ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী

গোদাগাড়ীতে উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ১০২’ এর মাঠ দিবস

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান ১০২’ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিএসও ড. মোহাম্মদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুমানা হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন, স্থানীয় কৃষক মামুন ও সাব্বির হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ব্রি ধান ১০২ একটি উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ আধুনিক ধানের জাত। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এই ধান বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৭ মণ বেশি উৎপাদন হয়। এতে রোগবালাইয়ের উপদ্রব যেমন কম, তেমনি চাষাবাদে সেচও কম লাগে। এর জীবনকাল সাধারণ ধানের চেয়ে ৫ থেকে ১০ দিন বেশি হলেও এর চালের ভাত অত্যন্ত সুস্বাদু এবং দ্রুত হজম হয়। মাঠ দিবসে ব্রি ধান ১০২ চাষী কৃষক মামুন তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, এই জাতটি আসলেই উচ্চ ফলনশীল এবং এতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম। জীবনকাল কিছুটা বেশি হলেও আমি ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৩ মণ ফলন পেয়েছি, যা মিনিকেট (জিরা) ও বিআর-২৮ ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আরেক কৃষক সাব্বির হোসেন জানান, তিনি এবার ১ একর জমিতে ব্রি ধান ১০২ চাষ করেছেন এবং ফলন অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। ধানটি জিঙ্ক সমৃদ্ধ হওয়ায় পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটবে এবং জিঙ্কের অভাবজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত থেকে এই নতুন জাতের ধান চাষাবাদের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

গোদাগাড়ীতে উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ১০২’ এর মাঠ দিবস

আপডেট সময় ০২:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি ধান ১০২’ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিএসও ড. মোহাম্মদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুমানা হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন, স্থানীয় কৃষক মামুন ও সাব্বির হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ব্রি ধান ১০২ একটি উচ্চ ফলনশীল ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ আধুনিক ধানের জাত। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এই ধান বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৭ মণ বেশি উৎপাদন হয়। এতে রোগবালাইয়ের উপদ্রব যেমন কম, তেমনি চাষাবাদে সেচও কম লাগে। এর জীবনকাল সাধারণ ধানের চেয়ে ৫ থেকে ১০ দিন বেশি হলেও এর চালের ভাত অত্যন্ত সুস্বাদু এবং দ্রুত হজম হয়। মাঠ দিবসে ব্রি ধান ১০২ চাষী কৃষক মামুন তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, এই জাতটি আসলেই উচ্চ ফলনশীল এবং এতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম। জীবনকাল কিছুটা বেশি হলেও আমি ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৩ মণ ফলন পেয়েছি, যা মিনিকেট (জিরা) ও বিআর-২৮ ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আরেক কৃষক সাব্বির হোসেন জানান, তিনি এবার ১ একর জমিতে ব্রি ধান ১০২ চাষ করেছেন এবং ফলন অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। ধানটি জিঙ্ক সমৃদ্ধ হওয়ায় পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটবে এবং জিঙ্কের অভাবজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত থেকে এই নতুন জাতের ধান চাষাবাদের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন।