বিশ্ববাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে পড়েছে স্বর্ণ। ফেব্রুয়ারিজুড়ে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ দরপতনের পর চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেও স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এমন টানা দরপতনের মধ্যে পড়ায় ৯ মাসের
চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড় দিলেও তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের ছাড়ের পর চালের দাম তো কমেইনি, উল্টো বেড়েছে। অস্বাভাবিক দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে প্রথমে চাল আমদানির
রমজান মাসে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে স্থানীয় উৎস থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২৯২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার
ঘাটতি নেই তবু বেড়েই চলছে চালের দাম। কেজিতে ২-৩ টাকা করে বাড়তে বাড়তে এখন মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গতবছরের এই সময়ে দাম ছিল ৩৫-৩৮ টাকা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
চালের দাম আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে নাজিরশাইল ও মিনিকেট দুই ধরনের চিকন চালের দামই বেড়েছে। যে চালের দাম ছিল ৬৪ টাকা কেজি, আজ সেই চাল ৬৬ টাকা
ভোজ্যতেলের বাজারের সৃষ্ট অস্থিরতা কাটেনি। সরকার দর ঠিক করে দিলেও সেই দরে সয়াবিন তেল বা পামসুপার তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ অস্বাভাবিক দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে ভোক্তাদের স্বার্থে খুচরা, পাইকারি ও