ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

হাম-রুবেলা মুক্ত আগামীর প্রত্যয়: কয়রায় সমন্বয় সভার মধ্য দিয়ে ‘মহা-লড়াই’ এর প্রস্তুতি

উপকূলীয় জনপদ কয়রায় শিশুদের সুরক্ষায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘জরুরি হাম-রুবেলা (UNICEF) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’। এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউনিসেফ (WHO), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (Gavi) এবং গ্যাভি (এধার)-এর সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশব্যাপী চলমান এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে কয়রাতেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সভায় বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা কেবল সাধারণ চর্মরোগ নয়, এটি শিশুর পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ২০২৬ সালের এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (অথবা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সী) সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও লবনাক্ত এলাকার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও ডাঃ কাঞ্চন সানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন তপন কুমার কর্মকার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। ডাঃ সুজিত কুমার বৈদ্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার। এস আই আঃ কাদের, আমাদি ক্যাম্প ইনচার্জ। বক্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন: যারা নিয়মিত টিকাদান থেকে কোনো কারণে বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। টিকার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা যে কোনো দ্বিধা দূর করতে স্থানীয় ইমাম, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হবে। উপকূলীয় এই অঞ্চলে টিকার গুণগত মান রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আইস প্যাক নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, এবারের ক্যাম্পেইনে গ্যাভি (এধার) টিকার অর্থায়ন ও সরবরাহ নিশ্চিত করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কারিগরি মান তদারকি করছে এবং ইউনিসেফ (UNICEF) মাঠ পর্যায়ে প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছে। সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মা’ থেকে দেওয়া বার্তায় বলা হয়, “আপনার সন্তানকে টিকা দিন, সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।” ক্যাম্পেইন চলাকালীন নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য সকল অভিভাবকের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য: হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

হাম-রুবেলা মুক্ত আগামীর প্রত্যয়: কয়রায় সমন্বয় সভার মধ্য দিয়ে ‘মহা-লড়াই’ এর প্রস্তুতি

আপডেট সময় ০৩:০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

উপকূলীয় জনপদ কয়রায় শিশুদের সুরক্ষায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘জরুরি হাম-রুবেলা (UNICEF) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’। এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউনিসেফ (WHO), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (Gavi) এবং গ্যাভি (এধার)-এর সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশব্যাপী চলমান এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে কয়রাতেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সভায় বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা কেবল সাধারণ চর্মরোগ নয়, এটি শিশুর পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ২০২৬ সালের এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (অথবা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সী) সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও লবনাক্ত এলাকার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও ডাঃ কাঞ্চন সানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন তপন কুমার কর্মকার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। ডাঃ সুজিত কুমার বৈদ্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার। এস আই আঃ কাদের, আমাদি ক্যাম্প ইনচার্জ। বক্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন: যারা নিয়মিত টিকাদান থেকে কোনো কারণে বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। টিকার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা যে কোনো দ্বিধা দূর করতে স্থানীয় ইমাম, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হবে। উপকূলীয় এই অঞ্চলে টিকার গুণগত মান রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আইস প্যাক নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, এবারের ক্যাম্পেইনে গ্যাভি (এধার) টিকার অর্থায়ন ও সরবরাহ নিশ্চিত করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কারিগরি মান তদারকি করছে এবং ইউনিসেফ (UNICEF) মাঠ পর্যায়ে প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছে। সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মা’ থেকে দেওয়া বার্তায় বলা হয়, “আপনার সন্তানকে টিকা দিন, সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।” ক্যাম্পেইন চলাকালীন নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য সকল অভিভাবকের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য: হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা।