বহু অপকর্মের খল নায়ক আওয়ামী লীগের সময়ে যোগদান করা গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডল। দৈহারী ইউনিয়নের মধ্যে বাঁশতলা গ্রামের কালিপদ মন্ডলের সন্তান কিশোর মন্ডল। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার পারিবারিক জায়গা জামির বিরোধ নিয়ে স্কুল শিক্ষক বাবু জোতিন চন্দ্র মন্ডলকে অমানবিক কায়দায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি হত্যারও হুমকি ধুমকি দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে। সরেজমিনে যাওয়া গণ মাধ্যম কর্মীরা সঠিক তথ্য উদঘাটন করার নিমিত্তে গ্রামের বহু লোকজনের সাথে কথা বললেন। এলাকার বাসিন্দাদের বেশীরভাগ লোকজন বলেন, কিশোর মন্ডল একজন বেয়াদব। আওয়ামী লীগের সময়ে চাকুরী হয়েছে। তাই বেয়াদবের মাত্রা আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান। নাম না প্রকাশের শর্তে গনকপাড়া, বাঁশতলার বহু লোকজন বলেন, বিগত সময় থেকেই কিশোর ছিল দারুণ বেপরোয়া। এলাকার নারীরা নিরাপদ ছিল না।
আওয়ামী লীগের সময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে যা খুশি তাই করারও নজির রয়েছে। বর্তমান সময়ে এখনো নারী বিষয়ক ঘটনা নিয়ে মামলা চলমান। এব্যাপারে দৈহারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহারুল ইসলাম গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, কিশোর আমাদের ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ। ওর বিষয়ে টুকটাক অভিযোগ আছে। কিন্তু জায়গা জামির বিরোধ নিয়ে একজন শিক্ষকের সাথে তর্ক বির্তক করা ঠিক হয়নি। গতকালই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিশোর মন্ডলের হাতাহাতি সহ হুমকি ধুমকির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একজন চেয়ারম্যান হিসেবে বলবো, আইনের লোক হয়ে শিক্ষকের সাথে তর্ক বির্তক এবং হত্যার হুমকি ধুমকি দেওয়া ঠিক হয়নি। সামাজিক ভাবে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব ছিল। অবশ্য ওয়ার্ড জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিএনপির নেতা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি ইচ্ছে করলেই সব কথা বলতে পারিনা। অবশ্য এটাই সত্যি শিক্ষকের সাথে বেয়াদবি করা ঠিক হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। আসলে গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডল স্যারের সাথে কাজটা ঠিক করেননি। আমি সহ সকলেই তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করি। শিক্ষক হলো মানুষ গড়ার মহান কারিগর। তাছাড়া কিশোর মন্ডল আইনের লোক তাই মাথা ঠান্ডা রেখে শান্তির পথে চলা উচিত ছিল। এব্যাপারে সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা শিক্ষক জোতিন চন্দ্র মন্ডলের সাথে কথা বলেন।তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, গ্রাম পুলিশ নিঃসন্দেহে একজন বেয়াদব স্বভাবের লোক। আইনের লোকজন হয়ে আইন কানুন মানতে নারাজ।
পেশী শক্তির দ্বারা সবকিছু জয় করতে চায়। আপনারা যাছাই বাছাই করে তথ্য উদঘাটন করুন। গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডলের সব কিছু হুর হর করে বের হয়ে আসবে। আমি শিক্ষক তাই মারামারি করতে আমি পারি না। চরম উশৃংখল এবং অসামাজিক মানুষও বলা যায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে সমাজে এজাতীয় লোকজন রামরাজত্ব কায়েম করার দুঃসাহস দেখাবে। এদিকে গণমাধ্যম কর্মীরা বারবার নারী লোভী ও বেয়াদব চক্রের সদস্য গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু গনকপাড়া ও বাঁশতলা গ্রামের মধ্যে সাংবাদিকদের আনাগোনা টের পেয়ে গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডল কৌশল অবলম্বন করে সাংবাদিকদের এড়য়ে চলেন। ফোনও রিছিব করেননি। এব্যাপারে বাঁশতলা গ্রামের বেশীরভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বেয়াদব ও উশৃংখল স্বভাবের গ্রাম পুলিশ কিশোর মন্ডলের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাক বাঁশতলা গ্রামের মধ্যে।
সংবাদ শিরোনাম
কিশোর মন্ডলের বিরুদ্ধে স্কুল শিক্ষক বাবু জোতিন চন্দ্র মন্ডলকে অমানবিক কায়দায় মারধরের অভিযোগ
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৩:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
- 115
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ



















