বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
সিলেটে আবার বাড়ছে পানি জামালপুরে শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা জগন্নাথপুরে অসহায় মানুষের সেবায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন ওসি মিজান দুর্গাপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীকে প্রেসক্লাব সম্মাননা সাভারে শিক্ষক হত্যা ও নির্যতনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ রুয়েটে রোবটিক্স ফেয়ার “রোবোট্রনিক ২.০” শুরু গলাচিপায় ব্র্যাক সংস্থা সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা বিষয়ে পল্লী সমাজ গঠন নগরকান্দায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সুমিনুর রহমানকে সংবর্ধনা জামালপুরে হিজড়াদের উন্নয়নে কমিউনিটি পর্যায়ে অভিভাবক সভা বরিশাল পোর্টরোড মোকামে নিষেধাজ্ঞা সত্বেও ট্রাকে ট্রাকে আসছে ইলিশ

চা রপ্তানিতে পুরোনো গৌরব ফেরাতে মানোন্নয়নের উদ্যোগ

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জুন, ২০২২

সারা বিশ্বেই চা অত্যন্ত জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে সুপরিচিত। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দিন দিন বাংলাদেশেও চায়ের কদর বাড়ছে। দেশের অভ্যন্তরেও এখন চায়ের বড় বাজার। এর সঙ্গে রয়েছে রপ্তানি চাহিদা। সবমিলিয়ে দেশে বর্তমানে চা শিল্প টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে দেশে ১৬৭টি বৃহৎ চা বাগান এবং আট হাজারেরও বেশি ছোট আকারের চা বাগান রয়েছে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৯৬ দশমিক ৫১ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। তবে চায়ের উৎপাদন বাড়লেও রপ্তানিতে দিন দিন ভাটা পড়ছে। এর কারণ হিসেবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধিকেই দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে রপ্তানি বাড়াতে চায়ের মান বাড়ানোর ওপরও তাগিদ দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, ২০২৫ সাল নাগাদ চা রপ্তানিতে সুখবর পেতে পারে বাংলাদেশ।
চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে দেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল পাঁচ কোটি ৩১ লাখ কেজি। সে বছর রপ্তানি করা হয় এক কোটি ২৯ লাখ কেজি। এরপর ২০০৪ সাল পর্যন্ত উৎপাদনকৃত চা থেকে দেশের চাহিদা মিটিয়েও রপ্তানির পরিমাণ ছিল আশানুরূপ। তবে ২০২১ সালে দেশে চা উৎপাদন ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি হলেও রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৬৮ হাজার কেজি। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশে চায়ের উৎপাদন বাড়লেও রপ্তানি কমছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত দুই দশকে দেশে চায়ের ব্যবহার কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘরে ঘরে চা পান বাড়ার কারণে দেশের অভ্যন্তরেও চাহিদা বেড়েছে। ফলে চায়ের উৎপাদন বাড়লেও সেভাবে রপ্তানি করা যাচ্ছে না। ২০২৫ সালের মধ্যে ১৪০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ওই সময়ে (২০২৫ সালে) চায়ের সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ চাহিদা হবে ১২৯ মিলিয়ন কেজি। ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ১১ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করা সম্ভব হবে। একসময় চা বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবং বর্তমান সরকারের নানামুখী কার্যকরী পদক্ষেপের ফলে চা শিল্প আজ টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে দেশে ১৬৭টি বৃহৎ চা বাগান এবং আট হাজারের অধিক ছোট আকারের চা বাগান রয়েছে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৯৬ দশমিক ৫১ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। ২০২১ সালে শুধু উত্তরাঞ্চলের সমতলের চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১৪ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে।
