ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো: চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকা-ের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।
গতকাল রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে অন্য একটি সংস্থা।
তিনি বলেন, কোনো মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তদন্ত সংস্থা কখনো কখনো অন্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু তথ্য বা ক্লু পেয়ে যায়। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
সাগর-রুনি হত্যার ব্যাপারেও ক্লু পেয়েছি, সেটার নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নজরদারি রয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, তার সঙ্গে সাগর-রুনির এই ঘটনার সঙ্গে কানেকশন পাওয়া যায়-বলেন চিফ প্রসিকিউটর।
তবে তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে হত্যাকা-ের সম্পর্কের প্রকৃতি বা কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে এমন যোগসূত্র পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আরও তদন্তের পর যদি অথেনটিক বা নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি আছে। আরও তদন্ত হওয়ার পরে আরও অথেনটিক কোনো কিছু পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবো।
সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটির তদন্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর একই সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও স্পষ্ট করেন। তার ভাষায়, এটা একটা ইনডিভিজুয়াল মার্ডার কেস। এটা সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে বিচার হবে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই বলেই জানান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার সংশ্লিষ্ট সাধারণ ফৌজদারি আদালতেই হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০৯:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকা-ের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।
গতকাল রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে অন্য একটি সংস্থা।
তিনি বলেন, কোনো মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তদন্ত সংস্থা কখনো কখনো অন্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু তথ্য বা ক্লু পেয়ে যায়। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
সাগর-রুনি হত্যার ব্যাপারেও ক্লু পেয়েছি, সেটার নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নজরদারি রয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, তার সঙ্গে সাগর-রুনির এই ঘটনার সঙ্গে কানেকশন পাওয়া যায়-বলেন চিফ প্রসিকিউটর।
তবে তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে হত্যাকা-ের সম্পর্কের প্রকৃতি বা কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে এমন যোগসূত্র পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আরও তদন্তের পর যদি অথেনটিক বা নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি আছে। আরও তদন্ত হওয়ার পরে আরও অথেনটিক কোনো কিছু পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবো।
সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটির তদন্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর একই সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও স্পষ্ট করেন। তার ভাষায়, এটা একটা ইনডিভিজুয়াল মার্ডার কেস। এটা সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে বিচার হবে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই বলেই জানান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার সংশ্লিষ্ট সাধারণ ফৌজদারি আদালতেই হবে।