বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
চৌদ্দগ্রামে গভীর রাতে পিকআপ বোঝাই গরু ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক ৩ কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনার ৮ দিন পর না ফেরার দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক শেখ আব্দুল আলীম প্রামানিক সভাপতি ও কমল কান্ত রায় সাধারণ সম্পাদক গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন কয়রায় সৌদির রাজকীয় উপহার: ৬৪ এতিমখানায় পৌঁছালো বাদশাহর পাঠানো খেজুর সুনামগঞ্জে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির মোরেলগঞ্জে ব্র্যান্ড নকল করে নি¤œমানের সেমাইয়ে সয়লাব বাজার মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশুরা ঘরমুখী ও কর্মজীবী যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘেœ নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর- নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী মেলান্দহে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী এম,রশিদুজ্জামান মিল্লাত গোপালগঞ্জে এক সিনিয়র সাংবাদিককে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির লেখক সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম

দৈনিক খবরপত্র অনলাইন
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
সাংবাদিক ও লেখক মুহাম্মদ নূরে আলম

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির লেখক সম্মাননা পেলেন বহু গ্রন্থপ্রণেতা সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম । তার লেখা ৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বইটি জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন,‘ আলহামদুলিল্লাহ।  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সম্মাননা প্রদান কমিটির সদস্যদের অনেক ধন্যবাদ।’  জুলাইযোদ্ধা সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম ৩৬ জুলাই আন্দোলনের সময় মাঠে থেকে রিপোটিং এর অভিজ্ঞতার আলোকে এক গ্রন্থটি লিখেছেন। যা ৩৬ জুলাই আন্দোলনের একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি দৈনিক সংগ্রামের নিজস্ব প্রতিবেদক।

তার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ একটি লেখা গত ১৭ আগস্ট জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে। লেখাটি দৈনিক খবরপত্রের পাঠকের জন্য পত্রস্থ করা হলো: ‘

সাংবাদিক পরিচয় জেনেও পুলিশ মেরেছে
সড়কে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে জ্বলছে টায়ার। কাঠ গুঁড়ির আগুনে ধোঁয়ায় ছেয়ে আছে চারদিক। পুলিশ তখনো নির্বিচার ছুড়ে যাচ্ছে গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল। কে সাধারণ মানুষ আর কে সংবাদকর্মী, তা আলাদা করার যেন সময় নেই কারও। আমি ভয়ে রাস্তার একপাশ ঘেঁষে দ্রুত হাঁটছিলাম। তখন হঠাৎ একটি কাঁদানে গ্যাসের শেল এসে লাগে আমার বাঁ হাতে। সঙ্গে সঙ্গে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়, চোখ জ্বলে ওঠে ধোঁয়ায়। কিছুই দেখতে পারছিলাম না, যেন নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল।

তখন চিৎকার করে বললাম—‘আমি সাংবাদিক!’ কিন্তু কে শোনে কার কথা! গলার আওয়াজ যেন বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছিল। উপায় না দেখে রাস্তার পাশের ফুটপাতে বসে পড়লাম। একটু পর দেখতে পেলাম পাশের ‘লাভ রোড’ থেকে কয়েকজন পুলিশ এগিয়ে আসছে। একজন আমাকে জোর গলায় ডাকলেন। কাছে যেতেই বললেন, ‘কী হয়েছে? পরিচয় দিলাম, প্রেসের আইডি কার্ড দেখালাম; বুঝলেন আমি সাংবাদিক। এ সময় তিনি বললেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে ছোট মানুষ ঘরে থাকলে ভালো হতো, কী দরকার এত রাতে ঘর থেকে বের হওয়ার?’ তার ব্যবহার শালীন ছিল।

আমি একবার পেছন ফিরে হাঁটা শুরু করলাম। তখনই ঘটল ভয়ানক এক ঘটনা। পেছন থেকে আরেক পুলিশ কর্মকর্তা আমার কোমরে প্রচণ্ড লাথি মারলেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি রাস্তায় পড়ে গেলাম। তিনি চিৎকার করে বলতে থাকলেন, ‘তোরাই শান্ত পরিবেশটা ঘোলাটে করেছিস!’ এরপর শুরু হলো লাঠি দিয়ে নির্দয়ভাবে পিটুনি। বুকে, রানে, পায়ে—যেখানে পেয়েছে, সেখানেই আঘাত করেছে, পিটিয়েছে। ব্যথা আর যন্ত্রণায় আমি ছটফট করছিলাম।

পাশের সেই সদয় পুলিশ কর্মকর্তা আবারও ছুটে এলেন। বললেন, ‘চলে যান, এখান থেকে দ্রুত চলে যান।’ বিনা অপরাধে পুলিশের মার খেলাম। এর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ, প্রতিবাদ—কিছুই করতে পারিনি। তখন পেশাগত সম্মান বাঁচাতে চুপচাপ উঠে দাঁড়ালাম। ব্যথা চেপে, পা খুঁড়িয়ে একরাশ অপমান নিয়ে বাসায় ফিরলাম!

 




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com