তাইরান এবং বাংলাদেশ সাহিত্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে লিটারারি সিম্পোজিয়ামের একাংশ

তাইরান এবং বাংলাদেশ সাহিত্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে লিটারারি সিম্পোজিয়ামের একাংশ
তাইরান এবং বাংলাদেশ সাহিত্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে লিটারারি সিম্পোজিয়াম ‘ চব্বিশের সাংস্কৃতিক লড়াই’— শীর্ষক ভাবনায় বক্তারা বলেছেন, সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জিততে দক্ষতা ও যোগ্যতার বিকল্প নেই। গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্নারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মডারেটর প্রফেসর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের পরিচালনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন গল্পকার ও রাষ্ট্রচিন্তক মুজতাহিদ ফারুকী। নির্ধারিত বিষয়ের উপর কী-নোট থেকে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রচিন্তক মানযুরুল হক এবং শর্ট ফ্লিম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হুসনে মোবারক। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাসাসের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জনাব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে মতামত ব্যক্ত করেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক জনাব এমদাদুল হক চৌধুরী, লেখক ও সাংবাদিক হারুন ইবনে শাহাদাত, বাংলাদেশ সাহিত্যকেন্দ্রের সভাপতি কবি আফসার নিজাম, কবি ফরিদ ভূইয়া, কবি মুর্শিদ উল আলম, ছড়াকার ফরিদ সাঈদ, কথাশিল্পী সালেহ মাহমুদ, শিক্ষাবিদ শাব্বির আহমেদ, ছড়াকার মামুন সরোয়ার, লেখক সীমান্ত আকরাম।
প্রশ্নপর্বে কবি জাফর পাঠান, লেখক খন্দকার জিল্লুর রহমান, তরুণ চলচ্চিত্রকার আজিজ হাকিম, কবি সাইফ সাদী, আবৃত্তি শিল্পী কামাল মীনা মডারেটরের মাধ্যমে কী-নোট আলোচকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। সভায় উপস্থিত সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তাসনীম মাহমুদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নাট্যকার নূর হোসেন রানা, কবি আহমেদ মঈন, কবি খায়ের নাঈমুদ্দীন, কবি কামাল হোসেন, কবি ওমর ফারুক, আল আমীন, কথাশিল্পী রাসেল রবি, কবি জুবায়ের বিন ইয়াসিরসহ বিবিধ মত ও পথের লেখক ও কবিরা।