ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

হার্ট ভালো রাখতে রাতে কোন কাতে ঘুমানো ভালো? চিকিৎসকের পরামর্শ

ঘুমের সময় আমরা কোন ভঙ্গিতে শুয়ে থাকছি, তা শুধু আরামের বিষয় নয়। বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঘুমের অবস্থান কখনো কখনো শ্বাস-প্রশ্বাস ও শারীরিক অস্বস্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তাহলে হার্টের রোগীদের জন্য কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো? খবর হিন্দুস্তান টাইমস
কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সৌরভ জুনেজার মতে, সব হার্টের রোগীর জন্য নির্দিষ্ট কোনো একটি ঘুমের ভঙ্গি সেরা নয়। ব্যক্তির হৃদরোগের ধরন, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য উপসর্গের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে। যে অবস্থায় স্বস্তিতে এবং কোনো ধরনের শ্বাসকষ্ট ছাড়াই ঘুমানো যায়, সেটিই সাধারণত সবচেয়ে ভালো।

এক কাতে ঘুমানো কি নিরাপদ?
অনেক হৃদ্‌রোগীর জন্য এক কাতে ঘুমানো আরামদায়ক হতে পারে।
বাঁ কাতে ঘুমানো নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও, সবার জন্য এটিই সবচেয়ে ভালো এমনটা বলা যায় না। যাদের শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে, তারা শরীরের ওপরের অংশ কিছুটা উঁচু করে বা এক কাতে শুয়ে আরাম পেতে পারেন। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের দুর্বলতার কারণে যাদের শ্বাসকষ্ট হয়, তারা বালিশ দিয়ে মাথা ও বুক কিছুটা উঁচু করে ঘুমালে উপকার পেতে পারেন।
চিৎ হয়ে ঘুমানো কি ক্ষতিকর
চিৎ হয়ে ঘুমানো নিজে থেকে হৃদ্‌রোগীদের জন্য ক্ষতিকর নয়।
তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমা বা হার্ট ফেইলিউরের সমস্যা থাকলে, একেবারে সমতল হয়ে শুলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর সময় বারবার শ্বাসকষ্টে জেগে ওঠা, শুয়ে পড়ার পরপরই হাঁপিয়ে ওঠা কিংবা ঘুমাতে অনেকগুলো বালিশের প্রয়োজন হওয়াকে শুধু ‘ভুলভাবে ঘুমানোর’ সমস্যা মনে করা উচিত নয়। এগুলো হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার সতর্কসংকেতও হতে পারে।
যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না : রাতে শোয়ার পর যদিÑ
শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়,
হঠাৎ দম বন্ধ লাগায় ঘুম ভেঙে যায়,
পা ফুলে যায়,
অল্প সময়ে অস্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়ে যায়,
তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
হার্টের রোগীদের জন্য একেবারে নিষিদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট ঘুমের ভঙ্গি নেই।
তবে উপুড় হয়ে শুলে যদি বুকে চাপ লাগে বা শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, তাহলে সেই অবস্থায় ঘুমানো এড়িয়ে চলাই ভালো।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে ভঙ্গিতে বুক ব্যথা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক অস্বস্তি হয়, সেই ভঙ্গিতে জোর করে ঘুমানো উচিত নয়। বারবার একই সমস্যা হলে ঘুমের ভঙ্গি বদলানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

হার্ট ভালো রাখতে রাতে কোন কাতে ঘুমানো ভালো? চিকিৎসকের পরামর্শ

আপডেট সময় ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুমের সময় আমরা কোন ভঙ্গিতে শুয়ে থাকছি, তা শুধু আরামের বিষয় নয়। বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঘুমের অবস্থান কখনো কখনো শ্বাস-প্রশ্বাস ও শারীরিক অস্বস্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তাহলে হার্টের রোগীদের জন্য কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো? খবর হিন্দুস্তান টাইমস
কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সৌরভ জুনেজার মতে, সব হার্টের রোগীর জন্য নির্দিষ্ট কোনো একটি ঘুমের ভঙ্গি সেরা নয়। ব্যক্তির হৃদরোগের ধরন, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য উপসর্গের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে। যে অবস্থায় স্বস্তিতে এবং কোনো ধরনের শ্বাসকষ্ট ছাড়াই ঘুমানো যায়, সেটিই সাধারণত সবচেয়ে ভালো।

এক কাতে ঘুমানো কি নিরাপদ?
অনেক হৃদ্‌রোগীর জন্য এক কাতে ঘুমানো আরামদায়ক হতে পারে।
বাঁ কাতে ঘুমানো নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও, সবার জন্য এটিই সবচেয়ে ভালো এমনটা বলা যায় না। যাদের শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে, তারা শরীরের ওপরের অংশ কিছুটা উঁচু করে বা এক কাতে শুয়ে আরাম পেতে পারেন। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের দুর্বলতার কারণে যাদের শ্বাসকষ্ট হয়, তারা বালিশ দিয়ে মাথা ও বুক কিছুটা উঁচু করে ঘুমালে উপকার পেতে পারেন।
চিৎ হয়ে ঘুমানো কি ক্ষতিকর
চিৎ হয়ে ঘুমানো নিজে থেকে হৃদ্‌রোগীদের জন্য ক্ষতিকর নয়।
তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমা বা হার্ট ফেইলিউরের সমস্যা থাকলে, একেবারে সমতল হয়ে শুলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর সময় বারবার শ্বাসকষ্টে জেগে ওঠা, শুয়ে পড়ার পরপরই হাঁপিয়ে ওঠা কিংবা ঘুমাতে অনেকগুলো বালিশের প্রয়োজন হওয়াকে শুধু ‘ভুলভাবে ঘুমানোর’ সমস্যা মনে করা উচিত নয়। এগুলো হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার সতর্কসংকেতও হতে পারে।
যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না : রাতে শোয়ার পর যদিÑ
শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়,
হঠাৎ দম বন্ধ লাগায় ঘুম ভেঙে যায়,
পা ফুলে যায়,
অল্প সময়ে অস্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়ে যায়,
তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
হার্টের রোগীদের জন্য একেবারে নিষিদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট ঘুমের ভঙ্গি নেই।
তবে উপুড় হয়ে শুলে যদি বুকে চাপ লাগে বা শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, তাহলে সেই অবস্থায় ঘুমানো এড়িয়ে চলাই ভালো।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে ভঙ্গিতে বুক ব্যথা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক অস্বস্তি হয়, সেই ভঙ্গিতে জোর করে ঘুমানো উচিত নয়। বারবার একই সমস্যা হলে ঘুমের ভঙ্গি বদলানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো।