ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘর্ষে স্পেন ফুটবলারের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় সম্ভাব্য অনিচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে স্প্যানিশ পুলিশ।
সোমবার ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে এফসি অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস ওনোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দে মিগেলের। মাঝমাঠের কাছাকাছি লম্বা পাসের বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন টেনেরিফের এই ফরোয়ার্ড। বিপরীত দিক থেকে ছুটে এসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ওনোর আঘাত লাগে দে মিগেলের বুকে। ঘটনাটির পরপরই মাঠে পড়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক।
সংঘর্ষের পর দে মিগেলের হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে তার ক্লাব টেনেরিফ। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ২-২ সমতায় থাকা ম্যাচটি ঘটনার পর পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
স্প্যানিশ ন্যাশনাল পুলিশ মঙ্গলবার জানিয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশটির আইনে দুর্ঘটনাসহ অস্বাভাবিক কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বিচারিক তদন্তের বিধান রয়েছে। তবে সান্তা ক্রুস দে টেনেরিফের প্রধান কৌঁসুলি হোসে লুইস সানচেজ-হাউরেগুই স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফইকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, সংঘর্ষটি খেলার মধ্যেই ঘটেছে।
টেনেরিফের প্রধান শেয়ারহোল্ডার রাইকো গার্সিয়া সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পরিবারের অনুরোধে দে মিগেলের মরদেহ টলেডো প্রদেশের নাভাহেরমোসায় নেওয়া হবে। সেখানে তার সতীর্থ ও ক্লাব কর্মকর্তারা শেষ বিদায় জানাবেন। আগামী শনিবার ক্লাবের স্টেডিয়ামে সমর্থকেরাও প্রয়াত ফুটবলারকে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হবেন।
গার্সিয়া বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে শক্তি সঞ্চয় করব এবং এই কঠিন সময় পার করে যাব।’
ক্লাব সভাপতি ফেলিপে মিনিয়ামব্রেস মনে করেন, দে মিগেলের মৃত্যু সামলাতে খেলোয়াড় ও তাঁদের পরিবারের পেশাদার সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পেশাদার সহায়তা এবং সব সমর্থকের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। আজ আমরা যেমন অনুভব করছি, তাঁরাও একইভাবে অনুভব করবেন।’
এদিকে শনিবার গ্রানাদার বিপক্ষে লিগের ম্যাচটি স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছে টেনেরিফ।
দে মিগেলের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে স্পেনের বিভিন্ন ক্লাব, ফুটবল ফেডারেশন, লা লিগা ও ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো। সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্ড পিকের মালিকানাধীন ক্লাব আন্দোরাও শোকবার্তা দিয়েছে। পিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। শান্তিতে ঘুমাও, হেসুস।’
চ্যাম্পিয়নস লিগের মঙ্গলবারের ম্যাচগুলোতেও স্মরণ করা হয়েছে টেনেরিফের এই ফুটবলারকে। বার্সেলোনা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ভিয়ারিয়াল নিজেদের মাঠে ম্যাচ শুরুর আগে প্রতিযোগিতার প্রচলিত সংগীত বাজায়নি। ওল্ড ট্রাফোর্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বড় পর্দায় দেখানো হয় দে মিগেলের ছবি।
রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়েরা অনুশীলনের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। স্পেনের আরেক ক্লাব এস্পানিওল তাদের নতুন কোচের পরিচিতি অনুষ্ঠানও স্থগিত করেছে। কিলিয়ান এমবাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এত দুঃখের। বলার মতো কোনো শব্দ নেই।’ আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিও ইনস্টাগ্রামে শোক জানিয়ে লিখেছেন, ‘কিছু বলার ভাষা নেই। তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা এবং অনেক শক্তি কামনা করছি।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুলও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছে। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের জন্য নির্ধারিত কোপা দেল রে ও কোপা দে লা রেইনার সব ম্যাচ স্থগিত করেছে। উয়েফা জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে তাদের সব ম্যাচে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।
ফুটবলে সংঘর্ষে প্রাণঘাতী আঘাতের ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তবে স্পেনে গত বছর পঞ্চম বিভাগের একটি ম্যাচে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান ১৯ বছর বয়সী গোলরক্ষক রাউল রামিরেজ। কলিন্দ্রেসের এই গোলরক্ষক মাঠে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুল্যান্সে হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুটি ঘটনা মোকাবিলা করেন। দুই দিন পর তাকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয়।
২০০১ সালে সিএসকেএ মস্কোর হয়ে খেলার সময় ম্যাচে সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান ইউক্রেনের গোলরক্ষক সেরহি পেরখুন। এরও আগে ১৯৮৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে সেলতা ভিগোর ফরোয়ার্ড বালতাজারের সঙ্গে সংঘর্ষের তিন সপ্তাহের বেশি সময় পর মারা যান মালাগার গোলরক্ষক হোসে আন্তোনিও গায়ার্দো।
মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া দে মিগেল ২০১৫ সালে লেগানেসের ‘বি’ দলের হয়ে সিনিয়র ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর স্পেনের নি¤œ বিভাগের কয়েকটি ক্লাবে খেলেছেন তিনি। গত বছর যোগ দেন টেনেরিফে।
দে মিগেলের আগে থেকে কোনো শারীরিক অসুস্থতা ছিল- এমন কোনো স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাগত কারণও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন এই ফুটবলার।
টেনেরিফের শোকবার্তায় বলা হয়েছে, ‘সান্ত¡না দেওয়ার মতো কোনো শব্দ নেই। এই গভীর শোক কমানোর মতো কিছুই নেই। আমরা তার বিধ্বস্ত পরিবার, প্রিয়জন এবং পুরো টেনেরিফ সম্প্রদায়ের পাশে আছি।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘর্ষে স্পেন ফুটবলারের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় ১০:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় সম্ভাব্য অনিচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে স্প্যানিশ পুলিশ।
সোমবার ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে এফসি অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস ওনোর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দে মিগেলের। মাঝমাঠের কাছাকাছি লম্বা পাসের বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন টেনেরিফের এই ফরোয়ার্ড। বিপরীত দিক থেকে ছুটে এসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ওনোর আঘাত লাগে দে মিগেলের বুকে। ঘটনাটির পরপরই মাঠে পড়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক।
সংঘর্ষের পর দে মিগেলের হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে তার ক্লাব টেনেরিফ। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ২-২ সমতায় থাকা ম্যাচটি ঘটনার পর পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
স্প্যানিশ ন্যাশনাল পুলিশ মঙ্গলবার জানিয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশটির আইনে দুর্ঘটনাসহ অস্বাভাবিক কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বিচারিক তদন্তের বিধান রয়েছে। তবে সান্তা ক্রুস দে টেনেরিফের প্রধান কৌঁসুলি হোসে লুইস সানচেজ-হাউরেগুই স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফইকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, সংঘর্ষটি খেলার মধ্যেই ঘটেছে।
টেনেরিফের প্রধান শেয়ারহোল্ডার রাইকো গার্সিয়া সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পরিবারের অনুরোধে দে মিগেলের মরদেহ টলেডো প্রদেশের নাভাহেরমোসায় নেওয়া হবে। সেখানে তার সতীর্থ ও ক্লাব কর্মকর্তারা শেষ বিদায় জানাবেন। আগামী শনিবার ক্লাবের স্টেডিয়ামে সমর্থকেরাও প্রয়াত ফুটবলারকে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হবেন।
গার্সিয়া বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে শক্তি সঞ্চয় করব এবং এই কঠিন সময় পার করে যাব।’
ক্লাব সভাপতি ফেলিপে মিনিয়ামব্রেস মনে করেন, দে মিগেলের মৃত্যু সামলাতে খেলোয়াড় ও তাঁদের পরিবারের পেশাদার সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পেশাদার সহায়তা এবং সব সমর্থকের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। আজ আমরা যেমন অনুভব করছি, তাঁরাও একইভাবে অনুভব করবেন।’
এদিকে শনিবার গ্রানাদার বিপক্ষে লিগের ম্যাচটি স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছে টেনেরিফ।
দে মিগেলের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে স্পেনের বিভিন্ন ক্লাব, ফুটবল ফেডারেশন, লা লিগা ও ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো। সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্ড পিকের মালিকানাধীন ক্লাব আন্দোরাও শোকবার্তা দিয়েছে। পিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। শান্তিতে ঘুমাও, হেসুস।’
চ্যাম্পিয়নস লিগের মঙ্গলবারের ম্যাচগুলোতেও স্মরণ করা হয়েছে টেনেরিফের এই ফুটবলারকে। বার্সেলোনা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ভিয়ারিয়াল নিজেদের মাঠে ম্যাচ শুরুর আগে প্রতিযোগিতার প্রচলিত সংগীত বাজায়নি। ওল্ড ট্রাফোর্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বড় পর্দায় দেখানো হয় দে মিগেলের ছবি।
রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়েরা অনুশীলনের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। স্পেনের আরেক ক্লাব এস্পানিওল তাদের নতুন কোচের পরিচিতি অনুষ্ঠানও স্থগিত করেছে। কিলিয়ান এমবাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এত দুঃখের। বলার মতো কোনো শব্দ নেই।’ আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিও ইনস্টাগ্রামে শোক জানিয়ে লিখেছেন, ‘কিছু বলার ভাষা নেই। তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা এবং অনেক শক্তি কামনা করছি।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুলও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছে। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের জন্য নির্ধারিত কোপা দেল রে ও কোপা দে লা রেইনার সব ম্যাচ স্থগিত করেছে। উয়েফা জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে তাদের সব ম্যাচে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।
ফুটবলে সংঘর্ষে প্রাণঘাতী আঘাতের ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তবে স্পেনে গত বছর পঞ্চম বিভাগের একটি ম্যাচে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান ১৯ বছর বয়সী গোলরক্ষক রাউল রামিরেজ। কলিন্দ্রেসের এই গোলরক্ষক মাঠে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুল্যান্সে হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুটি ঘটনা মোকাবিলা করেন। দুই দিন পর তাকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয়।
২০০১ সালে সিএসকেএ মস্কোর হয়ে খেলার সময় ম্যাচে সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান ইউক্রেনের গোলরক্ষক সেরহি পেরখুন। এরও আগে ১৯৮৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে সেলতা ভিগোর ফরোয়ার্ড বালতাজারের সঙ্গে সংঘর্ষের তিন সপ্তাহের বেশি সময় পর মারা যান মালাগার গোলরক্ষক হোসে আন্তোনিও গায়ার্দো।
মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া দে মিগেল ২০১৫ সালে লেগানেসের ‘বি’ দলের হয়ে সিনিয়র ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর স্পেনের নি¤œ বিভাগের কয়েকটি ক্লাবে খেলেছেন তিনি। গত বছর যোগ দেন টেনেরিফে।
দে মিগেলের আগে থেকে কোনো শারীরিক অসুস্থতা ছিল- এমন কোনো স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাগত কারণও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন এই ফুটবলার।
টেনেরিফের শোকবার্তায় বলা হয়েছে, ‘সান্ত¡না দেওয়ার মতো কোনো শব্দ নেই। এই গভীর শোক কমানোর মতো কিছুই নেই। আমরা তার বিধ্বস্ত পরিবার, প্রিয়জন এবং পুরো টেনেরিফ সম্প্রদায়ের পাশে আছি।’