বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

বোয়ালমারীর নাইম ১৪শ পিস ইয়াবাসহ আটক

হাসান মাহমুদ মিলু বোয়ালমারী (ফরিদপুর) :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার কলারন গ্রামের নজরুল কাজীর ছেলে নাইম কাজী মাদক ব্যবসা করে এখন কোটিপতি। বাড়িতে দ্বিতল ভবন নির্মাণাধীন। তিনি নিজেকে ঢাকা জজ কোর্টের এক ‘জিআরও-র সহকারী’ বলে এলাকায় পরিচয় দিতেন। সম্প্রতি ১৪শ পিস ইয়াবাসহ ঢাকায় আটক হওয়ার পর এলাকায় এ নিয়ে গুঞ্জন চলছে। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের (দক্ষিণ) সূত্রাপুর সার্কেলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাজু আহাম্মেদ চৌধুরী বাদি হয়ে ঢাকার সূত্রাপুর থানায় সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। জানা যায়, ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কলারন গ্রামের নজরুল কাজীর ছেলে নাইম কাজী নিজেকে ঢাকা জজ কোর্টের জনৈক জিআরও-র সহকারী বলে পরিচয় দিতেন। প্রকৃতপক্ষে মাদক ব্যবসাই ছিল তার আয়ের প্রধান উৎস। স্থানীয়রা জানান, গ্রামে দুই ইউনিটের একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণাধীন। নাইম কাজীর ষাটোর্ধ বয়সী বাবা একজন নামেমাত্র ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসায়ী। আগে মালামাল ফেরি করে বিক্রি করতেন। নাইমের আরেক ভাই উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে চাকরি খুঁজছে। তবে নাইম কাজীর বাবা নজরুল কাজী জানান, তার ছেলে নাইম ঢাকা জজ কোর্টের জনৈক জিআরও-র সহকারী হিসেবে কাজ করেন। সম্প্রতি দায়েরকৃত একটি মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্রাপুর সার্কেল অভিযান চালায় ঢাকার সূত্রাপুরের কারকুন বাড়ি লেনের মো. নাইমের ভাড়া বাসায়। এ সময় নাইমের পরিহিত প্যান্টের পকেটে ১৪শ পিস ইয়াবা পাওয়ায় নাইমকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১০(গ) ধারায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাজু আহাম্মেদ চৌধুরী বাদি হয়ে সূত্রাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। এই মামলার পরেই এলাকার লোকেরা নাইমের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। স্থানীয়রা বলছেন, নাইম ঢাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে নিজ গ্রামে লোকের মাধ্যমে তা বিক্রি করতেন। এজন্য গ্রামের উঠতি বয়সী তরুণ-যুবকেরা সহজেই ইয়াবার মতো ভয়াবহ মাদক হাত বাড়ালেই পেতো। গ্রামের বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে এখন ইয়াবা পাওয়া যায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের (দক্ষিণ) সূত্রাপুর সার্কেলের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাজু আহাম্মেদ চৌধুরী বলেন, সোর্সের মাধ্যমে জানতে পেরে নাইমকে ১৪শ পিস ইয়াবাসহ আটক করি। এ ঘটনায় আরো দুইজনকে আটক করা হয়েছে। সূত্রাপুর থানায় নাইমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com