ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ Logo রৌমারী রাজিবপুরে পূজামন্ডপ ও বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসন Logo দাগনভূঞার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বহুমুখী হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় ১১ নেতা Logo ফটিকছড়িতে সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ Logo কলমাকান্দায় ১০ নারী ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি Logo দুর্গাপূজায় দিনাজপুর সীমান্তে ৪২ বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা, নজরদারিতে ৮৬ ম-প Logo গাসিকের উন্নয়ন কর্মকা-ে সক্রিয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকঅবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প তদারকি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব Logo পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর টি-বাঁধ পরিদর্শন করেছেন Logo সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন ডাঃ সোহাগ Logo নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রেতার দোকানে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানের জেরে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তার উপরে হামলা, থানায় মামলা

চকরিয়ায় জন্মদাতা সাইকোপুত্র আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মারধরের অভিযোগ

চকরিয়ায মা এবং বোন বাদী হয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, মারধর ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করেছে কথিত যুবলীগ নেতা সাইকো পুত্র মিজানুল হক চৌধুরী প্রকাশ আর্মি মিজানের বিরোদ্ধে। শনিবার ১৬ মে চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে এমন অভিযোগ দায়ের করেন চকরিয়ার উপজেলার লক্ষারচর ৩নং ওয়ার্ডের রুস্তম আলী চৌধুরী পাড়ার মাহমুদুল হক জসিম উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও কন্যা সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি(৪১)। পুত্রের বিরোদ্ধে মা-বোনকে মারধর এবং থানায় অভিযোগ এরাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত সাইকু মিজানের মা মনোয়ারা বেগম ও বোন সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি সাংবাদিকদের জানান, মিজানুল হক সেনাবাহিনীর কর্পোরেট পদে চাকুরী করে ২০১২ সালে অবসরে চলে আসেন। তার পর থেকে সে টাকার নেশায় পথভ্রস্ট হয়ে বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকা-ে জড়িত হয়। সাবেক এমপি জাফল আলমের হাত ধরে যুবলীগের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে দখলবাজী, পাহাড় দখল, মারামারিতে সংযুক্ত হয়। কিন্তু হঠাৎ করে আওয়ামিলী সরকারের পতন হলে সে আরো বিপথ গামী হয়। মামলার বাদী তার বোন হ্যাপী আরো জানান, বিগত ২০০৯ইংসালে চকরিয়ার কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন নামক এমএলএম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাঁর স্বামীর পেনশনের ও ব্যবসার এবং ডিপিএস এর আসল ৫২,০০,০০০টাকা ফাউন্ডেশনে জমা প্রদান করেন। একি সাথে মিজান রাখেন ৪৪,০০,০০০ টাকা। ইতিমধ্যে কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন দেওলিয়া হয়ে পলাতক হলে টাকার বিশেষ প্রয়োজন বশত: জমা রাখা টাকা হইতে ২২,০০,০০০-টাকা ফেরৎ প্রদানের জন্য ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌস, পিতা:আবুল বরাদ চৌধুরীকে অনুরোধ করি। তিনি তাঁর জমাকৃত টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং টাকার পরিবর্তে ফাউন্ডেশনের ম্যানেজারের নামে খরিদা জায়গা “আমাকে প্রদান করিবে আশ্বাস দিলে, ১নং বিবাদী আমার মেজ ভাই হিসাবে আমার প্রতিনিধি হয়ে ১নংবিবাদী ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌসকে হত্যার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আমার নামের স্থলে ১নংবিবাদীর একক নামে পাওয়ার অব এটর্নী মুলে ফাঁসিয়াখালী মৌজার ২০ শতক বা ৬০কড়া জমি ১নংবিবাদীর নামে লিখিয়া নেয়। উক্ত জমি ১নং বিবাদী কিছুদিন পর ৬০,০০,০০০ লাখ টাকায় বিক্রি করে পুরো টাকাই ১নং বিবাদী মিজান আত্মসাৎ করে। মিজান আমার ফাউন্ডেশনে জমাকৃত ৫২,০০,০০০/-টাকা আত্মসাৎ করত: পুণরায় আমার পৈত্রিক জায়গা জমি, বাড়ি ভিটা ইত্যাদি জবর দখলের উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়ত আমাকে ও আমার মা, ভাইদের পথে-ঘাটে, হাটে-বাজারে দেখামাত্র অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করত: প্রতিবাদ করিলে গত ১২ মে/২০২৬ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ ঘটিকার সময় মিজান গং উভয়ের বসত বাড়ির সামনে চলাচল রাস্তায় আসিয়া আমাকে ও আমার মা, ভাইকে অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করিতে থাকিলে, আমার মা ও ভাই গালি-গালাজ না করার জন্য বিবাদীগণকে অনুরোধ করার সাথে সাথে সকল মিজান তার সঙ্গীয় ৫/৬ জন সন্ত্রাসী ক্ষিপ্ত ও ক্ষুদ্ধ হইয়া মারধর করিতে উদ্যত হইয়া ৫২লক্ষ টাকা দিবে না দাবী করে মা’কে ঘরের বাহির করিয়া দেয়। ভবিষ্যতে আমার টাকাগুলো ও উদ্ধারের চেষ্টা করিলে আমাকে ও আমার মা ভাই এবং আমার চাচাত ভাইদের বসত ভিটা বাড়িতে বসবাস করিতে দিবে না, পথে-ঘাটে, বাজারে একাকি পাইলে মারিবে, কাটিবে নতুবা আমার সেজভাই নেজামুলহকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকারী চাকুরীচ্যুত করিবে, বিবাদীগণের পাগল ছেলেকে দিয়ে ঘটনা করিয়া আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করিবে, জান-মালের অপূরনীয় ক্ষতি সাধন করিবে মর্মে ভয়-ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখায় বিষয় ও বর্ণনার আলোকে ভবিষ্যতে জান-মাল রক্ষার স্বার্থে তিনি এবং মা চকরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সাথে সাথে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যামে পত্রিকারন্তরে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সহ প্রমাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

