শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : রাষ্ট্রপতি রাসূল (সা.)-এর সীরাত থেকে শিক্ষা নিয়ে দৃঢ় শপথবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে—ড. রেজাউল করিম চৌদ্দগ্রামে বাস খাদে পড়ে নিহত ৫, আহত ১৫ চাহিদার চেয়ে ২৩ লাখ কোরবানির পশু বেশি আছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী রাজনীতিবিদেরা অর্থনীতিবিদদের হুকুমের আজ্ঞাবহ হিসেবে দেখতে চান: ফরাসউদ্দিন নতজানু বলেই জনগণের স্বার্থে যে স্ট্যান্ড নেয়া দরকার সেটিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার মালয়েশিয়ার হুমকি : হামাস নেতাদের সাথে আনোয়ারের ছবি ফেরাল ফেসবুক হামাসের অভিযানে ১২ ইসরাইলি সেনা নিহত আটকে গেলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থ ছাড় গাজানীতির প্রতিবাদে বাইডেন প্রশাসনের ইহুদি কর্মকর্তার লিলির পদত্যাগ

কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা

সোবাহান সৈকত (সদরপুর) ফরিদপুর
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

যে দিকে দুচোখ যায়, শুধু সবুজ বাদাম খেতের হাতছানি। চরাঞ্চল জুড়েই বিস্তির্ন এলাকায় বাদাম চাষ হচ্ছে। ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরাঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাদাম চাষ। বিস্তীর্ণ পদ্মার চরজুড়ে সবুজ পাতায় দোল খাচ্ছে বাদামের গাছ। অল্প বিনিয়োগে লাভ বেশি হওয়ায় বাদাম চাষে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। তবে সারাদেশে চলমান প্রচন্ড তাপদাহ ও খরায় ফলন কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা চাষিদের। চরাঞ্চলে চাষ হওয়া অন্যান্য ফসলের তুলনায় বাদাম চাষে লাভ বেশি ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে বাদাম চাষে। উপজেলার দিয়ারা নারকেলবাড়িযা, চর নাসিরপুর, চর মানাইর, আকোটের চর ও ঢেউখালী এলাকায় বাদামের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মণ পর্যন্ত বাদাম উৎপাদন হয়। প্রতি মণ বাদাম সাড়ে ৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজারদরে বিক্রি হয়। চর নাসিরপুর ইউনিয়নের চেরাক আলী হাজীর কান্দী গ্রামের কৃষক হাসান বেপারী জানান, আগে আমি সরিষা, তিলের চাষ করতাম, বাদাম চাষ লাভ জনক হওয়ায় এবছর আমি ৭ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে তবে খরার কারণে কিছুটা অসুবিধা হলেও লাভবান হবো। অপর কৃষক একই ইউনিয়নের কাঁড়াল কান্দী গ্রামের আ: ছামাদ হাওলাদার বলেন, বাদাম চাষ করতে খরচ কম লাভ বেশি। তাই চর অঞ্চলের কৃষকেরা বাদামের চাষ বেশি করছে। এবার আমি ৩ বিঘা জমিতে বাদামের আবাদ করেছি। সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতা পেলে সামনে আরও বেশি করে আবাদ করব। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের বাদাম চাষের উদ্বুদ্ধ করা সহ সার্বিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়বে সবার। এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায় জানান, এ বছর উপজেলায় ৩ হাজার ২৮২ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হয়েছে। যা গেল বছরের তুলনায় ১৩০ হেক্টর বেশি।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com