত্র মুকুল ও কন্যা লাইজুগণ একত্রে ২০১২ সালে ৮৫২ নং রেজিঃ কবলা দলিল মূলে ৪.৫০ শতাংশ জমি সাহেব আলীর নিকট বিক্রি করেন। উক্তরূপে সাহেব আলী ২টি দলিল মূলে ৩.৩৩+ ৪.৫০ = ৭.৮৩ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৮ বছর ধরে ঘরবাড়ি নির্মান করে বসবাস করিয়া আসিতেছেন সাহেব আলী। এক নিমিশেই উচ্ছেদ করা হয়েছে এ হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীকে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী মিন্টু মিয়া, সজিনা খাতুন, কমলা খাতুনসহ অনেকেই জানান, স্থানীয়ভাবে মুকুল মিয়া ও লাইজুগনের নিকট থেকে দীর্ঘ ২০ বছর আগে এ জমিটি ক্রয়ের পর বসতবাড়ি করে বসবাস করছে। হঠাৎ করে দেখি আব্দুর রহমান ও জাহাঙ্গীর গং কোর্টের রায় নিয়ে একদিনে তাদের বাড়ি উচ্ছেদ করে দিয়েছে। এতে পরিবারটি অন্য কোথাও জায়গা না থাকায় রাস্তায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভুক্তভোগী সাহেব আলী জানান, আমি মুকুল ও লাইজুগনের কাছ থেকে একত্রে ২টি দলিলে ২০১২ সালে ৮৫২ নং রেজিঃ কবলা দলিল মূলে ৭.৮৩ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৮ বছর যাবত ঘরবাড়ি নির্মান করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছি। হঠাৎ, বাড়িটি উচ্ছেদ করে দিয়ে আমাকে মানবেত জীবন যাপনের মধ্যে ফেলেছে। আমি রাস্তায় বসবাস করছি। আমার কোথাও এক ইঞ্চি যায়গা নেই। বাড়িটি উচ্ছেদ করে আমার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মিজানুর রহমান বলেন, আমি এর আগে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করেছি। হঠাৎ আজ হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীর বাড়িটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে হতদরিদ্র পরিবারটি রাস্তায় বসবাস করে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিষয়টি উর্দ্ধোতন মহলের নিকট সাহেব আলীর মানবেতর জীবন থেকে রক্ষা পেতে, সমাধানের জন্য আবেদন জানাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট

রৌমারীতে ভিটেমাটি ফিরে পেতে চায় উচ্ছেদ হওয়া রাস্তায় দিনাতিপাত পরিবার

আপডেট সময় ০৮:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বিচারের রায়ে ক্রয়কৃত জমিতে থাকা ১৮ বছরের নির্মিত বসতবাড়ি এক নিমিশেই উচ্ছেদ। ভুক্তভোগী বসতবাড়ির ধংশাবশেষ বেরী বাঁধে ফেলা হয়েছে। ধংশাবশেষ তা পাহাড়া দিচ্ছে ভুক্তভোগী। আমরা গরীব অসহায় মানুষ, ক্রয়সূত্রে মাথা গোঁজার একটু ঠাই ছিল, সেটুকুও প্রভাবশালী আব্দুর রহমান গং কোর্টের একপক্ষ রায় নিয়ে উচ্ছেদ করেছে। অন্য কোথাও আমার এক ইঞ্চি জায়গা নেই। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। মানবেতর এ জীবনের শেষ কোথায়, কান্না ভেজা কণ্ঠে কথা গুলো বলছিলেন, ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া এক হতদরিদ্র পরিবার। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের (শালুর মোড়) ছোট কাউনিয়ারচর এলাকার মৃতু সমশের আলীর ছেলে হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীকে। বৈধ দলিলে ক্রয়কৃত জমিতে ১৮ বছর ধরে বসবাসরত পরিবারকে ঘর ছাড়া করা হয়। মামলা, স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তফশিল বর্ণিত জমি কাউনিয়ার চর মৌজার এস.এ দাগ নং ২৫১০ জমি দাগে পৈত্রিক সম্পত্তির মালিক হিসেবে জলিল মাস্টারের পুত্র মুকুল ও কন্যা লাইজুগণ একত্রে ২০১২ সালে ৮৫২ নং রেজিঃ কবলা দলিল মূলে ৪.৫০ শতাংশ জমি সাহেব আলীর নিকট বিক্রি করেন। উক্তরূপে সাহেব আলী ২টি দলিল মূলে ৩.৩৩+ ৪.৫০ = ৭.৮৩ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৮ বছর ধরে ঘরবাড়ি নির্মান করে বসবাস করিয়া আসিতেছেন সাহেব আলী। এক নিমিশেই উচ্ছেদ করা হয়েছে এ হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীকে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী মিন্টু মিয়া, সজিনা খাতুন, কমলা খাতুনসহ অনেকেই জানান, স্থানীয়ভাবে মুকুল মিয়া ও লাইজুগনের নিকট থেকে দীর্ঘ ২০ বছর আগে এ জমিটি ক্রয়ের পর বসতবাড়ি করে বসবাস করছে। হঠাৎ করে দেখি আব্দুর রহমান ও জাহাঙ্গীর গং কোর্টের রায় নিয়ে একদিনে তাদের বাড়ি উচ্ছেদ করে দিয়েছে। এতে পরিবারটি অন্য কোথাও জায়গা না থাকায় রাস্তায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভুক্তভোগী সাহেব আলী জানান, আমি মুকুল ও লাইজুগনের কাছ থেকে একত্রে ২টি দলিলে ২০১২ সালে ৮৫২ নং রেজিঃ কবলা দলিল মূলে ৭.৮৩ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ১৮ বছর যাবত ঘরবাড়ি নির্মান করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছি। হঠাৎ, বাড়িটি উচ্ছেদ করে দিয়ে আমাকে মানবেত জীবন যাপনের মধ্যে ফেলেছে। আমি রাস্তায় বসবাস করছি। আমার কোথাও এক ইঞ্চি যায়গা নেই। বাড়িটি উচ্ছেদ করে আমার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মিজানুর রহমান বলেন, আমি এর আগে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করেছি। হঠাৎ আজ হতদরিদ্র পরিবার সাহেব আলীর বাড়িটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে হতদরিদ্র পরিবারটি রাস্তায় বসবাস করে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিষয়টি উর্দ্ধোতন মহলের নিকট সাহেব আলীর মানবেতর জীবন থেকে রক্ষা পেতে, সমাধানের জন্য আবেদন জানাই।