বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
গোলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র মাঠ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আহত ১৫ আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে হারিকেন টুঙ্গিপাড়ায় ডিজেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে জরিমানা, বাজার মনিটরিং জোরদার চৌদ্দগ্রামে তালাকপ্রাপ্ত মহিলার ঘরে প্রবেশ নিয়ে তুলকালাম, ভিডিও ভাইরাল খুলনা নগরী আজ অশান্ত স্বনির্ভর দেশ গড়তে হলে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নাই-আমান উল্লাহ আমান সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা মমিনুল হক সলঙ্গায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ: প্রায় ৮ লক্ষ টাকা মাছ নিধন

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক নিয়ে ব্রিফ করেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এদিন বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান তিনি।
রিজওয়ানা হাসান জানান, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পুলিশ কমিশন গঠন করার অধ্যাদেশটা পাস করা হয়েছে। এই কমিশনের প্রধান থাকবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করেছেন— এমন গ্রেড ওয়ানের নিচে না এরকম কোনও সরকারি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক গ্রেড ওয়ানের নিচে নয়, এমন কোন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তিনি কর্মরত হতে পারেন অবসরপ্রাপ্ত হতে পারেন, মানবাধিকার এবং সুশাসন বিষয়ে কাজ করেছে অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এমন ব্যক্তি এই কমিশনের সদস্য হবে। এই পুলিশ কমিশন গঠনের আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে পুলিশকে জনবান্ধব, জনমুখী করা। এই কমিশন সরকারের সঙ্গে মিলে কাজ করবে। পুলিশ যেন প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, সেই ব্যাপারে কী কী করণীয় এই বিষয়ে এই কমিশন সরকারকে সুপারিশ প্রদান করবে। পুলিশ যাতে মানবাধিকার সংবেদনশীল হয়, সে বিষয়ে পুলিশের আধুনিকায়ন কোথায় কোথায় দরকার, কী ধরনের প্রশিক্ষণ দরকার— এগুলো তারা চিহ্নিত করবে।

তিনি জানান, এই কমিশনের আরও দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে— এক. নাগরিকদের যে অভিযোগগুলো থাকবে পুলিশের ব্যাপারে, সেগুলোর তদন্ত নিষ্পত্তি করা। দুই. পেশাগত বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের যদি কোনও অভিযোগ থাকে, সেগুলোর নিষ্পত্তি করা। এই হচ্ছে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের মূল ফিচার। এখানে পুলিশ এই কমিশনের যে কাজগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে , পুলিশ কার্যক্রমে দক্ষতা ও উৎকর্ষ আনয়ন, শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা, নাগরিকের অভিযোগ অনুসন্ধান ও নিষ্পত্তি, পুলিশ সদস্যদের সংকট নিরশন, পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কল্যাণমূলক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন সরকারকে সুপারিশ দেওয়া। আর পুলিশ সংক্রান্ত যেসব আইন গবেষণা করতে হবে সেগুলোর বিষয়েও সরকারকে সুপারিশ প্রদান করা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com