ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বহুল আলোচিত এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়েই আবারও নিহতের পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আসামিদের অব্যাহত হুমকি ও হামলার মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার দুপুরে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। আসামীরা হলেন সবুজ মিয়া, বাইজিদ মিয়া, ফয়সাল মিয়া, দূর্জয়, বাবু, উজ্জ্বল, এলাছ, রমিজ, সুজন, বকুল ও রাকিবসহ অজ্ঞাত ১৫-২০জন। লিখিত বক্তব্যে তারা প্রশাসনের কাছে আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ পাঠ করেন নিহত এ.কে বাশার রতনের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং তারিখে আসামিরা নির্মমভাবে এ.কে বাশার রতনকে হত্যা করে। ওই ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, জামিন পাওয়ার পরপরই ২রা জুন, মঙ্গলবার বিকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে মামলার সাক্ষী ও বাদীপক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা এ.কে বাশার রতনের সহোদর বড় ভাই ছিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু,তার মা সুফিয়া খাতুন ও বোনের মেয়ে শ্রাবন্তী আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বলেন, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে না নিলে পুরো পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন ঘরে ঘুমাতে পারছি না। যেকোনো সময় আমাদের পরিবারের আরও সদস্য খুন হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জামিন পেয়েই আসামিরা যেভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও খুনিদের জামিন বাতিল করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০১:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বহুল আলোচিত এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়েই আবারও নিহতের পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আসামিদের অব্যাহত হুমকি ও হামলার মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার দুপুরে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। আসামীরা হলেন সবুজ মিয়া, বাইজিদ মিয়া, ফয়সাল মিয়া, দূর্জয়, বাবু, উজ্জ্বল, এলাছ, রমিজ, সুজন, বকুল ও রাকিবসহ অজ্ঞাত ১৫-২০জন। লিখিত বক্তব্যে তারা প্রশাসনের কাছে আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ পাঠ করেন নিহত এ.কে বাশার রতনের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং তারিখে আসামিরা নির্মমভাবে এ.কে বাশার রতনকে হত্যা করে। ওই ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, জামিন পাওয়ার পরপরই ২রা জুন, মঙ্গলবার বিকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে মামলার সাক্ষী ও বাদীপক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা এ.কে বাশার রতনের সহোদর বড় ভাই ছিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু,তার মা সুফিয়া খাতুন ও বোনের মেয়ে শ্রাবন্তী আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বলেন, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে না নিলে পুরো পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন ঘরে ঘুমাতে পারছি না। যেকোনো সময় আমাদের পরিবারের আরও সদস্য খুন হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জামিন পেয়েই আসামিরা যেভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও খুনিদের জামিন বাতিল করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।