ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ Logo রৌমারী রাজিবপুরে পূজামন্ডপ ও বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসন Logo দাগনভূঞার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বহুমুখী হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় ১১ নেতা Logo ফটিকছড়িতে সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ Logo কলমাকান্দায় ১০ নারী ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি Logo দুর্গাপূজায় দিনাজপুর সীমান্তে ৪২ বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা, নজরদারিতে ৮৬ ম-প Logo গাসিকের উন্নয়ন কর্মকা-ে সক্রিয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকঅবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প তদারকি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব Logo পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর টি-বাঁধ পরিদর্শন করেছেন Logo সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন ডাঃ সোহাগ Logo নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রেতার দোকানে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানের জেরে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তার উপরে হামলা, থানায় মামলা

গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন লুকানো ৫ খরচ

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১০:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • 130

অনেকেরই স্বপ্ন থাকে নিজের একটি গাড়ি কেনার। শোরুমে গিয়ে পছন্দের গাড়ি বেছে নেওয়া থেকে শুরু করে চাবি হাতে পাওয়ার মুহূর্ত সবকিছুই আনন্দের। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই অনেকেই একটি বড় ভুল করে ফেলেন। শুধু গাড়ির দাম বা অন-রোড প্রাইস হিসাব করেই বাজেট ঠিক করলে পরে আর্থিক চাপ বাড়তে পারে।
গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু ইএমআই বা মূল দাম নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের আনুষঙ্গিক খরচও বিবেচনা করা জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে গাড়ি মালিকানা কেবল স্বপ্ন নয়, বরং একটি আরামদায়ক ও উপভোগ্য অভিজ্ঞতায় পরিণত হতে পারে।
দেখে নিন সেগুলো কী কী-
১. জ্বালানি ও বিমার নিয়মিত খরচ
গাড়ি চালানোর সবচেয়ে বড় নিয়মিত খরচ হলো জ্বালানি। দৈনন্দিন ব্যবহার যত বেশি হবে, মাসিক ফুয়েল খরচও তত বাড়বে। এর পাশাপাশি প্রতি বছর গাড়ির ইন্সুরেন্স নবায়ন করতে হয়, যার প্রিমিয়াম গাড়ির ধরন ও কভারেজ অনুযায়ী বেশ বড় অঙ্কের হতে পারে।
২. সার্ভিসিং ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়
গাড়িকে ভালো অবস্থায় রাখতে নিয়মিত সার্ভিসিং অপরিহার্য। ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন, ফিল্টার বদলানো এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল চেকআপের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর খরচ করতে হয়। এই রক্ষণাবেক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা তৈরি হয়ে খরচ আরও বেড়ে যেতে পারে।
৩. টায়ার পরিবর্তনের বড় ব্যয়
অনেকেই এই খরচটি আগে থেকে বিবেচনা করেন না। নির্দিষ্ট সময় বা কিলোমিটার চালানোর পর টায়ার পরিবর্তন করতে হয়। চারটি নতুন টায়ার একসঙ্গে বদলাতে গেলে একবারেই বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে যায়, যা অনেক সময় বাজেটকে প্রভাবিত করে।
৪. পার্কিং ও টোল চার্জ
শহুরে জীবনে পার্কিং একটি বড় ব্যয় হিসেবে দাঁড়ায়। বাসা বা অফিসে নিজস্ব পার্কিং সুবিধা না থাকলে মাসিক পার্কিং ফি দিতে হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শপিং মল বা বাণিজ্যিক এলাকায় পার্কিং চার্জও যোগ হয়। দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রায় আবার টোল ট্যাক্সও একটি নিয়মিত খরচ।
গাড়ি যেহেতু একটি যান্ত্রিক যন্ত্র, তাই হঠাৎ সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে। ব্যাটারি নষ্ট হওয়া, ব্রেক সমস্যা বা সেন্সর বিকল হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে অপ্রত্যাশিত খরচ তৈরি হয়। অনেক সময় ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে গেলে এই ব্যয় আরও বেড়ে যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন লুকানো ৫ খরচ

আপডেট সময় ১০:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

অনেকেরই স্বপ্ন থাকে নিজের একটি গাড়ি কেনার। শোরুমে গিয়ে পছন্দের গাড়ি বেছে নেওয়া থেকে শুরু করে চাবি হাতে পাওয়ার মুহূর্ত সবকিছুই আনন্দের। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই অনেকেই একটি বড় ভুল করে ফেলেন। শুধু গাড়ির দাম বা অন-রোড প্রাইস হিসাব করেই বাজেট ঠিক করলে পরে আর্থিক চাপ বাড়তে পারে।
গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু ইএমআই বা মূল দাম নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের আনুষঙ্গিক খরচও বিবেচনা করা জরুরি। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে গাড়ি মালিকানা কেবল স্বপ্ন নয়, বরং একটি আরামদায়ক ও উপভোগ্য অভিজ্ঞতায় পরিণত হতে পারে।
দেখে নিন সেগুলো কী কী-
১. জ্বালানি ও বিমার নিয়মিত খরচ
গাড়ি চালানোর সবচেয়ে বড় নিয়মিত খরচ হলো জ্বালানি। দৈনন্দিন ব্যবহার যত বেশি হবে, মাসিক ফুয়েল খরচও তত বাড়বে। এর পাশাপাশি প্রতি বছর গাড়ির ইন্সুরেন্স নবায়ন করতে হয়, যার প্রিমিয়াম গাড়ির ধরন ও কভারেজ অনুযায়ী বেশ বড় অঙ্কের হতে পারে।
২. সার্ভিসিং ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়
গাড়িকে ভালো অবস্থায় রাখতে নিয়মিত সার্ভিসিং অপরিহার্য। ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন, ফিল্টার বদলানো এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল চেকআপের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর খরচ করতে হয়। এই রক্ষণাবেক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা তৈরি হয়ে খরচ আরও বেড়ে যেতে পারে।
৩. টায়ার পরিবর্তনের বড় ব্যয়
অনেকেই এই খরচটি আগে থেকে বিবেচনা করেন না। নির্দিষ্ট সময় বা কিলোমিটার চালানোর পর টায়ার পরিবর্তন করতে হয়। চারটি নতুন টায়ার একসঙ্গে বদলাতে গেলে একবারেই বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়ে যায়, যা অনেক সময় বাজেটকে প্রভাবিত করে।
৪. পার্কিং ও টোল চার্জ
শহুরে জীবনে পার্কিং একটি বড় ব্যয় হিসেবে দাঁড়ায়। বাসা বা অফিসে নিজস্ব পার্কিং সুবিধা না থাকলে মাসিক পার্কিং ফি দিতে হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শপিং মল বা বাণিজ্যিক এলাকায় পার্কিং চার্জও যোগ হয়। দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রায় আবার টোল ট্যাক্সও একটি নিয়মিত খরচ।
গাড়ি যেহেতু একটি যান্ত্রিক যন্ত্র, তাই হঠাৎ সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে। ব্যাটারি নষ্ট হওয়া, ব্রেক সমস্যা বা সেন্সর বিকল হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে অপ্রত্যাশিত খরচ তৈরি হয়। অনেক সময় ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে গেলে এই ব্যয় আরও বেড়ে যায়।