মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
পি কে হালদারকে হস্তান্তরে সময় লাগতে পারে : দোরাইস্বামী ২১ ডেঙ্গু রোগী ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হজে যেতে পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির দুই নেতা সম্রাটের জামিন বাতিলের বিষয়ে আদেশ আজ আর্থিক অনুমোদনের ক্ষমতা কমলো পরিকল্পনামন্ত্রীর হানিমুনেই আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল জনি ডেপ: অ্যাম্বার ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণ: বড় বাস ২৪০০, মাঝারি ট্রাক ২৮০০, কার/জিপে লাগবে ৭৫০ টাকা কবিতার ইতিহাসে কাজী নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ এক অনন্য সাধারণ রচনা : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

কোলেস্টেরল বেড়েছে কি না বুঝে নিন পা দেখেই

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই রোগে রক্ত প্রবাহে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল দেখা যায়। এই বাড়তি কোলেস্টেরল রক্ত প্রবাহের স্বাভাবিক চলাচলে বাঁধা দেয়। উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে হৃদযন্ত্র বিকল হয়েও যেতে পারে। এ সমস্যাটি হাইপার কোলেস্টেরোলেমিয়া লিপিড ডিসঅর্ডার বা হাইপার লিপিডেমিয়া নামেও পরিচিত। লাইপো প্রোটিনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে পড়ে কোলেস্টেরল। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে হরমোন নিয়ন্ত্রণ ও নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে কোলেস্টেরল। শরীরে প্রোটিনের অভাব ও ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা কোলেস্টেরলের সঙ্গে মিশে ‘লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন’ বা এলডিএল হয়ে যায়। তখনই কোলেস্টেরল শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। খাদ্যতালিকায় যদি অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হয় ও শরীরচর্চা করা না হয়, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
উচ্চ কোলেস্টেরলের সাধারণ উপসর্গগুলো কী কী?
কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে শরীরে এর বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- বমি বমি ভাব, শরীর অসাড় হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ইত্যাদি। কোলেস্টেরলের মাত্রা যতক্ষণ অতিরিক্ত বেড়ে না যায় ততক্ষণ শরীরে কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। এ কারণেই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রার উপর নজর রাখা প্রয়োজন।
অনেকেই হয়তো জানেন না যে, কোলেস্টেরল খুব বেড়ে গেলে পায়ের টেন্ডন লিগামেন্টে প্রভাব পড়ে। ফলে পায়ের ধমনিগুলো সরু হয়ে গেলে পায়ের নীচের অংশ অনেকটা অক্সিজেনসহ রক্ত পৌঁছাতে পারে না। ফলে পা ভারি হয়ে পড়ে ও পা ফেলতে কষ্ট ও ক্লান্ত বোধ হয়। পায়ের অসম্ভব যন্ত্রণা হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। উরু বা হাঁটুর নীচে পেছনের দিকে ব্যথা হতে পারে। হাঁটার সময় এ ধরনের ব্যথা আরও বাড়ে। অল্প দূরত্ব হাঁটলেও এই ব্যথা হতে পারে। এসব লক্ষণ দেখলেই সাবধান হওয়া জরুরি। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com