ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল

ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি। অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন। অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল

আপডেট সময় ০১:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি। অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন। অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।