ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

তীব্র গরমে গঙ্গাচড়ায় স্বস্তি রসালো তালের শাঁস

রংপুরের গঙ্গাচড়ার হাট-বাজার ও গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে জমে উঠেছে গ্রীষ্মের জনপ্রিয় ফল কচি তালের শাঁসের বিক্রি। তীব্র তাপদাহে শরীর ঠা-া রাখতে ও সাময়িক স্বস্তি পেতে সববয়সী মানুষের কাছে বেড়েছে এর কদর। মৌসুমী এ ফল বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। উপজেলা বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কচি তাল বিক্রি করতে দেখা যায় মৌসুমী বিক্রেতাদের। গরমে স্বস্তি পেতে ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। গঙ্গাচড়া মধ্যপাড়া গ্রামের তাল ফল বিক্রেতা সুরুজ মিয়া জানান, রংপুর শহরের মহিগঞ্জ সাতমাথা এলাকা থেকে পাইকারীতে কচি তাল কিনে এনে বিক্রি করেন তিনি। প্রতিটি কচি তাল ১০ টাকা করে বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের মধ্যেও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কচি তাল কিনতে আসা গঙ্গাচড়া কুঠিপাড়া গ্রামের আবু জোহান রুবেল মিয়া বলেন, প্রতিটি কচি তাল তৈরি করে দিচ্ছেন বিক্রেতা বিনিময়ে নিচ্ছেন ১০ টাকা। গৃহিণী মেরিনা বেগম বলেন, তালের শাঁস খুব সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর। বাচ্চারাও খুব পছন্দ করে। তাই প্রায়ই কিনে বাড়িতে নিয়ে যাই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাসার বলেন, তালের শাঁসে প্রচুর পানি, খনিজ লবণ ও খাদ্য আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের পানি শুন্যতা দূর করতে হজমে সহায়তা করতে এবং গরমে শরীর ঠা-া রাখতে উপকারী। তবে স্থানীয়দের মতে এক সময় গ্রামাঞ্চলে প্রচুর তাল গাছ থাকলেও এখন তা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। সচেতন মহল বলছেন, বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তালগাছ সংরক্ষণে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

তীব্র গরমে গঙ্গাচড়ায় স্বস্তি রসালো তালের শাঁস

আপডেট সময় ০১:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়ার হাট-বাজার ও গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পিছনে জমে উঠেছে গ্রীষ্মের জনপ্রিয় ফল কচি তালের শাঁসের বিক্রি। তীব্র তাপদাহে শরীর ঠা-া রাখতে ও সাময়িক স্বস্তি পেতে সববয়সী মানুষের কাছে বেড়েছে এর কদর। মৌসুমী এ ফল বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। উপজেলা বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কচি তাল বিক্রি করতে দেখা যায় মৌসুমী বিক্রেতাদের। গরমে স্বস্তি পেতে ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। গঙ্গাচড়া মধ্যপাড়া গ্রামের তাল ফল বিক্রেতা সুরুজ মিয়া জানান, রংপুর শহরের মহিগঞ্জ সাতমাথা এলাকা থেকে পাইকারীতে কচি তাল কিনে এনে বিক্রি করেন তিনি। প্রতিটি কচি তাল ১০ টাকা করে বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের মধ্যেও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কচি তাল কিনতে আসা গঙ্গাচড়া কুঠিপাড়া গ্রামের আবু জোহান রুবেল মিয়া বলেন, প্রতিটি কচি তাল তৈরি করে দিচ্ছেন বিক্রেতা বিনিময়ে নিচ্ছেন ১০ টাকা। গৃহিণী মেরিনা বেগম বলেন, তালের শাঁস খুব সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর। বাচ্চারাও খুব পছন্দ করে। তাই প্রায়ই কিনে বাড়িতে নিয়ে যাই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাসার বলেন, তালের শাঁসে প্রচুর পানি, খনিজ লবণ ও খাদ্য আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের পানি শুন্যতা দূর করতে হজমে সহায়তা করতে এবং গরমে শরীর ঠা-া রাখতে উপকারী। তবে স্থানীয়দের মতে এক সময় গ্রামাঞ্চলে প্রচুর তাল গাছ থাকলেও এখন তা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। সচেতন মহল বলছেন, বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তালগাছ সংরক্ষণে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।