শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে বাংলাদেশের মানুষকে প্রমাণ করে দিতে চাই গণতন্ত্র কি-আবদুল কাদের মির্জা প্রাণেরভয়ে পালিয়ে বেড়ানো রিটনের কলাবাগান কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদের এসোসিয়েশনের ঢাকা বিভাগের সভাপতি হওয়ায় আমিরুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা দিল গজারিয়াবাসী অবশেষে চাচা-ভাতিজার লড়াই নওগাঁর সাপাহারে বরই চাষ করে কৃষকের ভাগ্যে উন্নয়নে নতুন চমক পেশা নয় নেশায়-মধু চাষে স্বাবলম্বী শিক্ষক দম্পতি জামালপুরে বিট পুলিশিং সচেতনতায় পথসভা মুজিববর্ষে শিবগঞ্জে ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে করোনাকালে জবিতে শতাধিক নতুন উদ্যোক্তার সৃষ্টি তেলে আগুন, স্বস্তি আলুতে




যে ওষুধে ‘করোনায় সুস্থের হার বাড়ছে’ বাংলাদেশে

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০




ইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহারে করোনা মুক্তির হার বেড়েছে কয়েক গুণ। রাজধানীর কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে দেড় হাজার আক্রান্ত রোগীর ওপর এই ওষুধ ব্যবহার করে এমন দাবি করছেন চিকিৎসকরা।

তবে বিশেষজ্ঞরা এর ব্যবহারকে স্বাগত জানালেও গুরুত্ব দিচ্ছেন গবেষণায়। স্বাস্থ্য বিভাগও বলছে, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন তারা।

করোনায় ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পুলিশ। সংখ্যাটা দুই হাজারের বেশি। প্রথমদিকে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে গত চার-পাঁচদিনে সেই সংখ্যা প্রতিদিন প্রায় এক’শ।

হাসাপাতালের চিকিৎসকদের দাবি, ইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহারের ফলেই বাড়ছে সেরে ওঠা রোগীর সংখ্যা।

রোগী শনাক্তের প্রথম দিনেই দেয়া হচ্ছে দুটি ইভারমেকটিন আর ডক্সিসাইক্লিন দেয়া হচ্ছে সাত দিনে সাতটি। তাতেই মিলছে সুফল।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক পুলিশ সুপার মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি কয়েকদিন ধরে রোগী সেরে উঠছে প্রতিদিন প্রায় ১০০ করে। দুটি ইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন ১০০ মিলিগ্রাম এই ওষুধে সুফল মিলছে।’

এমন জরুরি সময়ে এসব ওষুধ ব্যবহারে নিষেধ নেই বিশেষজ্ঞদের। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিস্তর গবেষণার তাগিদ তাদের।

বাংলাদেশ ফার্মাকোলজিক্যাল সোসাইটি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘এ ওষুধ দিয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে এ ধরনের প্রচারণা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। তাই গবেষণা করা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা প্রয়োজন।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলছেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে কাজ করছেন তারা।

প্রায় দেড়মাস বেশ কয়েকজন রোগীর ওপর গবেষণা শেষে দেশে এই ওষুধ দুটি ব্যবহারের সুফল তুলে ধরেন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম। সূত্র: সময়টিভি।

এমআর/প্রিন্স




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com