ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ ৪৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে ফাহিম

বিএসসি শেষ করার পর দেশের বাহিরে যাওয়ার অপার সুযোগ থাকলেও বাবার কথায় দেশেই থেকে যান ফাহিম। তাঁর সহপাঠীদের অনেকেই উন্নত দেশে চলে যাচ্ছে। কেউ আরও পড়াশোনা করবে আবার কেউ কেউ ভালো জীবনযাপনের আশায়। এসব কিছু একপাশে রেখে বাবার উৎসাহে শুরু করেন প্রতিযোগিতামূলক বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি। বাবার ইচ্ছে ছেলে দেশে থাকুক, দেশের জন্য কিছু করুক। বাবার কথা রাখলেন অবশেষে বাবার অধরা সরকারি চাকরি এবং জীবনের প্রথম বিসিএসেই হলেন প্রশাসন ক্যাডার। কঠোর পরিশ্রমে জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফাহিম ইবনে ইদ্রিস। তাঁর এই অর্জনে যেমন রয়েছে নিজের অধ্যবসায়, তেমনি রয়েছে বাবার অনুপ্রেরণা। বাবাকে কথা দিয়েছিলেন দেশের সেবা করবে। আর ৪৫তম বিসিএসে তা রুপ নিয়েছে পরিবারের প্রত্যাশা পূরণের গল্পে। স্কুল জীবন থেকেই ফাহিম ছিলেন ভালো ছাত্র। তখন থেকেই জীবনে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পড়েছেন তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে। তাঁর এই সফলতার পেছনের গল্পটা শুরু হয়েছে বাবার মাধ্যমে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাশ করে এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন ফাহিম। আত্মবিশ্বাস আর লক্ষ্যে অবিচল থাকার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হয় সাফল্যের পথে। ফাহিমের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে তাঁর পথচলায় বাবার সবচেয়ে বড় প্রেরণা হয়ে ছিল। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের তারাকান্দি (জামিয়া গাফুরিয়া, ইসলামপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন) গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী ও গৃহিণী ফাতেমা খাতুন দম্পতির বড় ছেলে ফাহিম ইবনে ইদ্রিস। মা-বাবা, দুই ভাই ও দুই বোন নিয়ে তাঁর পরিবার। প্রাথমিকের গন্ডি শেষ করে সেই অজপাড়া গ্রাম থেকে এসে ভর্তি হয় ঈশ্বরগঞ্জ বিশ্বেশ্বরী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করেন। ২০১৬ সালে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ২০১৬-১৭ সেশনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়াশোনা শুরু করেন। বুয়েট থেকে নেভাল আর্কিটেকচার এ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি শেষ করেন। তিনি জানান, বিএসসি পাস করার পর বাবার উৎসাহে আমার বিসিএস জার্নি শুরু হয়। এর পর অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে জীবনের প্রথম ৪৫তম বিসিএস আর দ্বিতীয় ভাইভায় সফলতা লাভ করেন। পূর্বে তিনি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে সুপারিশ পায় তবে সেখানে যোগদান করেন নাই। ছেলের এ সফলতায় ফাহিমের বাবা বলেন, প্রথম যখন শুনি ফাহিম প্রশাসন ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পেয়েছে তখন নিজেকে মনে হয়েছে সফল বাবা। আল্লাহ্’র কাছে সবসময় চাইতাম মনের আশা পূরণ করার। অবশেষে আল্লাহ আমার মনের আশা পূরণ করে দিয়েছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে লাখ-কোটি শুকরিয়া। আমার পাশাপাশি ফাহিমের আম্মাও সবসময়ই দোয়া করতেন ছেলে যেন ভালো কিছু করে। তিনি আরও বলেন ফাহিম যখন বিএসসি শেষ করল তখন দেখি তার সহপাঠীদের অনেকেই উন্নত দেশে চলে যাচ্ছে। কেউ আরও পড়াশোনা করতে আবার কেউ কেউ ভালো জীবনযাপনের জন্য। আমার ছেলেরও দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিলো কিন্তু আমি সব সময় চেয়েছি আমার ছেলে দেশে থাকুক, দেশের জন্য কিছু করুক। যতভাবে সম্ভব উৎসাহ দিয়েছি। মনোবল বাড়ানোর জন্য নিজে প্রতিদিন নিয়ম করে মোবাইলে কথা বলেছি। সব ধরনের সহযোগিতা ত সবসময়ই করেছি। আমিও ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছি। ফাহিমের দাদা একজন সরকারি চাকরিজীবি ছিলেন। ফাহিম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ তায়া’লার অশেষ রহমত ও অনুগ্রহের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। চূড়ান্ত ফলাফলে নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখার মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের।
