ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষ্ণকাঠীর আল আমিনকে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পতি থেকে উৎখাতের পাঁয়তারা!

জায়গা জামি নিয়ে আপন মা ও ভাইদের রেশানলের শিকার মোঃ আল আমিন। গ্রামের কুটকশলী রাজনীতির মাঠে প্রতিহিংসার শিকার প্রয়াত বেল্লাল ঘরামীর ছেলে মোঃ আল আমিন। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বড় ভাই নূর আলম আপন ভাইকে উৎখাত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল।আপন মাকে দিয়ে মামলা দিতেও ভুল করেননি নূর আলম। পাশাপাশি ছোট ভাইও বড় ভাইয়ের নোংরা রাজনীতি সাথে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা রয়েছে। অথচ পৈত্রিক সম্পত্তির উপর অধিকার রয়েছে মেঝ ভাই মোঃ আল আমিনের। এছাড়াও ক্রয়কৃত সম্পত্তিও রয়েছে। অথচ পরিকল্পিত ভাবে মা সহ আপন দুই ভাই মিলে মেঝ ভাইয়ের সর্বনাশ করার গুরুত্বপূর্ণ মিশ গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। এলাকার একটা পক্ষ সুকৌশলে ভাইয়ে ভাইয়ে শত্রুতার জের ধরে একধরনের ফায়দা হাসিলে ব্যাস্ত সময় পার করতেছে হীন স্বার্থের জন্য। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে মামলা শুরু হয় আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নোংরা রাজনীতির চর্চা করে আপন ভাইকে পৈত্রিক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে। পাশাপাশি আল আমিনের ক্রয়কৃত জমির অধিকারেও কঠিন হুমকি বাঁধা দিচ্ছেন মা পারুল বেগম সহ বড় ভা নূর আলম ও ছোট ভাই মোঃ আলমগীর। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা” নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে চলছে হামলা মামলার কার্যক্রম। বিগত সময়ে বহু বার স্থানীয় শালিসি বৈঠকের আয়োজন হয়েছে।স্বাধীনতার পর পরই দুই একজন চেয়ারম্যান সহ বাকী সকল চেয়ারম্যান শালিসি বৈঠকের সক্রিয় সদস্য হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এপর্যন্ত চার চারবার সরকারি আমিন দিয়ে মাপজোপও হয়েছে। মজার বিষয় স্থানীয় শালিসি বৈঠকে হয়েছে গুনে গুনে চৌদ্দ বার। শালিসি মানি কিন্তু গাছ আমার। আর সেই নোংরা রাজনীতির কারণে শান্তির পথে আসছে না সুন্দর সমাধান। নাটের গুরু মা জননী ও বড় ছেলে মোঃ নূর আলম। সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে ছোট ভাই মোঃ আলমগীর। এব্যাপারে কথা হয় আল আমিনের মা পারুল বেগমের সাথে। গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা হয় পারুলের। তিনি এক ধরনের অন্ধভক্ত বড় ছেলে নূর আলমের।আর সেই কারনে প্রধান বাঁধা ন্যায় বিচার। সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আবুল কালাম আজাদ বরাবরই নীতি আদর্শের সৈনিক। বিচার ব্যাবস্থায় নম্বর ওয়ান। অথচ গুরে ফিরে নূর আলম ও মায়ের কথা একটাই, শালিসি মানি কিন্তু গাছ আমাদের। আর সেই কারনে ভালো কিছু হচ্ছে না। বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বার বার। এদিকে হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য মোঃ আল আমিন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির অধিকার চাই। পাশাপাশি পৈত্রিক সম্পত্তিরও অধিকার চাই। এদিকে কূটকৌশলী মোঃ নূর আলম আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিগত সময়ে গ্রামের মধ্যে নানান কায়দায় অপরাধ মূলক কাজ কর্ম করে চরম বিতর্কিত। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়ে সঠিক প্রশ্নের জবাব গুরিয়ে পেচিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা, গ্রামের বেশীরভাগ লোকজনের সাথে কথা বললেন। বেশীরভাগ লোকজন আল আমিনের পক্ষে। বাবার সম্পত্তির বৈধ অধিকার এবং ক্রয়কৃত সম্পত্তির অধিকার ফিরে পাক। অথচ আপন মা ও বড় ভাই ও ছোট ভাই নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে। তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমরা সমগ্র বিষয়টি নিয়ে জানার চেষ্টা করেছি মেঝ ভাই মোঃ আলমগীরের মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন এজাতীয় ঘটনায় মা কিংবা বাবাকে নিরেপক্ষ হতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় শালিসি বৈঠকেও পক্ষ পাত মূলক আচরণ না করে উদার হতে হবে। তাহলেই সঠিক দায়িত্ব পালন হবে ইনশাআল্লাহ। হামলা মামলার মধ্যে শান্তির পরিবেশ তৈরি হয় না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষ্ণকাঠীর আল আমিনকে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পতি থেকে উৎখাতের পাঁয়তারা!

