ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন Logo কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন Logo দুর্গাপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত Logo গলাচিপায় (সি-পি-পি) স্বেচ্ছা সেবক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ Logo উখিয়ায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্গমনের আগুন জ্বলবে আরো ১ সপ্তাহ, ২০০ মিটারের বাসিন্দাদের সরানোর পরামর্শ বাপেক্সের Logo কালীগঞ্জে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: লুট হওয়া বৈদ্যুতিক সামগ্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা সদস্য সফিকুল ইসলাম Logo ফুলতলায় বরণপাড়া বায়োগ্যাস পল্লী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি Logo টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য মিছিল Logo মধুপুরের বংশাই নদী জোর কদমে চলছে পুনরুদ্ধারের কাজ

চকরিয়ায় আগুনে পুড়ানো হলো ৬৪৮৪টি দলিল: সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ

কক্সবাজারের চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ২০১৭ সাল থেকে ২০২০সাল পর্যন্ত ৪ বছরের জমানো কথিত দাবিদার বিহীন ৬৪৮৪টি মূল দলিল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। দলিল আগুনে পুড়ানো নিয়ে সচেতন মহলে চলছে চরম অসন্তোষ। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দলিল পোড়ানো হয়। জানা যায়, ২০১৭ সনের ২৩৫১ নং দলিল হতে ২০২০ সনের ৪১৩৩ নং দলিল পর্যন্ত যে সকল দলিল গ্রহীতারা দীর্ঘদিনেও গ্রহণ করেননি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সেসব দলিল পুড়িয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়। এসময় চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে কার্যালয়ের বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা, দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সাব-রেজিস্ট্রার সালাহ উদ্দিন জানান, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দাবিদার বিহীন দলিল সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা থাকে না। বিধি মোতাবেক একটি কমিটির উপস্থিতিতে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৬৪৮৪টি দলিল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এর আগে সংশ্লিষ্ট দলিল গ্রহীতাদের দলিল গ্রহণের জন্য একাধিকবার নোটিশ দেয়া হয়েছিল। এসময় তিনি আরও বলেন, যাদের দলিল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে তারা চাইলে কক্সবাজার রেকর্ড রুম থেকে নকল তুলে নিতে পারবেন। এতে তাদের জমির মালিকানায় কোনো সমস্যা হবে না। এ ব্যাপারে সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। জমির মূল দলিল পুড়ালে মালিকানা সরাসরি কিছু আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য সমস্যাসমূহ,:তৎকালীন আতঙ্ক ও প্রমাণ সংকট: নিজের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে প্রমাণের মূল কাগজ না থাকায় আইনি লড়াই বা বিরোধের সময় কিছুটা বিপাকে পড়তে হয়। ব্যাংক ঋণ পেতে সমস্যা: ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন বা বন্ধকি ঋণ নেওয়ার সময় অনেক সময় মূল দলিলের কপির প্রয়োজন হয়। জমি কেনাবেচায় জটিলতা: মূল দলিল না থাকায় ক্রেতার মনে সন্দেহ তৈরি হতে পারে, যা জমি বিক্রির প্রক্রিয়াকে দীর্ঘ বা কঠিন করে তোলে।প্রতারণার ঝুঁকি: দলিল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যদিও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেকর্ড সুরক্ষিত থাকে। দলিল পুড়িয়ে ফেলার ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী বলেন, দলিল পুড়িয়ে ফেলা সিদ্ধান্তটি পরিবর্তন করা দরকার। দলিল গ্রহীতার ঠিকানায় ডাক যোগে পাঠিয়ে দিলেই ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন

চকরিয়ায় আগুনে পুড়ানো হলো ৬৪৮৪টি দলিল: সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ২০১৭ সাল থেকে ২০২০সাল পর্যন্ত ৪ বছরের জমানো কথিত দাবিদার বিহীন ৬৪৮৪টি মূল দলিল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। দলিল আগুনে পুড়ানো নিয়ে সচেতন মহলে চলছে চরম অসন্তোষ। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দলিল পোড়ানো হয়। জানা যায়, ২০১৭ সনের ২৩৫১ নং দলিল হতে ২০২০ সনের ৪১৩৩ নং দলিল পর্যন্ত যে সকল দলিল গ্রহীতারা দীর্ঘদিনেও গ্রহণ করেননি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সেসব দলিল পুড়িয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়। এসময় চকরিয়া সাব-রেজিস্ট্রার সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে কার্যালয়ের বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা, দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সাব-রেজিস্ট্রার সালাহ উদ্দিন জানান, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দাবিদার বিহীন দলিল সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা থাকে না। বিধি মোতাবেক একটি কমিটির উপস্থিতিতে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৬৪৮৪টি দলিল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এর আগে সংশ্লিষ্ট দলিল গ্রহীতাদের দলিল গ্রহণের জন্য একাধিকবার নোটিশ দেয়া হয়েছিল। এসময় তিনি আরও বলেন, যাদের দলিল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে তারা চাইলে কক্সবাজার রেকর্ড রুম থেকে নকল তুলে নিতে পারবেন। এতে তাদের জমির মালিকানায় কোনো সমস্যা হবে না। এ ব্যাপারে সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। জমির মূল দলিল পুড়ালে মালিকানা সরাসরি কিছু আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য সমস্যাসমূহ,:তৎকালীন আতঙ্ক ও প্রমাণ সংকট: নিজের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে প্রমাণের মূল কাগজ না থাকায় আইনি লড়াই বা বিরোধের সময় কিছুটা বিপাকে পড়তে হয়। ব্যাংক ঋণ পেতে সমস্যা: ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন বা বন্ধকি ঋণ নেওয়ার সময় অনেক সময় মূল দলিলের কপির প্রয়োজন হয়। জমি কেনাবেচায় জটিলতা: মূল দলিল না থাকায় ক্রেতার মনে সন্দেহ তৈরি হতে পারে, যা জমি বিক্রির প্রক্রিয়াকে দীর্ঘ বা কঠিন করে তোলে।প্রতারণার ঝুঁকি: দলিল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যদিও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেকর্ড সুরক্ষিত থাকে। দলিল পুড়িয়ে ফেলার ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী বলেন, দলিল পুড়িয়ে ফেলা সিদ্ধান্তটি পরিবর্তন করা দরকার। দলিল গ্রহীতার ঠিকানায় ডাক যোগে পাঠিয়ে দিলেই ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন।