সর্বত্র নিরাপত্তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভাব। রাস্তা-ঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, গণপরিবহন এমনকি নিজ বাড়িতেও রয়েছে নিরাপত্তার অভাব। যেখানে সেখানে ধর্ষণ তো নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেয়েকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েও
পেশায় আইনজীবী। আইনজীবীরা যখন যার পক্ষে থাকেন তখন তার পক্ষেই নির্বিচারে যুক্তিতর্ক করেন। নির্বিচার তর্কে কখনো লাউকে বেল আবার কখনো বেলকে লাউ বলতেও দেখা যায়। এ নিয়ে পরের কথা ছাড়াও
নাটাই যার তার হাতেই ফিরতে হয় ঘুড়িকে। শুরু যেখানে শেষ হওয়ার রেওয়াজ বা রীতি নিয়ে সেখানে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। মানুষ এ দুনিয়ায় আসে যেভাবে একা আবার ফেরেও সেভাবে একা।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে বাংলায় যে ‘আধুনিকতা’ প্রবেশ করে, তা ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্ত শ্রেণির চিন্তাজগতে একটা ঘোরতর আলোড়ন তোলে। প্রেম-ভালোবাসার অনুভূতি যেহেতু জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ, তাই
পিএইচডি বা ডক্টরেট ডিগ্রি একজন গবেষকের জীবনে অনেক বেশি সম্মান বা গৌরবের বিষয়। নিজেকে দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তোলা বা নিজের হাতে গবেষণা পরিচালনা করার সক্ষমতা অর্জন করতে হলে পিএইচডি
পানিতে ডুবে দীর্ঘ হচ্ছে শিশুমৃত্যুর মিছিল! স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হচ্ছে আকাশ-বাতাস। সরকারি-বেসরকারি সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগ না থাকায় থামানো যাচ্ছে না এ নীরব মহামারি। জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি শিশু পানিতে