চকরিয়ায় জন্মদাতা সাইকোপুত্র আর্মি মিজানের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৪৯:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

চকরিয়ায মা এবং বোন বাদী হয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, মারধর ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করেছে কথিত যুবলীগ নেতা সাইকো পুত্র মিজানুল হক চৌধুরী প্রকাশ আর্মি মিজানের বিরোদ্ধে। শনিবার ১৬ মে চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে এমন অভিযোগ দায়ের করেন চকরিয়ার উপজেলার লক্ষারচর ৩নং ওয়ার্ডের রুস্তম আলী চৌধুরী পাড়ার মাহমুদুল হক জসিম উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও কন্যা সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি(৪১)। পুত্রের বিরোদ্ধে মা-বোনকে মারধর এবং থানায় অভিযোগ এরাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত সাইকু মিজানের মা মনোয়ারা বেগম ও বোন সাবিনা ইয়াসমিন হ্যাপি সাংবাদিকদের জানান, মিজানুল হক সেনাবাহিনীর কর্পোরেট পদে চাকুরী করে ২০১২ সালে অবসরে চলে আসেন। তার পর থেকে সে টাকার নেশায় পথভ্রস্ট হয়ে বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকা-ে জড়িত হয়। সাবেক এমপি জাফল আলমের হাত ধরে যুবলীগের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে দখলবাজী, পাহাড় দখল, মারামারিতে সংযুক্ত হয়। কিন্তু হঠাৎ করে আওয়ামিলী সরকারের পতন হলে সে আরো বিপথ গামী হয়। মামলার বাদী তার বোন হ্যাপী আরো জানান, বিগত ২০০৯ইংসালে চকরিয়ার কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন নামক এমএলএম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাঁর স্বামীর পেনশনের ও ব্যবসার এবং ডিপিএস এর আসল ৫২,০০,০০০টাকা ফাউন্ডেশনে জমা প্রদান করেন। একি সাথে মিজান রাখেন ৪৪,০০,০০০ টাকা। ইতিমধ্যে কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন দেওলিয়া হয়ে পলাতক হলে টাকার বিশেষ প্রয়োজন বশত: জমা রাখা টাকা হইতে ২২,০০,০০০-টাকা ফেরৎ প্রদানের জন্য ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌস, পিতা:আবুল বরাদ চৌধুরীকে অনুরোধ করি। তিনি তাঁর জমাকৃত টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং টাকার পরিবর্তে ফাউন্ডেশনের ম্যানেজারের নামে খরিদা জায়গা “আমাকে প্রদান করিবে আশ্বাস দিলে, ১নং বিবাদী আমার মেজ ভাই হিসাবে আমার প্রতিনিধি হয়ে ১নংবিবাদী ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌসকে হত্যার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আমার নামের স্থলে ১নংবিবাদীর একক নামে পাওয়ার অব এটর্নী মুলে ফাঁসিয়াখালী মৌজার ২০ শতক বা ৬০কড়া জমি ১নংবিবাদীর নামে লিখিয়া নেয়। উক্ত জমি ১নং বিবাদী কিছুদিন পর ৬০,০০,০০০ লাখ টাকায় বিক্রি করে পুরো টাকাই ১নং বিবাদী মিজান আত্মসাৎ করে। মিজান আমার ফাউন্ডেশনে জমাকৃত ৫২,০০,০০০/-টাকা আত্মসাৎ করত: পুণরায় আমার পৈত্রিক জায়গা জমি, বাড়ি ভিটা ইত্যাদি জবর দখলের উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়ত আমাকে ও আমার মা, ভাইদের পথে-ঘাটে, হাটে-বাজারে দেখামাত্র অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করত: প্রতিবাদ করিলে গত ১২ মে/২০২৬ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ ঘটিকার সময় মিজান গং উভয়ের বসত বাড়ির সামনে চলাচল রাস্তায় আসিয়া আমাকে ও আমার মা, ভাইকে অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করিতে থাকিলে, আমার মা ও ভাই গালি-গালাজ না করার জন্য বিবাদীগণকে অনুরোধ করার সাথে সাথে সকল মিজান তার সঙ্গীয় ৫/৬ জন সন্ত্রাসী ক্ষিপ্ত ও ক্ষুদ্ধ হইয়া মারধর করিতে উদ্যত হইয়া ৫২লক্ষ টাকা দিবে না দাবী করে মা’কে ঘরের বাহির করিয়া দেয়। ভবিষ্যতে আমার টাকাগুলো ও উদ্ধারের চেষ্টা করিলে আমাকে ও আমার মা ভাই এবং আমার চাচাত ভাইদের বসত ভিটা বাড়িতে বসবাস করিতে দিবে না, পথে-ঘাটে, বাজারে একাকি পাইলে মারিবে, কাটিবে নতুবা আমার সেজভাই নেজামুলহকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকারী চাকুরীচ্যুত করিবে, বিবাদীগণের পাগল ছেলেকে দিয়ে ঘটনা করিয়া আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করিবে, জান-মালের অপূরনীয় ক্ষতি সাধন করিবে মর্মে ভয়-ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখায় বিষয় ও বর্ণনার আলোকে ভবিষ্যতে জান-মাল রক্ষার স্বার্থে তিনি এবং মা চকরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সাথে সাথে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যামে পত্রিকারন্তরে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সহ প্রমাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।