আইনের কিছু কিছু লোকজন জায়গা জমির সঠিক কাগজ পত্র না বুঝে বেআইনী ভাবে একটা পক্ষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজকর্ম করে বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথকাঠী মৌজার ৭৫৪ দাগের সম্পত্তির পরিমাণ ০৫ একর ১৭ শতাংশ। খতিয়ান হল ৪৩। আর সেই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এই দাগের ওহাব গংদের সোয়া পাঁচ শতাংশ। আর ০৩.৩৩ শতাংশ সম্পত্তি প্রয়াত হাতেম আলীর। পরবর্তী সময়ে দানপত্র করেন পিতা মোঃ হাতেম আলী তিন সন্তানকে ০৩.৩৩ শতাংশ। প্রয়াত হাতেম আলীর তিন সন্তান মোঃ সালেক, মোঃ আয়নাল ও মোঃ রফিককে। সেই সময়ে মেঝ ভাই ও ছোট ভাই নাবালক ছিলেন। পরবর্তী সময়ে গ্রামের প্রতিবেশী আঃ কুদ্দুস হাওলাদার দুই ভাইয়ের জমি ক্রয় করেন। অপরদিকে সালেকের একটা অংশ ক্রয় করেন প্রয়াত সেকান্দর আলী। আর সেই সূত্র ধরেই দীর্ঘদিন ধরে সালেকের পরিবারের সাথে বন্টন নিয়ে বিরোধ চলছিল। বহুদিন সালেকের ঘরের পাশের সম্পত্তি ভোগ দখলে ছিল। কিন্তু হুটহাট করে আঃ কুদ্দুস হাওলাদারের জায়গার পাশে দখল নিতে চায় প্রয়াত সেকান্দর আলীর ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর গংরা। সেই সময়ের জায়গা জমির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাম্য শালিসি বৈঠক হয়েছে। কিন্তু শান্তির জন্য কোন সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বরূপকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালতে অভিযোগ করেন বাদী মোঃ আঃ কুদ্দুস ও সালেক মিয়া। বিবাদী হিসেবে ছিল প্রয়াত সেকান্দর আলীর ছেলে প্রয়াত মোঃ জাহাঙ্গীর। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর বেআইনী ভাবে মোঃ আঃ কুদ্দুস ও সালেক মিয়ার বৈধ জায়গা দখলের চেষ্টা করেন। কিন্তু পাকাপোক্ত কাগজের বলে আঃ কুদ্দুস টিকে আছেন।স্থানীয় সূত্র আরও জানান, কুদ্দুস মিয়ার সাথে জায়গা জমির হিসাব নিকাশ মৌলবি আব্দুল ওহাব ও মোসঃ ফাতেমা বেগমের। কিন্তু প্রয়াত জাহাঙ্গীর বেশী পন্ডিতের কারনে আঃ কুদ্দুস মিয়ার সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়ছেন। আর সেই কারণে সালেক মিয়ার সাথে প্রয়াত সেকান্দর আলী গংদেরও বিরোধ চলছিল। কিন্তু গ্রামের মধ্যে এতকিছুর পরও ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালতে অভিযোগ চলমান রয়েছে।বাদী আঃ কুদ্দুস ও সালেক। অবশ্য সালেক অসুস্থ হওয়ার কারনে বর্তমানে বাদী সালেকের স্ত্রী হেলেনা বেগম। স্থানীয় গ্রাম্য আদালতে সাবেক চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রীয় পদকে ভূষিত আলহাজ্ব মোঃ আবুল কালাম আজাদও একজন শালিসিদার। এছাড়াও নেছারাবাদ উপজেলার বহু আমিন সহ বহু গন্যমান্য লোকজনও গ্রাম্য আদালতের শালিসিদার রয়েছে। স্থানীয় সূত্র এবং বাদী পক্ষ বরিশাল বিভাগের বহু গণমাধ্যম কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, সোমবার সকালে হঠাৎ বেশকিছু ভাড়াটিয়া লোকজন সহ রাজমিস্ত্রী নিয়ে হাজির প্রয়াত জাহাঙ্গীরের আত্মীয়রা হাজির। কোনকিছু আচ করার আগেই হুটহাট করে বেআইনি ভাবে আঃ কুদ্দুস হাওলাদারের জায়গায় ইট বালু দিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। এসময়ে নেছারাবাদ থানার এএসআই ওমর কড়া ভাষায় ধমক দিয়ে বলেন এই জায়গা আপনার নয়।মুখের ভাষাও খারাপ করেন এস আই ওমর। ক্ষমতার অপব্যবহার করে এস আই ওমরের প্রত্যাক্ষ সহযোগিতায় পাকা ভবন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে।