ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় এখনও ইজারা হয়নি তিনটি পশুর হাট

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উজেলার বাগবেড়,চিনাকান্দি ও বিশ্বম্ভপুর (সদর) বাজার ইজারা প্রদানের লক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) তারিখ নির্ধারন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এজন্য সকালে ইজারা নিতে আগ্রহী সবাই ২ লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে ইজারায় অংশ নেন। কিন্তু বাজার ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে হল রুমের পেছনের দরজা দিয়ে চলে যান এবং ইজারা প্রদান কার্যক্রম স্থগিত করে দেন। গন্ডগোল থামাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খান পুলিশকেও কোন নির্দেশনা দিতে দেখা যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত একটি বাজারও ইজারা হয়নি। ইজারা প্রদান শুরু হওয়ার আগে বাগবেড় বাজার ইজারা কার নামে হবে এ নিয়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে অংশ নেন বর্তমান ইজারাদার গিয়াস উদ্দিন সহ অন্যরা। এতে মতানৈক্য দেখা দিলে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মোহন মিয়া বাচ্ছু ও শামিম আহমদের নেতৃত্বে তাদের লোকজন নিয়ে বর্তমান ইজারাদার গিয়াস উদ্দিনের উপর হামলা করা হয়। এ সময় বাচ্ছুর লোকজন গিয়াস উদ্দিনকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ইজারায় অংশ নিতে আসাদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক ভাবে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার আলম পরিস্থিতি সামলে নেন। এ ব্যাপারে বুধবার (১৩ মে) সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খানের বক্তব্য জানতে চেয়ে একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। উল্লেখ্য,বর্তমানে বাগবেড় ও চিনাকান্দি গরুর হাটে খাস কালেকশন করছেন পলাশ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তাসহ অফিসের কর্মচারীরা। ভূমি অফিসের লোকবল কম থাকায় ঠিক ভাবে খাস কালেকশনের টাকা ঠিকমত আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় এখনও ইজারা হয়নি তিনটি পশুর হাট

আপডেট সময় ০২:০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উজেলার বাগবেড়,চিনাকান্দি ও বিশ্বম্ভপুর (সদর) বাজার ইজারা প্রদানের লক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) তারিখ নির্ধারন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এজন্য সকালে ইজারা নিতে আগ্রহী সবাই ২ লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে ইজারায় অংশ নেন। কিন্তু বাজার ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে হল রুমের পেছনের দরজা দিয়ে চলে যান এবং ইজারা প্রদান কার্যক্রম স্থগিত করে দেন। গন্ডগোল থামাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খান পুলিশকেও কোন নির্দেশনা দিতে দেখা যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত একটি বাজারও ইজারা হয়নি। ইজারা প্রদান শুরু হওয়ার আগে বাগবেড় বাজার ইজারা কার নামে হবে এ নিয়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে অংশ নেন বর্তমান ইজারাদার গিয়াস উদ্দিন সহ অন্যরা। এতে মতানৈক্য দেখা দিলে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মোহন মিয়া বাচ্ছু ও শামিম আহমদের নেতৃত্বে তাদের লোকজন নিয়ে বর্তমান ইজারাদার গিয়াস উদ্দিনের উপর হামলা করা হয়। এ সময় বাচ্ছুর লোকজন গিয়াস উদ্দিনকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ইজারায় অংশ নিতে আসাদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাৎক্ষণিক ভাবে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার আলম পরিস্থিতি সামলে নেন। এ ব্যাপারে বুধবার (১৩ মে) সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খানের বক্তব্য জানতে চেয়ে একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। উল্লেখ্য,বর্তমানে বাগবেড় ও চিনাকান্দি গরুর হাটে খাস কালেকশন করছেন পলাশ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তাসহ অফিসের কর্মচারীরা। ভূমি অফিসের লোকবল কম থাকায় ঠিক ভাবে খাস কালেকশনের টাকা ঠিকমত আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ছে।