ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী মিজানের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

ছলচাতুরীতে পাকাপোক্ত খেলোয়াড় নিঃসন্দেহে গাজী মিজান। গুয়ারেখা ইউনিয়নের উপনির্বাচনে কাগজে কলমে থাকা চেয়ারম্যান গাজী মিজান। নিজ গ্রাম সহ সমগ্র ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের সাথে এক ধরনের কঠিন প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান মিজান গাজীর কাজেকর্মে। গোমর তথ্য ফাঁস করে দেয় মিজান গাজীর বিশ্বস্ত লোকজন সহ স্থানীয় ভোটাররা। নাম না প্রকাশের শর্তে অনেকে বলেন, গাজী মিজান ঠান্ডা মাথায় একজন ভিলেনও বলা যায় নিঃসন্দেহে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মিষ্টি হাসির মধ্যে লুকিয়ে আছে নোংরা রাজনীতি। বিগত সময়ে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ একজন বিতর্কিত চেয়ারম্যান, উন্নয়ন না করার খলনায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরকে ভোটের মাঠে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আটঘাট বেঁধে নুতন চমক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব সিকদারকে চেয়ারম্যানকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে হাসির বন্যা বইতে শুরু হয়েছিল। উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে বিগত সময়ে। অথচ সৃষ্টি কর্তার খেলা বুঝা মুসকিল নইলে মেয়াদ হওয়ার পূর্বে জননন্দিত চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুন্দর ধরনীর বুক থেকে বিদায় নিয়েছেন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রার মুখ থুবড়ে পড়েছে মুহুর্তের মধ্যে। জননন্দিত প্রয়াত চেয়ারম্যান মোঃ রব শিকদারের মৃত্যুতে পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য হয়ে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব সিকদারের আকর্ষিক মৃত্যুতে লাভবান হয়েছে গাজী মিজান। আর সেই সূত্র ধরেই কূটকৌশলী গাজী মিজান ঠান্ডা মাথায় বিএনপির ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ভোটের মাঠে অতি উৎসাহী হয় ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে। অতি উৎসাহী এবং দরদী বিএনপি হয়ে উঠেন গুয়ারেখা ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতির মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে। কিন্তু বাস্তবে বিএনপির রাজনীতির মাঠে বিগত সময় থেকে বর্তমান সময়ে বিএনপির ধারে কাছেও ছিল না। বরং উপনির্বাচনে চিটিংবাজী করে আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে ইউনিয়ন পরিষদে গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন না করার খল নায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরের সাথে আঁতাত ও ইনডিয়ান হারবালে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে গাজী মিজান। সেই সময়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই আওয়ামী লীগের পেতাত্তা নির্ভর হয়ে হীন স্বার্থের জন্য কোটালিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার যিয়ারতে যায় চেয়ারম্যান মিজান গাজী।বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে মীর জাফরকে হার মানিয়েছেন গাজী মিজান। কূটকৌশলী গাজী মিজান আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে কিন্তু বিএনপির কাছে হোটচ খায় নোংরা মনমানসিকতার কারণে। এব্যাপারে কথা হয় বর্তমান সময়ের বিএনপির স্থানীয় বেশকিছু শীর্ষ নেতাদের সাথে। একান্ত আলাপ চারিতায় গুয়ারেখা ইউনিয়ন বিএনপির বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান মিজান গাজী না বিএনপি না আওয়ামী লীগ। তবে শতভাগ খাঁটি কথা মিজান গাজী এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সরাসরি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিলো। মোটা অংকের বিনিয়োগও করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জন্য। সুকৌশলে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচন করেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে। নাম না প্রকাশের শর্তে এগারো গ্রাম সহ ব্যাসকাঠী গ্রামের বহু লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, মিজান গাজী হীন স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পছন্দ করেন। এলাকার ছেলেদের চাকুরী দেওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতেই হীন স্বার্থের গন্ধ রয়েছে। নইলে উপনির্বাচনে মোটা অংকের বিনিয়োগ উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের কব্জায় নিয়েছেন। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত সাবেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন না করার খল নায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরের মত লোককে অর্থ দিয়ে কাবু করে ফেলেন নৌকা প্রগতিকের সর্বনাশ করার জন্য। প্রচলিত আছে নেছারাবাদ উপজেলার মধ্যে ভারতের ‘র’ এর লোক সাবেক গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবু শুভ্রত ঠাকুর। হীন স্বার্থের জন্য এ চক্রের সদস্যরা সবকিছু করতে সক্ষম। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিজান গাজী আওয়ামী লীগের লেবাস ধরে পাকাপোক্ত অভিনয় করেছেন। অথচ উপনির্বাচনের চেয়ারম্যান মিজান গাজীর কাজেকর্মে শুরু থেকে বর্তমান সময়ের সবকিছুতেই ধাপ্পাবাজি। পাটিকেলবাড়ী সহ সমগ্র ইউনিয়নের বিএনপির নেতা কর্মীরা পুরোটাই বুঝতে সক্ষম হয়েছে মিজান গাজীর মুখোশ কতটা ভয়ংকর। এব্যাপারে পাটিকেলবাড়ী সহ বিশাল, রাজবাড়ী, ছৈলাবুনিয়া, দেবুদাসকাঠী, চেলাবুনিয়া, ব্যাসকাঠী, গুয়ারেখা, রোঙ্গাকাঠী, বাটনাতলা, রুদ্রপুর, চাদকাঠী, বরতকাঠীর বেশির ভাগ নেতাকর্মী সহ সাধারণ ভোটাররা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, নিঃসন্দেহে মিজান গাজী একজন ধাপ্পাবাজ। নইলে উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই কয়দিন পরিষদের দায়িত্ব পালন করেছেন। সরেজমিনে যাওয়া সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন সাধারণ মানুষের? পাশাপাশি আরও বলেন, চেয়ারম্যান জীবিত কিন্তু দায়িত্ব পালন করেন তার আপন ভাই। যদিও চেয়ারম্যানের ভাই মেম্বারও বটে! মুখ খুলতে নারাজ তারপরও প্রতিবাদী কন্ঠের বহু ভোটাররা বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে মিজান গাজীর বড়ি আছে – পার্স নেই চেয়ারম্যান মোদের গাজী মিজান ভাই। এদিকে গুয়ারেখা ইউনিয়নের বেশীরভাগ মহিলা প্রতিনিধি সহ পুরুষ জনপ্রতিনিধিরা দারুণ নাখোশ। ঠান্ডা মাথায় সাহস করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, উপ-নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই মিজান গাজীর ইমেজ সংকট চরমে। গার্মেন্টস কর্মীদের কাছে সন্মানিত হতে পারেন কিন্তু গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে চরম নিন্দিত ও বিতর্কিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় উপনির্বাচনে জয়ী হওয়া চেয়ারম্যান মোঃ গাজী মিজান ভাইয়ের সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের। সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে একটু থমকে যায়। আলাপ চারিতায় বহু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। নিয়মিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন না করা সহ উন্নয়ন মূলক কাজের মান নিয়ে নানান প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি। এছাড়াও স্বজন প্রীতি নিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজকর্মে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। সাধারণ মানুষের জন্য সময় ব্যায় না করারও অভিযোগ উঠেছে। অথচ কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী মিজানের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:২০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ছলচাতুরীতে পাকাপোক্ত খেলোয়াড় নিঃসন্দেহে গাজী মিজান। গুয়ারেখা ইউনিয়নের উপনির্বাচনে কাগজে কলমে থাকা চেয়ারম্যান গাজী মিজান। নিজ গ্রাম সহ সমগ্র ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের সাথে এক ধরনের কঠিন প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান মিজান গাজীর কাজেকর্মে। গোমর তথ্য ফাঁস করে দেয় মিজান গাজীর বিশ্বস্ত লোকজন সহ স্থানীয় ভোটাররা। নাম না প্রকাশের শর্তে অনেকে বলেন, গাজী মিজান ঠান্ডা মাথায় একজন ভিলেনও বলা যায় নিঃসন্দেহে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মিষ্টি হাসির মধ্যে লুকিয়ে আছে নোংরা রাজনীতি। বিগত সময়ে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ একজন বিতর্কিত চেয়ারম্যান, উন্নয়ন না করার খলনায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরকে ভোটের মাঠে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আটঘাট বেঁধে নুতন চমক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব সিকদারকে চেয়ারম্যানকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে হাসির বন্যা বইতে শুরু হয়েছিল। উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে বিগত সময়ে। অথচ সৃষ্টি কর্তার খেলা বুঝা মুসকিল নইলে মেয়াদ হওয়ার পূর্বে জননন্দিত চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুন্দর ধরনীর বুক থেকে বিদায় নিয়েছেন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রার মুখ থুবড়ে পড়েছে মুহুর্তের মধ্যে। জননন্দিত প্রয়াত চেয়ারম্যান মোঃ রব শিকদারের মৃত্যুতে পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য হয়ে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব সিকদারের আকর্ষিক মৃত্যুতে লাভবান হয়েছে গাজী মিজান। আর সেই সূত্র ধরেই কূটকৌশলী গাজী মিজান ঠান্ডা মাথায় বিএনপির ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ভোটের মাঠে অতি উৎসাহী হয় ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে। অতি উৎসাহী এবং দরদী বিএনপি হয়ে উঠেন গুয়ারেখা ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতির মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে। কিন্তু বাস্তবে বিএনপির রাজনীতির মাঠে বিগত সময় থেকে বর্তমান সময়ে বিএনপির ধারে কাছেও ছিল না। বরং উপনির্বাচনে চিটিংবাজী করে আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে ইউনিয়ন পরিষদে গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন না করার খল নায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরের সাথে আঁতাত ও ইনডিয়ান হারবালে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে গাজী মিজান। সেই সময়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই আওয়ামী লীগের পেতাত্তা নির্ভর হয়ে হীন স্বার্থের জন্য কোটালিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার যিয়ারতে যায় চেয়ারম্যান মিজান গাজী।বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে মীর জাফরকে হার মানিয়েছেন গাজী মিজান। কূটকৌশলী গাজী মিজান আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে কিন্তু বিএনপির কাছে হোটচ খায় নোংরা মনমানসিকতার কারণে। এব্যাপারে কথা হয় বর্তমান সময়ের বিএনপির স্থানীয় বেশকিছু শীর্ষ নেতাদের সাথে। একান্ত আলাপ চারিতায় গুয়ারেখা ইউনিয়ন বিএনপির বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান মিজান গাজী না বিএনপি না আওয়ামী লীগ। তবে শতভাগ খাঁটি কথা মিজান গাজী এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সরাসরি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিলো। মোটা অংকের বিনিয়োগও করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জন্য। সুকৌশলে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচন করেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে। নাম না প্রকাশের শর্তে এগারো গ্রাম সহ ব্যাসকাঠী গ্রামের বহু লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, মিজান গাজী হীন স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পছন্দ করেন। এলাকার ছেলেদের চাকুরী দেওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতেই হীন স্বার্থের গন্ধ রয়েছে। নইলে উপনির্বাচনে মোটা অংকের বিনিয়োগ উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের কব্জায় নিয়েছেন। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত সাবেক চেয়ারম্যান উন্নয়ন না করার খল নায়ক বাবু শুভ্রত ঠাকুরের মত লোককে অর্থ দিয়ে কাবু করে ফেলেন নৌকা প্রগতিকের সর্বনাশ করার জন্য। প্রচলিত আছে নেছারাবাদ উপজেলার মধ্যে ভারতের ‘র’ এর লোক সাবেক গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবু শুভ্রত ঠাকুর। হীন স্বার্থের জন্য এ চক্রের সদস্যরা সবকিছু করতে সক্ষম। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিজান গাজী আওয়ামী লীগের লেবাস ধরে পাকাপোক্ত অভিনয় করেছেন। অথচ উপনির্বাচনের চেয়ারম্যান মিজান গাজীর কাজেকর্মে শুরু থেকে বর্তমান সময়ের সবকিছুতেই ধাপ্পাবাজি। পাটিকেলবাড়ী সহ সমগ্র ইউনিয়নের বিএনপির নেতা কর্মীরা পুরোটাই বুঝতে সক্ষম হয়েছে মিজান গাজীর মুখোশ কতটা ভয়ংকর। এব্যাপারে পাটিকেলবাড়ী সহ বিশাল, রাজবাড়ী, ছৈলাবুনিয়া, দেবুদাসকাঠী, চেলাবুনিয়া, ব্যাসকাঠী, গুয়ারেখা, রোঙ্গাকাঠী, বাটনাতলা, রুদ্রপুর, চাদকাঠী, বরতকাঠীর বেশির ভাগ নেতাকর্মী সহ সাধারণ ভোটাররা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, নিঃসন্দেহে মিজান গাজী একজন ধাপ্পাবাজ। নইলে উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই কয়দিন পরিষদের দায়িত্ব পালন করেছেন। সরেজমিনে যাওয়া সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন সাধারণ মানুষের? পাশাপাশি আরও বলেন, চেয়ারম্যান জীবিত কিন্তু দায়িত্ব পালন করেন তার আপন ভাই। যদিও চেয়ারম্যানের ভাই মেম্বারও বটে! মুখ খুলতে নারাজ তারপরও প্রতিবাদী কন্ঠের বহু ভোটাররা বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে মিজান গাজীর বড়ি আছে – পার্স নেই চেয়ারম্যান মোদের গাজী মিজান ভাই। এদিকে গুয়ারেখা ইউনিয়নের বেশীরভাগ মহিলা প্রতিনিধি সহ পুরুষ জনপ্রতিনিধিরা দারুণ নাখোশ। ঠান্ডা মাথায় সাহস করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, উপ-নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর পরই মিজান গাজীর ইমেজ সংকট চরমে। গার্মেন্টস কর্মীদের কাছে সন্মানিত হতে পারেন কিন্তু গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে চরম নিন্দিত ও বিতর্কিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় উপনির্বাচনে জয়ী হওয়া চেয়ারম্যান মোঃ গাজী মিজান ভাইয়ের সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের। সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে একটু থমকে যায়। আলাপ চারিতায় বহু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। নিয়মিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন না করা সহ উন্নয়ন মূলক কাজের মান নিয়ে নানান প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি। এছাড়াও স্বজন প্রীতি নিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজকর্মে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। সাধারণ মানুষের জন্য সময় ব্যায় না করারও অভিযোগ উঠেছে। অথচ কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।