ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

গোদাগাড়ীতে উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ১০২’ এর মাঠ দিবস

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান ১০২’ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিএসও ড. মোহাম্মদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুমানা হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন, স্থানীয় কৃষক মামুন ও সাব্বির হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ব্রি ধান ১০২ একটি উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ আধুনিক ধানের জাত। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এই ধান বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৭ মণ বেশি উৎপাদন হয়। এতে রোগবালাইয়ের উপদ্রব যেমন কম, তেমনি চাষাবাদে সেচও কম লাগে। এর জীবনকাল সাধারণ ধানের চেয়ে ৫ থেকে ১০ দিন বেশি হলেও এর চালের ভাত অত্যন্ত সুস্বাদু এবং দ্রুত হজম হয়। মাঠ দিবসে ব্রি ধান ১০২ চাষী কৃষক মামুন তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, এই জাতটি আসলেই উচ্চ ফলনশীল এবং এতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম। জীবনকাল কিছুটা বেশি হলেও আমি ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৩ মণ ফলন পেয়েছি, যা মিনিকেট (জিরা) ও বিআর-২৮ ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আরেক কৃষক সাব্বির হোসেন জানান, তিনি এবার ১ একর জমিতে ব্রি ধান ১০২ চাষ করেছেন এবং ফলন অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। ধানটি জিঙ্ক সমৃদ্ধ হওয়ায় পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটবে এবং জিঙ্কের অভাবজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত থেকে এই নতুন জাতের ধান চাষাবাদের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

গোদাগাড়ীতে উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ১০২’ এর মাঠ দিবস

আপডেট সময় ০২:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান ১০২’ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিএসও ড. মোহাম্মদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুমানা হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন, স্থানীয় কৃষক মামুন ও সাব্বির হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ব্রি ধান ১০২ একটি উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ আধুনিক ধানের জাত। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এই ধান বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৭ মণ বেশি উৎপাদন হয়। এতে রোগবালাইয়ের উপদ্রব যেমন কম, তেমনি চাষাবাদে সেচও কম লাগে। এর জীবনকাল সাধারণ ধানের চেয়ে ৫ থেকে ১০ দিন বেশি হলেও এর চালের ভাত অত্যন্ত সুস্বাদু এবং দ্রুত হজম হয়। মাঠ দিবসে ব্রি ধান ১০২ চাষী কৃষক মামুন তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, এই জাতটি আসলেই উচ্চ ফলনশীল এবং এতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম। জীবনকাল কিছুটা বেশি হলেও আমি ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৩ মণ ফলন পেয়েছি, যা মিনিকেট (জিরা) ও বিআর-২৮ ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আরেক কৃষক সাব্বির হোসেন জানান, তিনি এবার ১ একর জমিতে ব্রি ধান ১০২ চাষ করেছেন এবং ফলন অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। ধানটি জিঙ্ক সমৃদ্ধ হওয়ায় পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটবে এবং জিঙ্কের অভাবজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত থেকে এই নতুন জাতের ধান চাষাবাদের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন।