সমগ্র মফস্বল এলাকায় প্রতিনিয়ত নোংরা রাজনীতি চলছে। বহু গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অমানবিক কায়দায় হামলা সহ মারধরের অভিযোগও উঠেছে।আর সেই সূত্র ধরেই বহু বছর আগে বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ি এলাকায় শিশু ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে মামলা চলমান ছিল। অথচ আজও সেই সূত্র ধরেই নোংরা রাজনীতি চলে আসছে রাজাবাড়ি গ্রামের মধ্যে। গ্রামের মধ্যে শিশু ধর্ষণের খল নায়ক জব্বার ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বিগত সময়ের সাহসী ও প্রতিবাদী লোকজনকে ভালো চোখে দেখেন না ধর্ষণের পরিবার। বরং বছরের পর বছর শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে গ্রামের মধ্যে। ফলে শত্রুতার জের ধরে নোংরা রাজনীতি চর্চা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নইলে জব্বারের আপন ভাইয়ের ছেলে আত্মীয়তা করেন প্রতিবাদী পরিবারের এক মেয়ে আফসানা। আর সেই সূত্র ধরেই নোংরা রাজনীতির সূত্রপাত আফসানা ও জব্বারের আপন ভাইয়ের ছেলে আলী আকবরকে অমানবিক কায়দায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে সরকারি স্বরূপকাঠি কলেজ সংলগ্ন দক্ষিণ এবং পূর্ব পাশের দোকানদাররা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, গত পরশু হঠাৎ দেখি একজন মহিলা ও পুরুষকে কিল-ঘুষি মারে।সূত্র জানায়, সোহাগদল ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকার জহিরুলের ছেলে এবং জব্বার মিয়ার জামাই মোঃ কাওসার। সাথে রাজাবাড়ির রাজমিস্ত্রী এবং জব্বার মিয়ার ছেলে মোঃ অনিকের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী কায়দায় মারধরের গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। বাজারের লোকজনরা আরও বলেন বৌগাড়ী থেকে নামিয়ে শুরু করেন অমানবিক কায়দায় মারধর। ওখান থেকে ইন্দেরহাট বাজারের মধ্যে নিয়ে যায় টানাটানি করে আফসানা ও আলী আকবরকে। ঘটনা স্থলের প্রত্যক্ষদর্শিরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, জব্বারের দুই জামাই দারুণ বেপরোয়া ছিল। এদিকে বাজারের বহু দোকানদার সরাসরি ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখেন কিন্তু প্রতিবাদ করার জন্য কেহই এগিয়ে আসেনি। কিন্তু ৯৯৯ এ কল দেওয়ার বহু সময় পর স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন ঘটনা স্থলে আসেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় আলী আকবর ও তার স্ত্রী আফসানাকে সরকারি স্বরূপকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত দুই জামাই কাওসার ও অনিক শশুরের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আফসানাকে ও আলী আকবরকে হাতুড়ি দিয়েও আঘাত করতে ভুল করেননি। এমনকি ধর্ষণের খল নায়কের জামাই অনিক আফসানার পেটে লাত্থি মারে। আর সেই কারনে আফসানা মুহুর্তের মধ্যে দুর্বল হয়ে পড়ে। চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, গতকাল ব্লাডিং হয়েছে অতি মাত্রার আঘাতের কারণে। তিন মাসের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায় বলে ভুক্তভোগী আফসানা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা আফসানা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। প্রথম বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য। এদিকে মাথায় আঘাত পাওয়া আলী আকবর গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের উভয়কেই মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন। ভাগ্য ভালো তাই আমরা বেঁচে আছি। কিন্তু ওদের সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে আমাদের বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা আইনের ধারায় সন্ত্রাসী চক্রের বিচারের দাবী জানাই। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা সোহাগদল ইউনিয়নের বৌবাজার ও রাজাবাড়ি এলাকায় যান আসল রহস্য উদঘাটন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে। প্রশাসনের লোকজনও সমগ্র বিষয়টি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে তথ্য উদঘাটন করার মিশনে রয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের ও প্রশাসনের লোকজনদের সঠিক তথ্য তুলে ধরলেন। বিগত সময়ে জব্বার মিয়ার নামে শিশু ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই গ্রামের মধ্যে এক ধরনের শত্রুতার সৃষ্টি। আর সেই সূত্র ধরেই জব্বারের দুই জামাই ঠান্ডা মাথায় বৌগাড়ী থেকে নামিয়ে মারতে মারতে সেবা ক্লিনিকে নিয়ে যায় আফসানা ও আলী আকবরকে। এলাকায় অভিযোগ উঠেছে জব্বারের দুই জামাই দারুণ বেপরোয়া ও মাদকাসক্ত। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জব্বারের দুই জামাইর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন।পাশাপাশি বাসায় গেলেও উভয়ের পরিবার বলে তারা বাসায় নেই। স্থানীয় লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের আরও বলেন, বিগত সময় থেকে উভয় জামাইর রোজনামচা আহমরি ভালো নয়। বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, উভয়ের পরিবারের মধ্যে বহু সমস্যা রয়েছে। কথায় আছে, যেমনতার মেজবান তেমনতায় খায়। নইলে ঠান্ডা মাথায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অমানবিক কায়দায় এভাবে মারধর করতে পারে? বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে ধর্ষণের খল নায়ক মোঃ জব্বার মিয়ার পরিবার ও দুই জামাইয়ের রামরাজত্ব। অপরাধী হয়েও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধুমকি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে এতকিছুর পরেও। আইনের আশ্রয় ও মিডিয়ায় প্রচার প্রচারণা হওয়ার কারনে মাদকাসক্ত দুই জামাই দারুণ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে রাজাবাড়ি এলাকায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আফসানার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার কারনে নেছারাবাদ হাসাপাতাল থেকে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরণ করা হয়েছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন আলী আকবর আপাতত সুস্থ কিন্তু তার স্ত্রী আফসানা শারীরিক ভাবে সুস্থ নয়। তাই অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করা হয়েছে। এদিকে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আমরা উভয় পরিবারের কথা অনুযায়ী অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। বিগত সময়ের শত্রুতার জের ধরে গত পরশুর ঘটনার সূত্রপাত। আইন কানুন নিদিষ্ট নিয়মে চলবে। প্রকৃত অপরাধীদের কঠিন শাস্তি হোক।
সংবাদ শিরোনাম
মাদকাসক্ত অনিক ও কাওসার এক আতংকের নাম
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৭:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
- 129
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























