ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজ Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির

জামালপুরে নবাঙ্কুরের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

সুস্থধারার সংস্কৃতি ও শিশু, কিশোরদের মেধাবিকাশ এবং সর্বোত্তম সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জেলার অন্যতম সংগঠন নবাঙ্কুর। সংগঠনটির ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে শুক্রবার জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি। নবাঙ্কুরের সভাপতি রফিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্ব সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি সযযাদ আনসারী, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও নবাঙ্কুরের উপাদেষ্টা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, সহসভাপতি রেজাউল রাশেদ, সহভাপতি সাধন কুমার ঘোষ, সহসভাপতি গোবিন্দ সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নবাঙ্কুরের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার ঘোষ। আলোচনা সভা শেষে নবাঙ্কুরের শিশু শিল্পীরা মনোজ্ঞ নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি নবাঙ্কুরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে আক্ষেপের সাথে বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও আমরা আমাদের শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পারি নাই। এখনো সভ্য দুনিয়ায় আমাদের দেশে হামের টিকা না দেয়ার কারণে শত শত অবুঝ শিশু প্রাণ হারায়। এ দায় আমরা কোনভাবেই এড়াতে পারি না। জাহাঙ্গীর সেলিম তার বক্তব্যে বলেন শিশুদের জন্য বিকাশের প্রতিটি ক্ষেত্র বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে। জামালপুর শহরের অধিকাংশ পুকুর ও খেলার মাঠ ধংস করে ফেলা হয়েছে। সাতারের অভাবে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। মুক্ত খোলা মাঠের অভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না। এ দিকে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও কমিউনিটির কোন ভূমিকা নাই। অভিভাবকরা সন্তানদের গোল্ডেন প্লাসের পিছনে ছুটছে। এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম আমাদের গৌরবোজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য জানবে না। প্রকৃত মানুষ হবার পথে বাধাগ্রস্থ সৃষ্টি হবে। কবি সাযযাদ আনসারী বলেন আমাদের শিশুদের দেশ চিনাতে হবে আগে। ৫৬ হাজার বর্গমাইল সীমানাটাই বাংলাদেশ নয়। দেশকে জানতে হলে অনেক গভীরে যেতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস, সভ্যতার উন্মেষ, মানুষ হয়ে উঠার গল্প জানতে হবে। দেশপ্রেমে জাগ্রত না করতে পারলে আমাদের শিশুদের মেধাবিকাশে চরমভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজ

জামালপুরে নবাঙ্কুরের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আপডেট সময় ০১:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

সুস্থধারার সংস্কৃতি ও শিশু, কিশোরদের মেধাবিকাশ এবং সর্বোত্তম সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জেলার অন্যতম সংগঠন নবাঙ্কুর। সংগঠনটির ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে শুক্রবার জেলা শিল্পকলা একাডেমির বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি। নবাঙ্কুরের সভাপতি রফিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্ব সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি সযযাদ আনসারী, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও নবাঙ্কুরের উপাদেষ্টা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর সেলিম, সহসভাপতি রেজাউল রাশেদ, সহভাপতি সাধন কুমার ঘোষ, সহসভাপতি গোবিন্দ সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নবাঙ্কুরের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার ঘোষ। আলোচনা সভা শেষে নবাঙ্কুরের শিশু শিল্পীরা মনোজ্ঞ নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. জাহিদ হোসেন রবি নবাঙ্কুরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে আক্ষেপের সাথে বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও আমরা আমাদের শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে পারি নাই। এখনো সভ্য দুনিয়ায় আমাদের দেশে হামের টিকা না দেয়ার কারণে শত শত অবুঝ শিশু প্রাণ হারায়। এ দায় আমরা কোনভাবেই এড়াতে পারি না। জাহাঙ্গীর সেলিম তার বক্তব্যে বলেন শিশুদের জন্য বিকাশের প্রতিটি ক্ষেত্র বন্ধ করে ফেলা হচ্ছে। জামালপুর শহরের অধিকাংশ পুকুর ও খেলার মাঠ ধংস করে ফেলা হয়েছে। সাতারের অভাবে শিশুরা পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। মুক্ত খোলা মাঠের অভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না। এ দিকে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতিক ও কমিউনিটির কোন ভূমিকা নাই। অভিভাবকরা সন্তানদের গোল্ডেন প্লাসের পিছনে ছুটছে। এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম আমাদের গৌরবোজ্জল ইতিহাস, ঐতিহ্য জানবে না। প্রকৃত মানুষ হবার পথে বাধাগ্রস্থ সৃষ্টি হবে। কবি সাযযাদ আনসারী বলেন আমাদের শিশুদের দেশ চিনাতে হবে আগে। ৫৬ হাজার বর্গমাইল সীমানাটাই বাংলাদেশ নয়। দেশকে জানতে হলে অনেক গভীরে যেতে হবে। হাজার বছরের ইতিহাস, সভ্যতার উন্মেষ, মানুষ হয়ে উঠার গল্প জানতে হবে। দেশপ্রেমে জাগ্রত না করতে পারলে আমাদের শিশুদের মেধাবিকাশে চরমভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।