সারা দেশে চলছে চাঁদাবাজ আতংক। চাঁদাবাজদের হাত থেকে বাদ পড়েনি গাজীপুর সিটির ৩৬ নং ওয়ার্ড। সারা ক্ষণ আতংকে থাকে এই এলাকার সাধারন মানুষ। প্রাণের ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে নারাজ। তার কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, খুঁজ নিয়ে জানা যায় ইমন ইসলাম মনির নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩৬ নং ওয়ার্ডের নেতা আত্মগোপনে থেকে সব নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। মনির অস্ত্র মামলায় জামিনে বের হয়ে বিদেশে আত্মগোপনে আছে। এখন তার ভাই আবদুস সালাম এখন চাঁদাবাজি, মাদকের ব্যবসা, জুয়ার আসর ও কিশোর গ্যাং সবই তার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা গেছে। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলেই তুলে নিয়ে চালা নির্যাতন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু এলাকার লোকজন জানায় এমন কোন অপকর্ম নাই যে সে করে না,কিন্তু আমরা অসহায় কিছুই বলতে পারি না। কিছু বলতে গেলেই তার বাহিনী ধরে নিয়ে যাবে, আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নাই।
আব্দুস সালাম প্রকাশ্যে বলে বেড়ায় রাজনৈতিক দলের নেতারা ও প্রশাসন সবই তার কথা মতো চলে। এতে স্থানীয় নেতরা বিব্রত। কিন্তু অসহায়। কারণ প্রতিবাদ করলে
খুন করার হুমকি দেয়।
সূত্রে প্রকাশ,৩৬ নং ওয়ার্ড এর পলাশুনা গ্রামের বাবুর বাড়ি, গিলারটেক ও এফ,এম,সি ইঁটের ভাটার সংলগ্ন তুরাগ নদীর তীরে চলে সালামের বিরাট বড় জুয়ার আসর। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়া খেলা এ যেন আব্দুস সালামমের নিজের রাজ্য আর সে হল রাজা।
জুয়ারীদের নিরাপত্তার জন্য আছে তার বিশেষ বাহিনী,আছে ইঞ্জিন চালিত নৌকা। এলাকার কৃষকেরা এখন নদীর কাছে যেতে ভয়। গত ১৫ জুলাই দুপুর বেলা অনুমান প্রায় ৩ ঘটিকার সময় নদী পার ওপারে যাবার জন্য গিয়েছিলেন। ৩৬ নং ওয়ার্ড গাজীপুর সিটি পলাশুনা গ্রামের হাজী মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বয়স (৬৫) তাতেই ঘটে বিপত্তি, আব্দুস সালাম নিজেই সেখানে হাজির কেন, ওই এলাকায় গেল উদ্দেশ্যে কি এটা তার নিরাপত্তা এলাকা, যেন হাজী আব্দুল জব্বার সাহেব অনেক বড় অপরাধ করেছেন। আব্দুস সালাম হাজী জব্বার সাহেবের নিকট (২০০০০০/-) দুই লক্ষ চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে তুলে নিয়ে গিয়ে মেরে তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দিবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ঘটনার দুইজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান বাপ-দাদার ভিটা ছেড়ে যেতেও পরছি না সহ্য করতেও পারছি না। এই এলাকা এমন ছিল না এলাকায় শান্তি ছিল আর এখন আমাদের স্বাধীনতা নাই। এমতাবস্থায় হাজী আব্দুল জব্বার ও এলাকাবাসি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কাছে দৈনিক খবরপত্রের এ সংবাদদাতার মাধ্যমে প্রতিকার চেয়েছেন। পাশাপাশি গাজীপুর সিটির পুলিশ কমিশনার ও গাছা থানার পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন। অভিযুক্ত আবদুস সালামকে এ প্রতিবেদক একাধিকার বার মোবাইলে কল করলেও সে রিসিভ করেনি।