মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

গুগল আপনার ব্যক্তিগত ছবি চুরি করছে না তো!

আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে আগের চেয়ে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এক ক্লিকেই মিলছে অজানা তথ্য, ম্যাপে চোখ রাখলেই গন্তব্যের পথ, আবার ফোনেই অর্ডার হয়ে যাচ্ছে পছন্দের খাবার। বিশেষ করে করোনা পরবর্তী সময়ে তরুণ প্রজন্মের বড় অংশই দিনের অনেকটা সময় কাটাচ্ছে ডিজিটাল দুনিয়ায়।
পরিসংখ্যান বলছে, আট থেকে আশি প্রায় সব বয়সের মানুষই প্রতিদিন কোনো না কোনো কাজে গুগলের ওপর নির্ভরশীল। জি-মেইল হোক বা গুগল অ্যাপ, ইউটিউব কিংবা প্লে স্টোর ব্যবহার হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালেই নিঃশব্দে জমা হচ্ছে ব্যক্তিগত নানা তথ্য। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারী বুঝতেই পারেন না, ঠিক কোন কোন তথ্য গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে।
কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করে গুগল?
আপনার স্মার্টফোনে লোকেশন চালু থাকলে, আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কতক্ষণ থাকছেন এসব তথ্য গুগলের কাছে পৌঁছতে পারে। পাশাপাশি, সার্চ ইঞ্জিন বা ইউটিউবে আপনি কী খুঁজছেন, কোন ধরনের ভিডিও দেখছেন, তার সম্পূর্ণ ইতিহাসও সংরক্ষিত থাকে।
এছাড়াও যারা ভয়েস সার্চ ব্যবহার করেন, তাদের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে গুগল বুঝে নিতে পারে আপনি কোন ধরনের অ্যাপ বা পরিষেবায় বেশি আগ্রহী। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর ডিজিটাল আচরণের একটি পূর্ণ চিত্র তৈরি হয় ধীরে ধীরে। তবে এখন আপনি নিজেই দেখে নিতে পারবেন, গুগলের কাছে আপনার ঠিক কোন কোন তথ্য সেভ রয়েছে।
কীভাবে দেখবেন গুগলের কাছে কী কী তথ্য আছে? এজন্য-
১. প্রথমে স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে যান
২. সেখানে গুগলে ট্যাপ করে ম্যানেজ ইওর গুগল অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করুন
৩. এরপর ডাটা অ্যান্ড প্রাইভেসি সেকশনে প্রবেশ করুন
এখানে আপনি দেখতে পাবেন কোন কোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহারের তথ্য সংরক্ষিত আছে। লোকেশন হিস্ট্রি অন আছে কি না, সেটিও এখানেই জানা যাবে। আরও বিস্তারিত জানতে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আলাদা করে ক্লিক করুন
অনেক সময় অ্যাপ বা লোকেশন ব্যবহারের সময় একাধিক ব্যক্তিগত তথ্যের অনুমতি দিতে হয়। গুগল ঠিক কোন তথ্যগুলো ধরে রাখছে, তা নিজে যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন?
১. প্রয়োজন না হলে স্মার্টফোনের লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখুন
২. অটো ডিলিট অপশন চালু করুন- ৩, ১৮ বা ৩৬ মাস পর পুরোনো ডাটা নিজে থেকেই মুছে যাবে
৩. অ্যাড পার্সোনালাইজেশন বন্ধ করলে সার্চ ও আগ্রহভিত্তিক ট্র্যাকিং অনেকটাই কমে যাবে
৪. নিয়মিত ব্যবহার না করলে ভয়েস কমান্ড বা ভয়েস সার্চ অপশন অফ রাখুন
তবে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। সচেতন থাকলেই ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজেকে অনেকটাই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। সচেতন থাকলে প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি নিজের তথ্যের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন নিজের হাতেই।
সূত্র: পিসি ম্যাক




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com