আপডেট সময় ০১:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

জায়গা জামি নিয়ে আপন মা ও ভাইদের রেশানলের শিকার মোঃ আল আমিন। গ্রামের কুটকশলী রাজনীতির মাঠে প্রতিহিংসার শিকার প্রয়াত বেল্লাল ঘরামীর ছেলে মোঃ আল আমিন। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বড় ভাই নূর আলম আপন ভাইকে উৎখাত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল।আপন মাকে দিয়ে মামলা দিতেও ভুল করেননি নূর আলম। পাশাপাশি ছোট ভাইও বড় ভাইয়ের নোংরা রাজনীতি সাথে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা রয়েছে। অথচ পৈত্রিক সম্পত্তির উপর অধিকার রয়েছে মেঝ ভাই মোঃ আল আমিনের। এছাড়াও ক্রয়কৃত সম্পত্তিও রয়েছে। অথচ পরিকল্পিত ভাবে মা সহ আপন দুই ভাই মিলে মেঝ ভাইয়ের সর্বনাশ করার গুরুত্বপূর্ণ মিশ গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। এলাকার একটা পক্ষ সুকৌশলে ভাইয়ে ভাইয়ে শত্রুতার জের ধরে একধরনের ফায়দা হাসিলে ব্যাস্ত সময় পার করতেছে হীন স্বার্থের জন্য। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে মামলা শুরু হয় আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নোংরা রাজনীতির চর্চা করে আপন ভাইকে পৈত্রিক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে। পাশাপাশি আল আমিনের ক্রয়কৃত জমির অধিকারেও কঠিন হুমকি বাঁধা দিচ্ছেন মা পারুল বেগম সহ বড় ভা নূর আলম ও ছোট ভাই মোঃ আলমগীর। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা” নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে চলছে হামলা মামলার কার্যক্রম। বিগত সময়ে বহু বার স্থানীয় শালিসি বৈঠকের আয়োজন হয়েছে।স্বাধীনতার পর পরই দুই একজন চেয়ারম্যান সহ বাকী সকল চেয়ারম্যান শালিসি বৈঠকের সক্রিয় সদস্য হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এপর্যন্ত চার চারবার সরকারি আমিন দিয়ে মাপজোপও হয়েছে। মজার বিষয় স্থানীয় শালিসি বৈঠকে হয়েছে গুনে গুনে চৌদ্দ বার। শালিসি মানি কিন্তু গাছ আমার। আর সেই নোংরা রাজনীতির কারণে শান্তির পথে আসছে না সুন্দর সমাধান। নাটের গুরু মা জননী ও বড় ছেলে মোঃ নূর আলম। সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে ছোট ভাই মোঃ আলমগীর। এব্যাপারে কথা হয় আল আমিনের মা পারুল বেগমের সাথে। গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা হয় পারুলের। তিনি এক ধরনের অন্ধভক্ত বড় ছেলে নূর আলমের।আর সেই কারনে প্রধান বাঁধা ন্যায় বিচার। সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আবুল কালাম আজাদ বরাবরই নীতি আদর্শের সৈনিক। বিচার ব্যাবস্থায় নম্বর ওয়ান। অথচ গুরে ফিরে নূর আলম ও মায়ের কথা একটাই, শালিসি মানি কিন্তু গাছ আমাদের। আর সেই কারনে ভালো কিছু হচ্ছে না। বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বার বার। এদিকে হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য মোঃ আল আমিন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির অধিকার চাই। পাশাপাশি পৈত্রিক সম্পত্তিরও অধিকার চাই। এদিকে কূটকৌশলী মোঃ নূর আলম আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিগত সময়ে গ্রামের মধ্যে নানান কায়দায় অপরাধ মূলক কাজ কর্ম করে চরম বিতর্কিত। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়ে সঠিক প্রশ্নের জবাব গুরিয়ে পেচিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা, গ্রামের বেশীরভাগ লোকজনের সাথে কথা বললেন। বেশীরভাগ লোকজন আল আমিনের পক্ষে। বাবার সম্পত্তির বৈধ অধিকার এবং ক্রয়কৃত সম্পত্তির অধিকার ফিরে পাক। অথচ আপন মা ও বড় ভাই ও ছোট ভাই নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে। তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমরা সমগ্র বিষয়টি নিয়ে জানার চেষ্টা করেছি মেঝ ভাই মোঃ আলমগীরের মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন এজাতীয় ঘটনায় মা কিংবা বাবাকে নিরেপক্ষ হতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় শালিসি বৈঠকেও পক্ষ পাত মূলক আচরণ না করে উদার হতে হবে। তাহলেই সঠিক দায়িত্ব পালন হবে ইনশাআল্লাহ। হামলা মামলার মধ্যে শান্তির পরিবেশ তৈরি হয় না।