আমার এই সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের মুখে হাসি ফুটতে দেখে নিজেও এক অন্যরকম প্রশান্তি পেয়েছি। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত করতে পারার এই অনুভূতি সত্যিই অতুলনীয়। তিনি আরও বলেন, প্রথম বিসিএসেই কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জনে যথাযথভাবে পালনই হবে বড় দায়িত্ব। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করাই হবে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ। পহেলা নভেম্বর সিলেটে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করবেন তিনি। এ সফলতায় তাঁর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম. মোস্তফা কামাল বলেন, আমার বিদ্যালয় যখন সরকারি হবে তখন একজন প্রশাসন ক্যাডারের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়েছিল কিন্তু তৎক্ষনাৎ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে একজন প্রাক্তন ছাত্রের সহযোগিতায় কাজ করাটা সম্ভব হয়েছিল। তখন থেকেই আমাদের একটা স্বপ্ন ছিল আমাদের ছাত্রছাত্রীরা একদিন প্রশাসন ক্যাডার হবে। আজ আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমার বিদ্যালয়েরই ২০১৪ ব্যাচের ফাহিম প্রশাসন ক্যাডার হয়েছে। মনে হয়েছে সেই স্বপ্নটা সত্যি হয়েছে। দোয়া করি দেশসেবায় নিজেকে সততার সহিত নিয়োজিত রাখবে। তিনি আরও এই সফলতা বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ ৪৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে ফাহিম

আপডেট সময় ০১:৪০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বিএসসি শেষ করার পর দেশের বাহিরে যাওয়ার অপার সুযোগ থাকলেও বাবার কথায় দেশেই থেকে যান ফাহিম। তাঁর সহপাঠীদের অনেকেই উন্নত দেশে চলে যাচ্ছে। কেউ আরও পড়াশোনা করবে আবার কেউ কেউ ভালো জীবনযাপনের আশায়। এসব কিছু একপাশে রেখে বাবার উৎসাহে শুরু করেন প্রতিযোগিতামূলক বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি। বাবার ইচ্ছে ছেলে দেশে থাকুক, দেশের জন্য কিছু করুক। বাবার কথা রাখলেন অবশেষে বাবার অধরা সরকারি চাকরি এবং জীবনের প্রথম বিসিএসেই হলেন প্রশাসন ক্যাডার। কঠোর পরিশ্রমে জীবনের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফাহিম ইবনে ইদ্রিস। তাঁর এই অর্জনে যেমন রয়েছে নিজের অধ্যবসায়, তেমনি রয়েছে বাবার অনুপ্রেরণা। বাবাকে কথা দিয়েছিলেন দেশের সেবা করবে। আর ৪৫তম বিসিএসে তা রুপ নিয়েছে পরিবারের প্রত্যাশা পূরণের গল্পে। স্কুল জীবন থেকেই ফাহিম ছিলেন ভালো ছাত্র। তখন থেকেই জীবনে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পড়েছেন তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে। তাঁর এই সফলতার পেছনের গল্পটা শুরু হয়েছে বাবার মাধ্যমে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাশ করে এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন ফাহিম। আত্মবিশ্বাস আর লক্ষ্যে অবিচল থাকার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হয় সাফল্যের পথে। ফাহিমের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে তাঁর পথচলায় বাবার সবচেয়ে বড় প্রেরণা হয়ে ছিল। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের তারাকান্দি (জামিয়া গাফুরিয়া, ইসলামপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন) গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী ও গৃহিণী ফাতেমা খাতুন দম্পতির বড় ছেলে ফাহিম ইবনে ইদ্রিস। মা-বাবা, দুই ভাই ও দুই বোন নিয়ে তাঁর পরিবার। প্রাথমিকের গন্ডি শেষ করে সেই অজপাড়া গ্রাম থেকে এসে ভর্তি হয় ঈশ্বরগঞ্জ বিশ্বেশ্বরী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করেন। ২০১৬ সালে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ২০১৬-১৭ সেশনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পড়াশোনা শুরু করেন। বুয়েট থেকে নেভাল আর্কিটেকচার এ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি শেষ করেন। তিনি জানান, বিএসসি পাস করার পর বাবার উৎসাহে আমার বিসিএস জার্নি শুরু হয়। এর পর অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে জীবনের প্রথম ৪৫তম বিসিএস আর দ্বিতীয় ভাইভায় সফলতা লাভ করেন। পূর্বে তিনি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে সুপারিশ পায় তবে সেখানে যোগদান করেন নাই। ছেলের এ সফলতায় ফাহিমের বাবা বলেন, প্রথম যখন শুনি ফাহিম প্রশাসন ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পেয়েছে তখন নিজেকে মনে হয়েছে সফল বাবা। আল্লাহ্’র কাছে সবসময় চাইতাম মনের আশা পূরণ করার। অবশেষে আল্লাহ আমার মনের আশা পূরণ করে দিয়েছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে লাখ-কোটি শুকরিয়া। আমার পাশাপাশি ফাহিমের আম্মাও সবসময়ই দোয়া করতেন ছেলে যেন ভালো কিছু করে। তিনি আরও বলেন ফাহিম যখন বিএসসি শেষ করল তখন দেখি তার সহপাঠীদের অনেকেই উন্নত দেশে চলে যাচ্ছে। কেউ আরও পড়াশোনা করতে আবার কেউ কেউ ভালো জীবনযাপনের জন্য। আমার ছেলেরও দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিলো কিন্তু আমি সব সময় চেয়েছি আমার ছেলে দেশে থাকুক, দেশের জন্য কিছু করুক। যতভাবে সম্ভব উৎসাহ দিয়েছি। মনোবল বাড়ানোর জন্য নিজে প্রতিদিন নিয়ম করে মোবাইলে কথা বলেছি। সব ধরনের সহযোগিতা ত সবসময়ই করেছি। আমিও ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছি। ফাহিমের দাদা একজন সরকারি চাকরিজীবি ছিলেন। ফাহিম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ তায়া’লার অশেষ রহমত ও অনুগ্রহের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। চূড়ান্ত ফলাফলে নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখার মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের।
আমার এই সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের মুখে হাসি ফুটতে দেখে নিজেও এক অন্যরকম প্রশান্তি পেয়েছি। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত করতে পারার এই অনুভূতি সত্যিই অতুলনীয়। তিনি আরও বলেন, প্রথম বিসিএসেই কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জনে যথাযথভাবে পালনই হবে বড় দায়িত্ব। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করাই হবে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ। পহেলা নভেম্বর সিলেটে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করবেন তিনি। এ সফলতায় তাঁর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম. মোস্তফা কামাল বলেন, আমার বিদ্যালয় যখন সরকারি হবে তখন একজন প্রশাসন ক্যাডারের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়েছিল কিন্তু তৎক্ষনাৎ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে একজন প্রাক্তন ছাত্রের সহযোগিতায় কাজ করাটা সম্ভব হয়েছিল। তখন থেকেই আমাদের একটা স্বপ্ন ছিল আমাদের ছাত্রছাত্রীরা একদিন প্রশাসন ক্যাডার হবে। আজ আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমার বিদ্যালয়েরই ২০১৪ ব্যাচের ফাহিম প্রশাসন ক্যাডার হয়েছে। মনে হয়েছে সেই স্বপ্নটা সত্যি হয়েছে। দোয়া করি দেশসেবায় নিজেকে সততার সহিত নিয়োজিত রাখবে। তিনি আরও এই সফলতা বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।