চারপাশে মানুষ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুদের অভাব নেই, সারাক্ষণই কারো না কারো সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। তবু দিন শেষে অনেক তরুণ অনুভব করছেন একাকিত্ব। পড়াশোনার চাপ, প্রতিযোগিতামূলক জীবন, ডিজিটাল যোগাযোগের ওপর নির্ভরতা এবং গভীর সম্পর্কের অভাব তাদের একাকিত্ব বাড়িয়ে তুলছে দিনকে দিন।
বিশ্বজুড়েই তরুণদের মধ্যে এ প্রবণতা বাড়ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। প্রশ্ন হলো, যোগাযোগের এত সুযোগ থাকার পরও তরুণেরা কেন নিজেদের বিচ্ছিন্ন ও নিঃসঙ্গ মনে করছেন? গবেষকেরা বলছেন, ডিজিটাল যোগাযোগ, পড়াশোনার চাপ ও গভীর সম্পর্কের অভাব তরুণদের এই নিঃসঙ্গতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বন্ধু অনেক, তবু মনের কথা বলার মানুষ কোথায়?
সকাল থেকে রাত-স্মার্টফোনের পর্দায় চোখ রাখলেই দেখা মেলে অসংখ্য মানুষের। বন্ধুদের ছবি, পরিচিতদের ঘুরতে যাওয়ার গল্প, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কথোপকথন; সব মিলিয়ে মনে হতে পারে, মানুষে মানুষে যোগাযোগ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সহজ। কিন্তু, এত যোগাযোগের মধ্যেও অনেক তরুণ দিন শেষে অনুভব করেন এক ধরনের শূন্যতা।
কারো সঙ্গে নিয়মিত কথা হচ্ছে, অথচ মনের গভীরের কথাগুলো ভাগ করে নেওয়ার মতো মানুষ নেই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা অনলাইনে সক্রিয় থাকার পরও মনে হতে পারে, কেউ যেন সত্যিকার অর্থে বুঝতে পারছে না। আবার বাইরে থেকে ব্যস্ত ও হাসিখুশি দেখালেও ভেতরে ভেতরে কেউ ভুগছেন নিঃসঙ্গতায়।
তরুণদের জীবনে এই অভিজ্ঞতা এখন বিশ্বের নানা দেশের গবেষকদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। কারণ, একাকিত্বের সঙ্গে মানুষের সামাজিক যোগাযোগের সংখ্যা সব সময় মেলে না। অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় থাকা আর কারো সঙ্গে অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠা এক বিষয় নয়।
বিশ্বজুড়েই বাড়ছে তরুণদের একাকিত্ব
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সামাজিক সংযোগবিষয়ক কমিশনের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে তরুণদের একাকিত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১৩ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের প্রায় ১৭ থেকে ২১ শতাংশ একাকিত্ব অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। অন্যান্য বয়সী গোষ্ঠীর তুলনায় তরুণদের মধ্যে এ হার বেশি।
এছাড়া, ৩৮টি দেশের ১০ লাখের বেশি তরুণের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তরুণদের একাকিত্ব বেড়েছে। জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের গবেষণাতেও কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিয়ে উদ্বেগের চিত্র পাওয়া গেছে।
তবে, একাকিত্ব মানেই একা থাকা নয়। কেউ একা থেকেও স্বস্তিতে থাকতে পারেন। আবার পরিবার, বন্ধু কিংবা সহকর্মীদের ভিড়েও কারো মনে হতে পারে, তিনি অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন। অর্থাৎ, আশপাশে কত মানুষ আছেন, তার চেয়ে সম্পর্কগুলো কতটা আন্তরিক এবং সেখানে নিজেকে কতটা বোঝা ও গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
একাকিত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানী ও গবেষক মিশেল লিম। তার গবেষণা ও ‘দ্য লোনলি জেনারেশন’ বইয়ে উঠে এসেছে, আধুনিক জীবনযাত্রার বিভিন্ন পরিবর্তন কীভাবে মানুষের সামাজিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে।
পড়াশোনা, প্রতিযোগিতা ও ব্যস্ততার চাপ
বর্তমান তরুণদের জীবনে ভালো ফল, পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, দক্ষতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়ার চাপ অনেক সময় থেকেই শুরু হয়। স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি কোচিং, পরীক্ষা, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে নিজের মতো করে সময় কাটানোর সুযোগ কমে যায়।
অভিভাবকেরাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নানা কাজে যুক্ত রাখেন। উদ্দেশ্য ভালো হলেও এর ফলে শিশু-কিশোরদের অবসর, স্বাধীনভাবে খেলাধুলা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে উদ্দেশ্যহীন আড্ডা দেওয়ার সময় সংকুচিত হতে পারে।
মিশেল লিমের মতে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষাগত সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণে সামাজিক দক্ষতা গড়ে তোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কখনো কখনো আড়ালে পড়ে যায়।
অথচ বন্ধুত্ব তৈরি, মতের অমিল সামলানো, অন্যের অনুভূতি বোঝা এবং নিজের মনের কথা প্রকাশ করার দক্ষতা গড়ে ওঠে নিয়মিত মেলামেশার মধ্য দিয়ে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা কমে গেলে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া কিংবা সম্পর্ককে গভীর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, নতুন শহরে যাওয়া কিংবা প্রথম চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময়ও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে নতুন জায়গায় গিয়ে অনেকেরই আবার নতুন করে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে হয়। কিন্তু, পড়াশোনা ও কাজের ব্যস্ততার মধ্যে সেই সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সব সময় তৈরি হয় না।
অনলাইনে পরিচয়, কিন্তু সম্পর্ক কতটা গভীর?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দূরে থাকা মানুষকে কাছে এনেছে। বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থী পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন, পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা যাচ্ছে, একই আগ্রহের মানুষের সঙ্গে তৈরি হচ্ছে নতুন পরিচয়। ফলে ডিজিটাল যোগাযোগকে একাকিত্বের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
তবে, অনলাইনে যোগাযোগের ধরন কখনো কখনো সম্পর্কের গভীরতা তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারো পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানানো, ছবি দেখে মন্তব্য করা কিংবা ইনবক্সে সংক্ষিপ্ত কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই যোগাযোগ সীমাবদ্ধ থাকলে সম্পর্কটি আন্তরিক বন্ধুত্বে রূপ নেওয়ার সুযোগ কমে যেতে পারে।
অনলাইনে কাউকে যুক্ত করা সহজ হলেও বাস্তব জীবনে তার সঙ্গে বিশ্বাস ও আন্তরিকতার সম্পর্ক তৈরি করতে সময় ও উদ্যোগ প্রয়োজন।
অন্যের সাজানো জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা
একাকিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখে নিজের জীবনকে বিচার করার প্রবণতাও। বন্ধুদের ঘুরতে যাওয়া, জন্মদিনের আয়োজন, আনন্দময় মুহূর্ত কিংবা বড় কোনো সাফল্যের ছবি দেখতে দেখতে কারো মনে হতে পারে, অন্য সবার জীবনই বুঝি পরিপূর্ণ। অথচ নিজের জীবনে হয়তো তেমন কিছু ঘটছে না। এই তুলনা থেকে তৈরি হতে পারে হতাশা, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি কিংবা অন্যদের কাছ থেকে পিছিয়ে পড়ার অনুভূতি।
একাকিত্ব সব সময় দৃশ্যমান হয় না। কারো ব্যস্ততা, বন্ধুদের সংখ্যা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা দিয়ে তার মানসিক অবস্থার পূর্ণ চিত্র বোঝা সম্ভব নয়।
তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক দিকও রয়েছে। যারা নিজেদের পরিবার বা আশপাশের পরিবেশে গ্রহণযোগ্যতা পান না, তাদের জন্য অনলাইন কমিউনিটি সহায়তা ও আপনজন খুঁজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে। দূরে থাকা বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেও এটি কার্যকর।
তাই সমস্যাটি প্রযুক্তির অস্তিত্বে নয়; বরং প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন এবং সেটি বাস্তব জীবনের সম্পর্কের জায়গা দখল করে নিচ্ছে কি না, তা বোঝার মধ্যে।
কেন নতুন মানুষের সঙ্গে মিশতে অস্বস্তি হয়?
একাকিত্ব নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মতে, জীবনের কিছু পরিবর্তনশীল পর্যায়ে এ অনুভূতির ঝুঁকি বাড়তে পারে। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া, নতুন শহরে বসবাস শুরু করা কিংবা কর্মজীবনে প্রবেশের সময় পরিচিত পরিবেশ ও মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে হয়।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগ্রহ থাকলেও প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয় অনেককে পিছিয়ে দেয়। কেউ ভাবেন, অন্যরা হয়তো তাকে পছন্দ করবেন না। কেউ আবার মনে করেন, প্রথমে কথা বললে তাকে অপ্রয়োজনীয় বা বিরক্তিকর মনে হতে পারে।
ফলে সম্পর্কের প্রয়োজন অনুভব করেও অনেকে প্রথম পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করেন। একবার যোগাযোগের চেষ্টা সফল না হলে পরবর্তী সময়ে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার আগ্রহও কমে যেতে পারে।
মিশেল লিম এ ধরনের অভিজ্ঞতাকে একাকিত্বের একটি চক্রের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তার ব্যাখ্যায়, একাকিত্বে ভুগতে থাকা কেউ ধীরে ধীরে সামাজিক পরিস্থিতিতে আরো অস্বস্তি বোধ করতে পারেন। সেই অস্বস্তি এড়াতে তিনি মানুষের সঙ্গে মেলামেশা কমিয়ে দেন। এতে নতুন সম্পর্ক তৈরির সুযোগ কমে যায়, আর একাকিত্ব আরো গভীর হয়।
এই চক্র ভাঙতে শুধু বন্ধুদের সংখ্যা বাড়ানো যথেষ্ট নয়। বরং এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে মানুষ স্বচ্ছন্দে কথা বলতে পারবেন, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয় ছাড়াই নতুন সম্পর্কের উদ্যোগ নিতে পারবেন এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারবেন।
ব্যস্ত জীবনেও সম্পর্কের জন্য সময় রাখুন
পড়াশোনা, চাকরি কিংবা ব্যক্তিগত লক্ষ্য-সবকিছুরই গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু, এসব অর্জনের পথে সম্পর্কের জায়গাটি একেবারে ফাঁকা হয়ে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে মানসিক সুস্থতায়।
একাকিত্ব কমাতে প্রতিদিন অনেক মানুষের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন নেই। বরং অল্প কয়েকজন মানুষের সঙ্গে নিয়মিত ও আন্তরিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বন্ধুর খোঁজ নেওয়া, পরিবারের সদস্যের সঙ্গে মন খুলে কথা বলা, সহপাঠীকে একসঙ্গে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো কিংবা সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা; ছোট উদ্যোগও সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে।
একইভাবে নতুন পরিবেশে গিয়ে বন্ধুত্ব তৈরি করতে সময় লাগলে নিজেকে ব্যর্থ ভাবার কারণ নেই। সব পরিচয় ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে রূপ নেয় না। বরং নিয়মিত দেখা হওয়া, একসঙ্গে কোনো কাজ করা এবং ধীরে ধীরে পারস্পরিক বিশ্বাস তৈরি হওয়ার মধ্য দিয়ে সম্পর্ক গভীর হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারেও ভারসাম্য রাখা প্রয়োজন। অনলাইনে সময় কাটানো যদি বাস্তব জীবনের সম্পর্কের বিকল্প হয়ে ওঠে, তবে দৈনন্দিন জীবনে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করা যেতে পারে। আবার অনলাইন কমিউনিটি যদি মানসিক সমর্থন ও বন্ধুত্বের সুযোগ দেয়, সেটিকেও ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যায়।
একাকিত্ব শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়
একাকিত্বকে অনেক সময় ব্যক্তিগত দুর্বলতা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু, গবেষকদের আলোচনায় স্পষ্ট, সামাজিক পরিবেশ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগও এ অভিজ্ঞতার সঙ্গে জড়িত।
মিশেল লিম মনে করেন, সমাজে মানুষের স্বাভাবিক মেলামেশার সুযোগ কমে যাওয়া, অবসর কাটানোর উন্মুক্ত জায়গার সংকট, ব্যস্ত জীবনযাপন এবং প্রযুক্তিনির্ভরতার মতো বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তাই একাকিত্ব কমানোর দায়িত্ব শুধু একজন তরুণের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। পরিবারে খোলামেলা কথোপকথনের পরিবেশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলগত কাজ ও সামাজিক কার্যক্রম, কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের একত্র হওয়ার সুযোগ; সবই অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।
বিশ্বজুড়ে তরুণদের একাকিত্ব নিয়ে গবেষণাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে: যোগাযোগের সুযোগ বাড়লেই কি মানুষ আরো সংযুক্ত হয়ে ওঠে? বাস্তবতা বলছে, শুধু যোগাযোগের সংখ্যা নয়, সম্পর্কের মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
দিন শেষে মানুষের প্রয়োজন কেবল বার্তা আদান-প্রদান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপস্থিতি নয়। প্রয়োজন এমন কিছু সম্পর্ক, যেখানে নিজের কথা বলা যায়, অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা হয় এবং ব্যস্ততার মাঝেও অনুভব করা যায়-কেউ একজন সত্যিই পাশে আছেন।
*দ্য গার্ডিয়ান অবলম্বনে
সংবাদ শিরোনাম
অনলাইনে শত বন্ধু, বাস্তবে তরুণরা এত নিঃসঙ্গ কেন?
-
খবরপত্র ডেস্ক: - আপডেট সময় ০৮:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- 7
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























