বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ভারতে অবস্থানরত প্রবাসী সরকার দ্বারা পরিচালিত হলেও দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরুদ্ধে যে কয়েকটি দল অবস্থান গ্রহণ করেছিল, তার
বাংলাদেশ অর্থাৎ তৎকালীন পূর্ব বাংলার সন্তান হয়েও ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় ৫০ বছর ধরে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সুপরিচিত নাম ছিলো- এ কে ফজলুল হক, বাংলার মানুষের কাছে যার পরিচিতি ছিলো শেরে বাংলা
ব্রাহ্মণ, সনাতন ধর্মের চতুবর্ণের এক বর্ণ। শাস্ত্রমতে যিনি ব্রহ্মকে জেনেছেন বা দর্শন করেছেন তিনিই ব্রাহ্মণ। সনাতন সমাজের বর্ণাশ্রম অনুযায়ী একজন উপনয়ন সংস্কারের মধ্য দিয়ে হন দ্বিজ, বেদ পাঠের মধ্য দিয়ে
শিক্ষাই জাতির মেরুদ-। এই আপ্ত-বাক্যটির সাথে পরিচিত আমরা সবাই। শিক্ষাই মানুষকে আলোকিত করে। বিকশিত করে তার মননকে। আত্মিক সুপ্ত গুণাবলির বিকাশ ঘটায়। পরিচিত করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের সাথে। শেখায় দায়িত্বানুভূতি
সরকারের পক্ষ থেকে বার বার বলা হচ্ছে, অর্থনীতি সঠিক পথেই আছে। সব কিছু স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। কোথাও কোনো সমস্যা নেই। বাস্তবতা হলো, অর্থনীতিতে তেমন কোনো সুখবর নেই। কমছে রিজার্ভ, রপ্তানি
রাষ্ট্র শব্দটি ষোড়শ শতকের গোড়ার দিকে ‘স্টেটো’ শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়। পরবর্তীকালে ‘স্টেটো’ শব্দটি ইংরেজিতে ‘স্টেট’ হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাকিয়াভেলি তার ‘দ্য প্রিন্স’ (১৫১৩) গ্রন্থে ‘বডি-পলিটিক’ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় সংগঠন অর্থে শব্দটি