রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
তাড়াশে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ সাতকানিয়া থেকে চুরি হওয়া ইজিবাইক বাঁশখালি থেকে উদ্ধার লালমোহনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প সরকার স্বীকৃত বোর্ড পরীক্ষায় শ্রীমঙ্গলের শেখবাড়ী জামিয়ার ঈর্ষণীয় সাফল্য এম্বুলেন্স সিন্ডিকেট এর দৌরাত্ম ! মঠবাড়িয়ায় কমপ্লেক্সের সামনে এম্বুলেন্স রেখে বাসায় থাকেন ড্রাইভার : দুর্ভোগে রোগীরা কালিগঞ্জ শিক্ষক সমিতির গাইড বাণিজ্য, প্রায় অর্ধকোটি টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ কলা গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা দাগনভূঞায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের চরম সংকট, ভোগান্তিতে বাইকাররা সিরাজদিখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ভাংচুর ও কাজে বাধা দানের মামলার ১ জন আসামী গ্রেফতার সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ফারুকউজ্জামান মিয়ার পদত্যাগ

দাগনভূঞায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের চরম সংকট, ভোগান্তিতে বাইকাররা

সুমন পাটোয়ারী দাগনভূঞা
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরবাইক চালক, প্রাইভেটকার ব্যবহারকারীসহ পেট্রোলচালিত যানবাহনের চালকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন নেই কিংবা সীমিত আকারে বিক্রি করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড টানিয়ে পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু পাম্পে ডিজেল আংশিক পাওয়া গেলেও সেখানে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে দৈনন্দিন কাজকর্মেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মার্কেটিং, চাকরি কিংবা ব্যবসায়িক কাজে মোটরবাইক ব্যবহারকারীরা পড়েছেন বিপাকে। মোটরবাইক চালক আবু নাছের বলেন, আমি মার্কেটিংয়ের কাজ করি। প্রতিদিন দুই লিটারের বেশি তেল লাগে। কিন্তু পাম্পে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। এতে ঠিকভাবে কাজ করতে পারছি না। অন্য এক বাইকার জানান, এক লিটার তেলে ৩০-৩৫ কিলোমিটার যাওয়া যায়। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সময় ও শ্রম দুটোই নষ্ট হচ্ছে। ফিলিং স্টেশন মালিকদের ভাষ্য, ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আবার হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়াও সংকটকে তীব্র করেছে। সততা ফিলিং স্টেশনের মালিক উত্তম পাল বলেন, গত বছরের মার্চ মাসের বরাদ্দ অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ বাইকার ও প্রাইভেটকারের চাপ বেড়ে গেছে। ফলে দ্রুত তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। দাগনভূঞা ফিলিং স্টেশনের মালিক আজমল হক সুমন জানান, অনেক বাইকার বারবার তেল নিচ্ছেন। যদিও সীমিত পরিমাণ দেওয়া হচ্ছে, তবুও এতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। এতে প্রকৃত ভোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের সংকটের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছেসরবরাহ ঘাটতি, ডিপো থেকে তেল না আসা, হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি, পরিবহন ও লজিস্টিক সমস্যা, মূল্য বৃদ্ধির গুজব এবং মজুতদারি। এ সংকটের প্রভাবে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে, পরিবহন ব্যয় বাড়ছে এবং নিত্যপণ্যের দামেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইব্রাহিম ফিলিং স্টেশন মালিক বাদশা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ও প্রশাসনের তদারকি জোরদার করা, অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, সঠিক তথ্য দ্রুত প্রচার এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ডিপো থেকে আবার সরবরাহ শুরু হলেও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি দাগনভূঞার জ্বালানি পরিস্থিতি। অনেকেই সকাল থেকে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরেও তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখনো অব্যাহত রয়েছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com