চা রপ্তানি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশে চা উৎপাদনের বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে আমাদের দেশে চায়ের ব্যবহার কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ঘরে ঘরে চায়ের ব্যবহার বাড়ছে, উৎপাদন বাড়লেও সেভাবে আমরা রপ্তানি করতে পারছি না। কারণ আমাদের দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, চায়ের ব্যবহার বেড়েছে। এ অবস্থায় চা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চায়ের নতুন ও উন্নত জাত উদ্ভাবনে গবেষণা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কৃষকদের চা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এতোদিন শুধু দেশের পাহাড়ি অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও সিলেটে চা উৎপাদন হতো। তবে এখন দেশের উত্তরাঞ্চল পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও লালমনিহাটের সমতল ভূমিতেও চা উৎপাদন হচ্ছে। এতে অন্য ফসল চাষে অনুপযোগী জমিতে চা উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। ফলে দেশে চা শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চা উৎপাদনের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে বিপুল পরিমাণ চা রপ্তানি করতে পারবো।
২০২৫ সাল নাগাদ চা রপ্তানিতে সুখবরের আশা: দেশে চায়ের চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে কমছে। এক কোটি ২৯ লাখ কেজি দিয়ে শুরু করা রপ্তানিকৃত চা এখন কমে ৬০ হাজার কেজি হয়েছে। ২০২০ সালে দেশীয় রপ্তানিকারকরা ২১ লাখ ৭০ হাজার কেজি চা রপ্তানি করে আয় করেন প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। ২০২১ সালে সেই আয় ১৮ কোটিতে নেমে এসেছে। তবে ২০২৫ সাল নাগাদ চা রপ্তানিতে সুখবর মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। চা-বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট শাখার সভাপতি জি এম শিবলি জাগো নিউজকে বলেন, স্বাধীনতার পর আমাদের চায়ের উৎপাদন ছিল ৩০ মিলিয়ন কেজি। সেসময় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ছিল ৫ মিলিয়ন কেজি। তখন আমরা ২৫ মিলিয়ন চা রপ্তানি করতাম। তবে কয়েক বছর ধরে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়েছে ৯৫ মিলিয়ন, উৎপাদনও প্রায় একই। ফলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির তেমন সুযোগ নেই। চা অনেকটা আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। অনেক সময় আবহাওয়ার কারণে চা পাতা আসার সময় পিছিয়ে যায়। বৃষ্টিও দরকার, আবার রোদও দরকার। সবকিছু সমন্বয় না হলেও সমস্যা হয়। আমরা উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছি। আমাদের উৎপাদন আরও বাড়বে। আশা করছি ভবিষ্যতে আবার আগের মতো চা রপ্তানি করতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, আগে শুধু সিলেট, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লার কিছু অংশে চা হতো। এখন উত্তরবঙ্গে প্রচুর চা হচ্ছে। বিশেষ করে তেঁতুলিয়ায়। আমাদের মোট উৎপাদনের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ সেখানেই হচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে আমাদের উৎপাদন আরও বাড়বে। আশা করছি তখন থেকে আমরা রপ্তানি বাড়াতে পারবো। এখনও অল্প কিছু রপ্তানি হচ্ছে। ফিনলে গ্রিন টি আমরা পাকিস্তানে রপ্তানি করি। আবুল খায়ের, ইস্পাহানি- তারা বাইরে পাঠায় অনেক সময়, তবে সেটা অল্প।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, প্রথম কথা হলো আগে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাইরে রপ্তানি করবো। আমাদের নিজস্ব লোককে আগে চা দিতে চাই, তারপর বাইরের দেশ। চা এমন একটি শিল্প, ইট টেক সাম টাইম (এটা কিছুটা সময় নেয়)। আজ যদি পরিকল্পনা করা হয় চায়ের চারাগাছ লাগানোর, সেটা তিন-চার বছর পর পাতা দেওয়া শুরু করবে।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৫ সালে ১৪০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হবে বলে আশা করছি। তখন আমরা ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করতে পারবো। বৈশ্বিক মার্কেট ধরতে গেলে চায়ের কোয়ালিটি বাড়াতে হবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। অবশ্যই চায়ের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনবো, সেটি ফিরে আসতে বাধ্য। আমরা দেখছি চা উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে গেছে, এখন কোয়ালিটি ভালো হবে। আমাদের ব্র্যান্ডিং, প্যাকেজিংও উন্নত হয়েছে। আমাদের প্যাকিং শ্রীলঙ্কা এবং চীনের মতো হয়েছে।
