ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

জামালপুরে ১০ বছর বিদ্যালয়ে না গিয়েও নিয়মিত বেতন তোলার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জামালপুরে ১০ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন উত্তোলন করে যাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনানুল হক খান। তবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হলেও ডেপুটেশনের নামে জেলা শিক্ষা অফিসে নিয়মিত কাজ করছেন বলে দাবি ওই শিক্ষকের। যদিও ডেপুটেশনের লিখিত কোন আদেশ দেখাতে পারেন নি তিনি। জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের চর্ষি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শফিকুল ইসলাম নামে একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগকৃত থাকলেও এনামুল হক খানকে একই জায়গায় রাখা হয়েছে। চর্ষি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিমা খাতুন জানান, ২০০৯ সালে তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। যোগদানের পর দুই তিন বছর নিয়মিত চাকরি করার পর তিনি আর বিদ্যালয়ে আসে নি। তিনি ডেপুটেশনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ করেন। কিন্তু আমাদের কাছে ডেপুটেশনের কোন আদেশ কপি জমা দেন নি। আমি স্যারদের কথায় তার বেতনে সাক্ষর করে যাচ্ছি। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক এনামুল হক খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ২০১৬ সাল হতে প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও পরে জেলা শিক্ষা অফিসে কাজ করে যাচ্ছি। অফিসের প্রয়োজনে স্যারেরা আমাকে এখানে রেখেছে, তাই আমি ডেপুটেশনে আছি। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, আমার সময়ে তিনি আসেন নি। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। একজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে না গিয়েও নিয়মিত বেতন উত্তোলনের বিষয়টি আলোচনায় আসার পর নতুন করে আদেশ তৈরি করতে বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াচ্ছেন অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল হক খান। তবে এতগুলো বছর বিদ্যালয়ে না গিয়েও কিভাবে বেতন দিয়ে গেলেন উর্ধতন কর্মকর্তারা, এমন প্রশ্ন জামালপুরবাসীর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

জামালপুরে ১০ বছর বিদ্যালয়ে না গিয়েও নিয়মিত বেতন তোলার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

জামালপুরে ১০ বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন উত্তোলন করে যাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনানুল হক খান। তবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হলেও ডেপুটেশনের নামে জেলা শিক্ষা অফিসে নিয়মিত কাজ করছেন বলে দাবি ওই শিক্ষকের। যদিও ডেপুটেশনের লিখিত কোন আদেশ দেখাতে পারেন নি তিনি। জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের চর্ষি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শফিকুল ইসলাম নামে একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগকৃত থাকলেও এনামুল হক খানকে একই জায়গায় রাখা হয়েছে। চর্ষি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিমা খাতুন জানান, ২০০৯ সালে তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। যোগদানের পর দুই তিন বছর নিয়মিত চাকরি করার পর তিনি আর বিদ্যালয়ে আসে নি। তিনি ডেপুটেশনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ করেন। কিন্তু আমাদের কাছে ডেপুটেশনের কোন আদেশ কপি জমা দেন নি। আমি স্যারদের কথায় তার বেতনে সাক্ষর করে যাচ্ছি। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক এনামুল হক খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ২০১৬ সাল হতে প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও পরে জেলা শিক্ষা অফিসে কাজ করে যাচ্ছি। অফিসের প্রয়োজনে স্যারেরা আমাকে এখানে রেখেছে, তাই আমি ডেপুটেশনে আছি। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, আমার সময়ে তিনি আসেন নি। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। একজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে না গিয়েও নিয়মিত বেতন উত্তোলনের বিষয়টি আলোচনায় আসার পর নতুন করে আদেশ তৈরি করতে বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াচ্ছেন অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল হক খান। তবে এতগুলো বছর বিদ্যালয়ে না গিয়েও কিভাবে বেতন দিয়ে গেলেন উর্ধতন কর্মকর্তারা, এমন প্রশ্ন জামালপুরবাসীর।