শীতলা মন্দিরের জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগে আজকের সংবাদ সম্মেলন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আজকের সংবাদ সম্মেলনে (২৮/১০/২৬)। আমি একজন সাবেক সেনা সদস্য এবং বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষুদ্র কর্মী মাত্র। অথচ আমার বিরুদ্ধে মনগড়া ও মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ট্যাক লাগিয়ে আমার এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। ফলে সাংবাদিকদের সামনে আমি মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচারর তীব্র নিন্দা জানাই। পাশাপাশি যতগুলো মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে সবগুলোই সঠিক তথ্য অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ করেননি। স্থানীয়রা কেহই উক্ত জমির মধ্যে মন্দির ছিল। সেই কথা কেহই বলেননি।গুটি কয়েক হীন স্বার্থে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে, জায়গা জমির প্রধান শক্তি বৈধ কাগজপত্র! শীতলা মন্দির মন্দিরের কথা বলে অস্থির কিন্তু কোন দাগে বা কোন দলিলের মধ্যে তাকিন্তু একবারও বলেননি। বরং বিএস দাগের ১৩০ খতিয়ানের ৯৫২ দাগের ঐ জমিটি ০৮ ব্যাক্তির নামে রেকর্ডকৃত।
যার মধ্যে সমীর রঞ্জন আইচের ১০.৫০ শতাংশ যাহা শফিকুল ইসলাম ক্রয় করে নিজ নামে রেকর্ড করার কথাও স্বীকার করেন। অথচ এরপরও আমার বিরুদ্ধে শীতলা মন্দিরের জমি জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ কিভাবে হতে পারে। আমার প্রশ্ন, আমার বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙ্গার মিথ্যা মামলা ও কাল্পনিক অভিযোগ করে সামাজিক ভাবে হেও করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। মিথ্যা অপপ্রচারের পর পরই নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ ডিএসবি এবং অন্য বিভাগের কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যতা খুঁজে পায়নি। পরবর্তী সময়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে নিয়ে একত্রে বসেন এবং উভয়কেই আইনী ভাবে সমাধানের পরামর্শ দেন। এদিকে সাবেক সেনা সদস্য মোঃ সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের আরও বলেন, সমীহ রঞ্জন আইচ ও উত্তম কুমার আইচ সর্ব পিতা মাখন লাল আইচ এর নিকট থেকে উক্ত ৯৫২ দাগ সহ বিভিন্ন দাগ ও খতিয়ান থেকে আমি জমি ক্রয় করি।এছাড়াও পিরোজপুর জেলা বিজ্ঞ জজ আদালতে ডিগ্রি লাভ করি এবং আইনানুসারে আমার নামে রেকর্ডভুক্ত করে ভোগ দখলে আছি। কিন্তু বিগত ডিসেম্বর ২০২৫ ও জানুয়ারী ২০২৬এ এলাকার বেশকিছু স্বার্থান্বেশী পর সম্পদ লোভী ব্যাক্তিবর্গ (মোঃ জাকির খান, ডালিম খান, হালিম খান, খোকন খান সহ আরও অনেকে) আমার ভোগদখলীয় জমি থেকে জোর পূর্বক ফসলাদী লুন্ঠন করে নিয়ে যায়। স্থানীয় ভাবে কোন সুন্দর সমাধান না পেয়ে আমি পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে মামলা করি। যাহার নম্বর এমপি ৩৩৯/২৫ ও সিআর মামলা ৩৮/২৬। উক্ত মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে। প্রতিপক্ষ মামলা মোকাবিলায় ব্যার্থ হয়ে আমার ভোগ দখলীয় জমিতে বেআইনী ভাবে টুটুল আইচের নেতৃত্বে শীতলা মন্দিরের সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে আমাকে উক্ত জমি থেকে উৎখাতের অপচেষ্টা করছে।
পাশাপাশি আমার সুনাম সহ আমার দল জামায়াতে ইসলামকে নিয়ে মিথ্যাচার করে দেশ বিদেশে এবং জনগনের কাছে ভুল বার্তা দিয়ে অপপ্রচার সহ হেয় পতিপন্ন করার অপচেষ্টা করছে। প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আমার ভোগ দখলী রেকর্ডকৃত জমির ব্যাপারে কেহ যদি আদালতের মাধ্যমে বেআইনী প্রমাণ করতে পারে তাহলে রাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী আমার কঠিন শাস্তি হোক। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সবসময়ের জন্য। অথচ বর্তমান সময়ে নানান ভাবে হুমকি ধামকির শিকার হচ্ছি। এছাড়াও আমার পরিবারের জীবন নাশের আশংকা করছি। আমি প্রশাসনের কাছে আইনী যথাযথ সহযোগিতা ও নিরাপত্তা চাই। পরিশেষে আপনারা জাতির বিবেক তা-ই সত্য ঘটনা তুলে ধরার অনুরোধ রইলো। জাতির স্বার্থে সত্যি ঘটনা তুলে ধরার আহবান জানাই। ভুল তথ্য দিয়ে বিব্রতকর তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো। পাশাপাশি আমার ভুল ত্রুটিগুলো তুলে ধরারও আহবান জানাই। অবশ্য এটাও সত্য, কিছু কিছু গণমাধ্যম কর্মীরা নীতি আদর্শ ভুলে গিয়ে মিথ্যা প্রচার প্রচারণা করার দাম্ভিকতা দেখায়। তা-ই সকলের কাছে অনুরোধ, জায়গা জমির প্রধান শক্তি বৈধ কাগজপত্র। গায়ের জোরে মাস্তানী করা যায় কিন্তু বৈধ ভাবে জমি দখল করা যায় না।
সংবাদ শিরোনাম
স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা সদস্য সফিকুল ইসলাম
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৮:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
- 3
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ


