যেভাবে বাংলাদেশে চায়ের যাত্রা শুরু: ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশের বর্তমান ভূখ-ের মধ্যে চট্টগ্রামেই প্রথম চা চাষের সূচনা হয়। ১৮৪০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে (বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকা) চা চাষ শুরু হয়। ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের তৎকালীন কালেক্টর স্কোনস আসাম থেকে চায়ের বীজ এবং কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে চায়না চারা সংগ্রহ করেন। তিনি এসব চারা ও বীজ পাইওনিয়ার বাগানে রোপণ করেন এবং চা বাগান গড়ে তোলেন। স্কোনস ১৮৪০ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত কালেক্টর হিসেবে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় উপমহাদেশের বর্তমান বাংলাদেশ অংশে প্রথম চা চাষের শুরু এ বাগান দিয়েই। ১৮৪০ সালে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রথম চা আবাদের শুরু হলেও এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনিছড়া চা বাগানে। পরে ধীরে ধীরে চা এ অঞ্চলের অন্যতম শিল্প হিসেবে বিকশিত হতে থাকে।
দেশে চা বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৫১ সালে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন থেকে ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ের নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করেন। বঙ্গবন্ধু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত টি রিসার্চ স্টেশনে ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরি স্থাপনের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি টি অ্যাক্ট-১৯৫০ সংশোধনের মাধ্যমে চা বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড (সিপিএফ) চালু করেন।
বঙ্গবন্ধুর সরকার ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার পর যুদ্ধোত্তর মালিকানাবিহীন/ পরিত্যক্ত চা বাগান পুনর্বাসনে ‘বাংলাদেশ টি ইন্ডাস্ট্রিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিটিআইএমসি)’ গঠন করেন। তিনি চা কারখানার যন্ত্রপাতি আমদানি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও উৎপাদনকারীদের নগদ ভর্তুকি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ যেমন- বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা এবং রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিটিআরআই) উন্নীত করেন। চা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পরে দেশ স্বাধীনের পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে বঙ্গবন্ধু চা শিল্পের উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন।
দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপিত হলো জাতীয় চা দিবস: ‘চা দিবসের সংকল্প, সমৃদ্ধ চা শিল্প’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের উদ্যোগে গতকাল (৪ জুন) দ্বিতীয়বারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস’ উদযাপন করা হলো। দেশের চা শিল্পের জন্য দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে চা শিল্পে তার অসামান্য অবদান ও চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তার যোগদানের তারিখ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার এ দিবস ঘোষণা করে। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চা শিল্পের ভূমিকা বিবেচনায় ২০২০ সালের ২০ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়।
এবছর দ্বিতীয়বারের মতো বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে ‘জাতীয় চা দিবস’। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চা দিবসের মূল অন্ষ্ঠুানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। জাতীয় চা দিবস-২০২২ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী চা মেলা চলবে। চা মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য দিনব্যাপী চা মেলা উন্মুক্ত। এছাড়া বঙ্গবন্ধু প্যাভেলিয়ন এবং শ্রীমঙ্গলস্থ টি মিউজিয়ামে সংরক্ষিত চা শিল্পের দুর্লভ উপকরণ প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকছে। ঢাকার পাশাপাশি দেশের চা উৎপাদনকারী অঞ্চল চট্টগ্রাম, সিলেট, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটে দিবসটি উপলক্ষে বণার্ঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ বিটিআরআই এবং উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট জেলায় চা দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান, র‌্যালিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসন প্রাঙ্গণে চা মেলা আয়োজন করা হবে।-জাগোনিউজ১৪.কম




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com