এএস আই সরাসরি স্পটে থেকে কাজ পুরোদমে চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয় বলে বাদী পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন। এব্যাপারে এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আইনের লোকজন সঠিক প্রক্রিয়ায় কাজকর্ম করার এক্তিয়ার রয়েছে। কিন্তু বেআইনী ভাবে গ্রাম্য আদালতের শালিসি বৈঠকে উপেক্ষা করার এক্তিয়ার নেই। তবে আদালতের রায় হলে ভিন্ন কথা ছিল। এছাড়াও গ্রামের লোকজন সহ বাদী পরিবারের সদস্যরা বলেন ঘটনার বহু পর বরিশাল বিভাগের ও স্থানীয় বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।বাদী আঃ কুদ্দুস সহ গ্রামের লোকজনরা বরিশাল বিভাগের গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আপনারা সাংবাদিকর তাই সঠিক তথ্য উদঘাটন করার অধিকার আপনাদের আছে কিন্তু প্রশাসনের চাটুকারিতা করার নাম সাংবাদিকতা নয়। আঃ কুদ্দুস ও হেলেনা বেগমের সাথে বিবাদীদের সমস্যা সমাধান হয়নি। গ্রাম্য আদালতে বিচার প্রক্রিয়া চলমান। কিন্তু নেছারাবাদ থানার এসআই ওমর কিভাবে বেআইনী ভাবে পাকা ভবন করার সম্মতি দেয়। প্রশাসনের লোকজন আইনের সঠিক ধারায় সাধারণ মানুষের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রশাসনের এ এস আই ওমর মোটা অঙ্কের বদৌলতে বেআইনী ভাবে কাজকর্ম করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল। নইলে ঠান্ডা মাথায় এজাতীয় বিতর্কিত কাজকর্ম করার সাহস পেতনা। এব্যাপারে এএস আই ওমরের সাথে কথা হয় বরিশাল বিভাগের গণমাধ্যম কর্মীদের। তিনি সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে। বাদী পরিবারের লিখিত ও ভিডিও ফুটেজের অভিযোগ কোন মতে খন্ডাতে সক্ষম হয়নি। এদিকে গণমাধ্যম কর্মীরা নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফোন রিছিব করতে সক্ষম হয়নি। ফলে গণমাধ্যম কর্মীরা এএসআই ওমরের বেআইনী কাজকর্মের তথ্য লিখে জানান।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমান সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের বেশ কয়েকজন অফিসার বিতর্কিত হচ্ছেন কাজেকর্মে। আর সেই তালিকায় এস আই ওমরের নামটা উঠে এসেছে। বিগত সময়ে সুটিয়াকাঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ভদ্র মহিলার লিখিত অভিযোগ ছিল। স্থানীয় প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে সকলের জন্য। বাঁকা চোখে কারও পক্ষে গিয়ে বিতর্কিত হওয়ার মধ্যে বাহাদুরি নেই। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এএসআই ওমরের বেআইনী কাজকর্ম গ্রাম্য আদালতকে অসম্মান করা হয়েছে। স্থানীয় সুধী সমাজের লোকজনকে অসম্মান করা হয়েছে। মনগড়া এবং মোটা অঙ্কের বিনিময়ে বেআইনী ভাবে পাকা ভবন করার সম্মতি দিয়েছেন এ এস আই ওমর। প্রশাসনের সুদৃষ্টি অতীব জরুরী আঃ কুদ্দুস ও হেলেনা বেগমের জন্য। জায়গা জমি ভোগদখল করতে হলে বৈধ কাগজপত্র দরকার। গায়ের জোরে ভোগ দখল করা ঠিক নয়। অথবা নেছারাবাদ থানার এএসআই ওমরের বেআইনী কর্মকা-ের কারনে জায়গা জমির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাক আর সেই দাবী সর্বসাধারণের।
সংবাদ শিরোনাম
গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০১:৪৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- 10
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























